Showing posts with label Admission. Show all posts
Showing posts with label Admission. Show all posts

HSC Admission Online Application and SMS Process 2019-2020 | www.xiclassadmission.gov.bd

HSC College Admission Registration Fee Method
Total admission fee is 1 thousand at Upazila level, 2 thousand at District level and 3 thousand at Metropolitan areas without Dhaka. And in Dhaka admission fee fixed as 5 thousand taka at MPO colleges, 9 thousand taka at Half MPO colleges and 10 thousand taka for English version.

Besides more than 3 thousand can not be taken out of the development sector. In addition, BDT. 300 can be taken for registration with other 6 sectors, which will be submitted on Board.

hsc college admission sms online process - result merit list migration 2019 - 2020
www.xiclassadmission.gov.bd

HSC Admission Online Process 2019 Start: 12 May 2019
HSC Admission 2019 Online Process End: 23 May 2019
HSC Admission Result: 9th June 2019
Application Process completes within 30 June 2019
Class Starts 1 July 2019

Application instructions http://xiclassadmission.gov.bd/svg/Nirdeshika2019.pdf

hsc admission Online Proceess Website http://www.xiclassadmission.gov.bd

for better understanding you may read following news
https://www.banglanews24.com/education/news/bd/716073.details
https://www.banglanews24.com/education/news/bd/715306.details

College Category Dhaka Board

College List (Board Wise) (View or Download from links)

Help Line (10:00 AM to 8:00 PM)
01789309980
01789028041
01751624444
01732487334
01710882956
01305703874
01304732196

hsc-college-admission-result-merit-list-migration-2019-2020-www.xiclassadmission.gov.bd
 download following image if you needed

সুইজারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা


জীবনযাত্রার উচ্চমান, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অবাধ সুযোগের কারণে শিক্ষার্থীরা অনেকেই পাড়ি জমাচ্ছেন সুইজারল্যান্ডে।
লিখেছেন- ওসমান গনি রয়েল।

ইউরোপের ভূ-স্বর্গ হিসেবে খ্যাত সুইজারল্যান্ড বর্তমান বিশ্বের প্রথম সারির একটি উন্নত দেশ। ইউরোপের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত এ দেশটি বসবাসের জন্য খুবই নিরাপদ এবং অন্যান্য দেশের সাথে এর রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। এ দেশের নাগরিকদের সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এখানে পড়াশোনার মান খুবই উন্নত। তাই উচ্চশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের কাছে এটি স্বপ্নের দেশ। এখানে আন্তর্জাতিক পরিবেশে যে কোনো যে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাব্যবস্থা সুইজারল্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। বর্তমান বিশ্বে তাই সুইজারল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থাকে সর্বোত্তম মর্যাদা দেয়া হয়। ফলে সুইজারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আদর্শ স্থান।

শিক্ষাব্যবস্থা

উচ্চশিক্ষার জন্য সুইজারল্যান্ডে রয়েছে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়। এদের মধ্যে ১০টি ক্যান্টন দ্বারা পরিচালিত। বাকি ২টি পরিচালিত করে কনফেডারেশন। ক্যান্টন হলো সুইজারল্যান্ডের একটি প্রাদেশিক অংশ। আর কনফেডারেশ হলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্মিলিত পরিচালনা পরিষদ। সাধারণত ক্যান্টন দ্বারা পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নন-টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ পড়ানো হয় আর কনফেডারেশন পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো পড়ানো হয়। এজন্য ফেডারেশন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’। সুইস একাডেমিক ডিগ্রিগুলোর নাম হচ্ছে লিজেনটিয়েট বা লাইসেন্স, ডিপ্লোমা এবং পিএইচডি। লাইসেন্স এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রি দুটি আমেরিকার মাস্টার ডিগ্রির সমপর্যায়ের। তবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ করে এ কোর্সে ভর্তি হতে পারে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের বিদেশী শিক্ষার্থীদের মেডিকেল বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনার কোনো সুযোগ নেই। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় এবং পলিটেকনিক ছাড়াও উচ্চমিক্ষার জন্য রয়েছে-

১. বিভিন্ন প্রাইভেট কলেজ।
২. টির্চার্স ট্রেনিং কলেজ;
৩. অন্যান্য শিক্ষামূলক কলেজ;
৪. অ্যাডভান্স বিজনেস অ্যান্ড প্রফেশনাল এগজামিনেশন্স।

যে বিষয় পড়তে যেতে পারেন

টেকনিক্যাল বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য সুইজারল্যান্ড আদর্শ। তবে হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট এবং ফাইন্যান্স বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্যও সুইজারল্যান্ড শীর্ষস্থানীয়। এ বিষয়সমূহ ছাড়াও যে সমস্থ বিষয় এখানে ডিগ্রি নেয়া যায় সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-ইকনোমিক্স, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মিউজিক, প্লাস্টিক আর্টস অ্যান্ড ডিজাইন, হেলথ কেয়ার, সোশ্যাল ওয়ার্ক, ল, ক্রিমিনোলজি, ম্যাথমেটিকস অ্যান্ড সায়েন্স, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, থিওলেজি, বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি, এডুকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম, হিস্ট্রি, সোশিওলজি, সাইকোলজি, ফিলোসফি, একাইন্টিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, মার্কেটিং, ইনফরমেশন টেকনোলজি, মিডিয়া বিজনেস ইনফরমেশন সিস্টেমসহ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অনেক বিষয়ে এখানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

পড়াশোনার ভাষা

সুইজারল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জার্মান, ফরাসি এবং ইতালিয়ান ভাষায় শিক্ষা প্রদান করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষায়ও পড়া যায়, তবে সীমিত। এজন্য সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করতে হলে জার্মান, ফরাসি অথবা ইতালিয়ান যে কোনো একটিতে দক্ষতা থাকতে হবে। অন্যথায় ইংরেজিতে দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

পড়াশোনার খরচ

সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনার খরচ খুব বেশি। বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে খরচ কম-বেশি হলেও এখানে সাধারণত আন্ডার গ্র্যাজলেয়ট শিক্ষার্থীকে বছরে ৮,১৬,০০০ টাকা থেকে ১০,২০,০০০ টাকা এবং পোস্ট গ্র্যাজলেয়ট পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরকে বছরে ১,০৭,১০০ টাকা থেকে ১৪,২৮,০০০ টাকা টিউশন ফি দিতে হবে।

থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ

সুইজারল্যান্ডে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দেশ। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখানে থাকা-খাওয়া ব্যয় অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। এখানে থাকা-খাওয়া বাবদ একজন শিক্ষার্থীর মাসে প্রায় ৪০,০০০ টাকা থেকে ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

কাজ করার সুযোগ

শিক্ষাবর্ষ বিলম্বিত না করার শর্তে সুইজারল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের সরকারিভাবে সপ্তাহে ১৫ ঘন্টা পার্টটাইম কাজ করার অনুমতি আছে। এজন্য অতিরিক্ত কোনো কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। কাজ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কম্পানিতে সিভি পাঠানো ও দৈনিক পত্রিকার সাহায্যে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া হোটেল ম্যানেজমেন্ট কিংবা ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বছরে ৬ মাস প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস হিসেবে পাঁচতারা হোটেলে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়।

আবেদন ও ভর্তি প্রসেসিং

সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য আপনাকে অবশ্যই ১৮ বছর বয়সী হতে হবে। এবং নির্ধারিত ভাষায় দক্ষ হতে হবে। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টও থাকতে হবে। কারণ, সুইস ইউনিভার্সিটিগুলোতে ছাত্রসংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলছে। কিছু কিছু কোর্স এত জনপ্রিয় যে সেগুলোতে কখনো আসন খালি থাকে না। ফলে কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রথমেই একটি ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এ ভর্তি পরীক্ষা বছরে দুবার- জুনের শেষ ভাগে একবার এবং সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে একবার অনুষ্ঠিত হয়। এক্ষেত্রে ফ্রাইবুর্গে একটি প্রিপারেশন কোর্সের ব্যবস্থা আছে, যে কোর্সটি করলে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করা যায়। কোর্সটি করতে খরচ হয় ২,৫০,০০০ টাকা এবং কোর্সটি করানো হয় অক্টোবর থেকে জুনের শিষ পর্যন্ত। এজন্য যোগাযোগ করুন- Rue de Rome 2, CH-1700 Fribourg, Switzerland.
Tel : 0041263471616, Fax : 004126347617, E-mail : info@vkhs.ch
এরপর আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ই-মেইল করে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটোকপিসহ ছবি ও আবেদন ফি পাঠানো হবে। আপনি যোগ্য হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনাকে ভর্তি করিয়ে নেবে এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানিয়ে দেবে।

ভিসা প্রসেসিং

সুইজারল্যান্ডের ভিসা পেতে হলে আপনার লাগবে-
১. ভিসা আবেদন ফরম
২. ছবি
৩. পাসপোর্ট
৪. সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা চালানোর খরচ বহন করতে সক্ষম এই মর্মে আর্থিক নিশ্চয়তার প্রমাণপত্র ও
৫. বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অনুমতিপত্র।
এছাড়া অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাগজপত্রসহ নিকটস্থ সুইস দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
আপনার প্রদানকৃত তথা ও কাগজপত্র সঠিক হলে আপনি ভিসা পাবেন। এজন্য ভিসা ফি ৭,৫০০ টাকা জমা দিতে হবে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-www.swissemb.org

আবাসন ব্যবস্থা

সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানোর পর রেসিডেন্স পারমিট এর জন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কাছে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে ভিসাসহ পাসপোর্ট, সুইস বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিশ্চয়তাপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, পছন্দকুত সুইস ঠিকানা, সুইজারল্যান্ডে কেউ থাকলে তার পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে এক সেমিস্টারের রেসিডেন্স পারমিট-এর জন্য ৭৫০ টাকা থেকে ১,১০০ টাকা লাগে।

স্কলারশিপ

সুইজারল্যান্ডে সরকার ‘ফেডারেল কমিশন ফর স্কলারশিপস ফরেন স্টুডেন্টস’-এর মাধ্যমে বিদেশে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে নির্ধারিত কোনো স্কলারশিপ নেই। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের সাথে একত্রে বিপি-২ গ্রুপের জন্য নির্ধারিত স্কলারশিপ থেকে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সীমিত সংখ্যক স্কলারশিপ পেয়ে থাকে। তবে েএ স্কলারশিপ কেবল সুইজারল্যান্ডে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ও কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণা সুইজারল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই সম্পন্ন করতে হয়। স্কলারশিপের জন্য আবেদনপত্র সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে বাছাইয়ের জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ইনচার্জ এবং বাংলাদেশে সুইস ডিপ্লোম্যাটিক প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান বরাবর পাঠাতে হবে। এখান থেকে এ আবেদনপত্র নির্বাচনের জন্য চলে যাবে ‘ফেডারেল কমিশন ফর স্কলারশিপস ফরেন স্টুডেন্টস’-এ। তাদের মতানুযায়ী নির্বাচিত হলে ফেডানেল ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্স নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তারিকা প্রকাশ করবে। সুইজারল্যান্ডে স্নাতক পর্যায়ে সাধারণত কোনো স্কলারশিপ নেই।
সুইজারল্যান্ডের স্কলারশিপ সুবিধা আছে এমন আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেয়া হলো-
•Fonds National Suisse de le recherche scientifique wildhainweg 20
C.P 8232, CH3001 Berne, Suisse (Switzerland), Tel : 0041 31 308 2222 Fax : 00413013009
E-mail : pri@snf.ch, Web : www.snf.ch
•Universite de Fribourg, Service de la Mobilite et des echanges, cite Misericorde, CH 1700 Fribourge.
Tel : 004126 300 7111, 0041263007201 Fax: 0041 26 300 9700 0041263009704
E-mail : admission@unifr.ch Web : www.unifr.ch
•Universite de Lausanne
pfistergasse 20, Case Postal 7979, CH 6000 Lucerne7; Switzerland. Tel : 0041 228 5510, Fax : 0041 228 5505 E-mail : rektorat@unilu.ch
•American Cancer Society International Cancer Research Fellowship
প্রতিষ্ঠান থেকে মেডিসিন এবং হেলথ সায়েন্স উত্তর আমেরিকার যে কোনো দেশে প্রফেশনাল গবেষণঅ করার জন্য ফেলোশিপ হিসেবে ১৫ জনকে ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন এগেইস্ট ক্যান্সার (international Union againest Cancer) এর অর্থায়ানে পরিচালিত এ ফেলোশিপের জন্য ১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিন্মোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।
সুইজারল্যান্ডের প্রধান কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
•Universitat Zurich
১৮৩৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত। এখানে জার্মান ভাষায় শিক্ষাদান করা হয়। শিক্ষক সংখ্যা ২,৪০৪ জন এবং ছাত্রসংখ্যা ২২,৩৬২ জন।
ভর্তি যোগ্যতা : নূন্যতম উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ হতে হবে এবং একাডিমিক রেজাল্ট খুবই ভালো হতে হবে।
খরচ : এখানে টিউশন ফি খুব বেশি। টিউশন ফি ছাড়াও বিভিন্ন রকম খরচ আছে। তাই ফ্যাক্স, চিঠি বা ই-মেইল করে জেনে নেয়াই ভালো। তবে বার্ষিক টিউশন ফি সাধারণত ৭,১৪,০০০ টাকা থেকে ১৩,৫১,৫০০ টাকা হয়ে থাকে।
যোগাযোগ : Universitat Zurich, Ramistr 71, 8006 Zurich, Switzerland. Tel : 0041 1634 1111, Fax : 004116342304, E-mail : admisson@unizh.ch, international@int.unizh.ch Web: www.unizh.ch.
•Universite De Geneve
১৫৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি ভাষায় পড়াশোনা করানো হয়। এখানে শিক্ষক সংখ্যা ৩,৩১৮ জন এবং ছাত্র সংখ্যা ১৪,৬২০ জন।
ভর্তি যোগ্যতা : নূন্যতম উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ হতে হবে এবং একাডেমিক রেজাল্ট খুবই ভালো হতে হবে।
খরচ : এখানে টিউশন ফি খুব বেশি। টিউশন ফি ছাড়াও বিভিন্ন রকম খরচ আছে। তাই ফ্যাক্স, চিঠি বা ই-মেইল করে জেনে নেয়াই ভালো। তবে বার্ষিক টিউশন ফি সাধারণত ৮,৪১,৫০০ থেকে ১৪,২৮,০০০ টাকা হয়ে থাকে।
যোগাযোগ : Universite de Geneve, 24 Rue General-Dufour, 1211 Geneva 4, Switzerland. Tel: 00412237 97111 Fax: 0041223791134,
E-mail : Webmaster@unige.ch, kanxlei@imd,unibge.ch
Web:www.unige.ch
•Eidgenossische Techinsche Hochschul Zurch (Swiss Federal Institute Of Technology)
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শুধু সুইজারল্যান্ডেই নয় সারা পৃথিবীতে প্রযুক্তি ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার জন্য বিখ্যাত। ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ১২,৬২৬ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ৩৫৬ জন। এখানে জার্মান ভাষায় শিক্ষা প্রদান করা হয়।
ভর্তি যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় অত্যন্ত ভালো রেজাল্ট থাকতে হবে।
খরচ : এখানে পড়াশোনার খরচ অত্যন্ত বেশি এবং বিষয় ও কোর্সভেদে আলাদা। তাই নির্দিষ্ট বিষয় ও কোর্সের খরচ জানার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ই-মেইল করতে হবে। তবে বার্ষিক টিউশন ফি সাধারণত ৭১,৪০০ টাকা থেকে ১০,২০,০০০ টাকা বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারও বেশি।
যোগাযোগ : Eidgenossische Technische Hochschule Zurich (swiss Federal Institute of Technology) Ramistr, 101, ETH-Zentrum 8092 Zurich, Switzeralnd. Tel: 446321001, Fax: 446321001 E-mail : Praesidium@SL.ethz.ch Web: www.ethz.ch

সুইজারল্যান্ডের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

•Universitat Bern, Hochschultr 4, 3012 Bern, Switzerland Tel: 0041316318111 Fax : 0041316313939 Web: www.unibe.ch
•Universitat Basel, Petersplatz 1, 4003 Basel, Switzerland. Tel: 0041612673011 Fax: 0041612673035 Web: www.unibas.ch
•Universite de Lausanne, Batiment du Rectorat,Et de Administration Central, 1015 Lausanne, Switzerland Tel: 0041216921111 Fax: 0041216922015 Web: www.unil.ch
•Universitat Luzern, Pfistergasse 20, PF 7979, 6000 Lucerne 7, Switzerland. Tel: 0041412285510 Fax: 0041412285505 E-mail : rektorat@unilu.ch Web:www.unilu.ch
•Universite de Neuchatel, 16 ave du ler Mars, 2000 Neuchatel, Switzerland. Tel: 004132718100 Fax: 0041327181001 E-mail: accueil immatriculation@unine.ch, webmoster@unine.ch web:www.unine.ch
•Universita Della Svizzera Italiana, Via lambertenghi 10,6904 Lugano, Switzerland, Tel: 0041919238162, 0041586664000 Fax: 0041919238163, 0041586664647, E-mail: admin@unisi.ch, web: www.unisi.ch

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ


আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কমিটিতে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করে তা অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের কাছে পাঠাতো। কিন্তু এতে একইদিন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার সূচি ঠিক হয়ে থাকে। এতে ভর্তি ইচ্চুকদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হতো।
তাই যাতে এ ধরনের সমস্যা না হয় সেজন্য গত কয়েক বছরের মতো এবারো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আলাদা আলাদা তারিখ নির্ধারণের উদ্যোগ নেয় উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটি।
১৫ জুলাই ২০১৭ তারিখ বেলা ১১টায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনফারেন্স কক্ষে কমিটির ২৫২তম সভায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ভর্র্তি  পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ….

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সম্ভাব্য সূচি
সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখঃ 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় –  এখনো ঘোষণা হয়নি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার দিন বিকেলে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়- ৮ থেকে ১৮ অক্টোবর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়- ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়- ২২ থেকে ৩০ অক্টোবর
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়- ২৫ থেকে ২৯ নভেম্বর,
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়- ১৯ থেকে ২৩ নভেম্বর,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়- ২৪ ও ২৫ নভেম্বর
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়- ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর,
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়- ১১ নভম্বের।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস – ২৪ ও ২৫ নভম্বের,
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়- ১৭ ও ১৮ নভম্বের,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম- ৮ ডিসেম্বর

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-  ১৪ অক্টোবর,
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)- ২১ অক্টোবর,
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)- ১৭ নভেম্বর,
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)– ২০ অক্টোবর,
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়- ২৬ নভেম্বর
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ 
গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ০৮ নভেম্বর
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ০৪ নভেম্বর,
ঢাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় – ০১ ডিসেম্বর,
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়- ১৭ নভেম্বর,
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়- ২ ডিসেম্বের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ 
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় – ২৭ অক্টোবর,
দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৫ থেকে ৮ নভেম্বর,
সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ১৮ নভেম্বর,
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৯ ও ১০ নভেম্বর
টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- এখনো ঘোষণা হয়নি
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ২০ ও ২১ ডিসেম্বর,
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ৩ ও ৪ নভেম্বর
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ২০১৮ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে।
অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ৫ নভেম্বর।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়- এখনো ঘোষণা হয়নি
এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২৪ আগস্ট থেকে আবদেন শুরু হবে।
সভায় যারা উপস্থিত ছিলেনঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশিদ সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন আহাম্মদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, জবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মীজানুর রহমানসহ ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফলাফল ও ফলাফল পরবর্তী প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিন


২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির শিক্ষার্থীদের মেধা, পছন্দক্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যার ভিত্তিতে মনোনীতদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি
০৫ জুন ২০১৭ তারিখ সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) মনোনীতদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করে। প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪৮ জন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।
ফলাফল দেখার উপায়ঃ
  • অনলাইনে রোল, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবে।
  • আবেদনের সময় প্রদত্ত নম্বরে এসএমএস করেও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রকাশিত ফলাফল শিক্ষা বোর্ড এর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আপনাদের সুবিধার্থে সরাসরি লেখাপড়াবিডি.কম থেকেও জানা যাবে….

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তির ফলাফল দেখুন এখান থেকে

ফলাফল দেখতে আপনার রোল নম্বর লিখে বোর্ড ও পাশের সাল বাছাই করে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন এবং ৫ম ঘরে প্রদর্শিত সংখ্যাটি বসানঃ
শিক্ষা বোর্ড এর অফিসিয়াল সাইট থেকে ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন

পিন ভুলে গিয়ে থাকলে এখানে ক্লিক করুন

মনোনীত আবেদনকারীকে ৮/৬/২০১৭ তারিখ রাত ১১.৫৯টার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে ১৮৫ টাকা (টেলিটক, শিওর ক্যাশ এবং রকেটের মাধ্যমে) জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় মনোনয়ন ও ভর্তির আবেদন বাতিল হবে।
এবার ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন মোট ১৩ লাখ ৯ হাজার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থী। আদেনকারীদের মধ্যে ৯৫ দশমিক ০৩ শতাংশ প্রথম তালিকায় এসেছেন বলে জানা গেছে। বাকীগুলো দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালিকায় চলে আসবে। আগামী ১৩ জুন দ্বিতীয় ও ১৮ জুন তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমাঃ
১ম মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ০৫ জুন।
শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ০৬ থেকে ০৮ জুন পর্যন্ত।
মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ  ০৯ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত।
২য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ  ১৩ জুন।
২য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৪ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত।
মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদনঃ ১৬ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত।
৩য় মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ১৮ জুন ।
৩য় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চয়নঃ ১৯ জুন।
ভর্তির সময়সীমাঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর ২০-২২ জুন এবং ঈদের ছুটির পর ২৮-২৯ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করানো হবে।
নিবন্ধন ফিঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ১৮৫ টাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে নিবন্ধন করবেন, আগে কলেজ বোর্ডকে এ টাকা দিলেও এখন শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বোর্ডকে টাকা জমা দেবে।

পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য


বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ঢাকাস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্ল্যাস এন্ড সিরামিক, গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, ফেনি কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট (কুমিল্লা), ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (বগুড়া) এবং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজসমূহে ০৪ (চার) বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ২২/০৫/২০১৭ তারিখ হতে ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এবারেও প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটে একবারেই আবেদন করতে হবে
আবেদন ফরম পূরণের ন্যূনতম এক ঘণ্টা পূর্বে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) আবেদন ফি জমা দিতে হয়। ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল তথ্য আপনাদের সুবিধার্থে নিচে তুলে দেওয়া হলো…
ভর্তি আবেদনের যোগ্যতাঃ
  • ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পাসকৃত এস.এস.সি./সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.৫০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং মেয়েদের ভর্তির ক্ষেত্রে গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জি.পি.এ. ৩.০০ সহ ন্যূনতম ৩.০০ জি.পি.এ. প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এবং ‘ও’ লেভেলে যে কোন একটি বিষয়ে ‘সি” গ্রেড এবং গনিতসহ অন্য যে কোন দুটি বিষয়ে কমপক্ষে ‘ডি’ গ্রেডে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
  • এস.এস.সি.সহ বান্নগ্লাদেস কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবে। টবে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ তারিখে প্রার্থীর বয়স অনুর্ধ্ব ২২ বছর হতে হবে।
ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহঃ
  • অন-লাইনে আবেদনের সময়সীমাঃ ২২/০৫/২০১৭ হতে ১৪/০৬/২০১৭ (রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত)
  • মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশ (SMS এর মাধ্যমে ও ওয়েবসাইটে): ২০/০৬/২০১৭ বিকাল ০৫:০০ টা
  • অপেক্ষমান তালিকার ফলাফল প্রকাশ (SMS এর মাধ্যমে ও ওয়েবসাইটে): —– বিকাল ০৫:০০ টা
  • ভর্তির সময়সীমাঃ মূল মেধাতালিকা হতে ২১/০৬/২০১৭ হতে ৩০/০৬/২০১৭ পর্যন্ত এবং অপেক্ষমান তালিকা হতে ০৩/০৭/২০১৭ হতে ১৫/০৭/২০১৭ পর্যন্ত
  • দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশঃ —- বিকাল ০৫:০০ টা
  • ক্লাশ শুরুর তারিখঃ ০১/০৮/২০১৭
ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী:
  • ভর্তিচ্ছুক প্রার্থীকে অন-লাইনে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) প্রথমে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে। অতঃপর এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে নির্ধারিত আবেদন ফরম (Application Form) যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে ।
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের নম্বর পত্রের সত্যায়িত কপি ও পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত রঙ্গীন ছবিসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন পত্র আগামী ১৪/০৬/২০১৭ তারিখ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পিছনের বিল্ডিংয়ের ২০১ নং কক্ষে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। ফরমটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.btebadmission.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে প্রাপ্ত আবেদন বিবেচ্য হবে না।
  • সংরক্ষিত কোটার আবেদন কারীগণ অন-লাইনে আবেদন করার পরে আবেদনের প্রিন্টকপি ও বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত সকল কাগজ ১৪/০৬/২০১৭ তারিখের মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পিছনের বিল্ডিংয়ের ২০১ নং কক্ষে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তার কোটা বিবেচিত হবে না।
  • ভর্তির ফরম পূরনের বিস্তারিত নিয়মাবলীসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটের পাশাপাশি wapdesh.com তেও পাওয়া যাবে।
ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ  টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে BTAD লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস. এস. সি. পাশের সন লিখে, স্পেস দিয়ে এস. এস. সি.র রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখে, স্পেস দিয়ে ভর্তির শিফটের নির্ধারণ অক্ষর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস (SMS) করতে হবেঃ
উদাহরণঃ BTAD <Space>XXX<Space>YYYYYY<Space>ZZZZ<Space>RRRRRR<Space>S
এখানে XXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের বোর্ডের নাম লিখতে হবে, ঢাকা বোর্ডের ক্ষেত্রে (DHA), সিলেট এর ক্ষেত্রে (SYL), বরিশালের ক্ষেত্রে (BAR), চট্টগ্রাম এর ক্ষেত্রে (CHI), কুমিল্লা এর ক্ষেত্রে (COM), দিনাজপুর এর ক্ষেত্রে (DIN), যশোর এর ক্ষেত্রে (JES), রাজশাহী এর ক্ষেত্রে (RAJ), মাদ্রাসা এর ক্ষেত্রে (MAD), কারিগরী এর ক্ষেত্রে (BTE), YYYYYY এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর, ZZZZ এর জায়গায় এস এস সি পাশের সন এবং RRRRRR এর জায়গায় এস এস সি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এবং S-এর স্থলে ১ম শিফট (A), ২য় শিফট (B), উভয় শিফট (C) লিখতে হবে।
SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ১ম ও ২য় শিফটের যে কোন এক শিফটের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১৫০.০০ (একশত পঞ্চাশ টাকা ) অথবা উভয় শিফটে আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবদ ৩০০.০০ (তিনশত টাকা) কেটে রাখার সম্মতি চেয়ে ফিরতি SMS দেওয়া হবে। ফিরতি SMS মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে ।
উদাহরণঃ BTAD <Space>YES<Space>PIN<Space>যোগাযোগের mobile number
তবে যে কোন অপারেটরের একটি Mobile Number কেবলমাত্র একজন প্রার্থীর যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করতে হবে। প্রার্থীকে একটি Money Receipt Number সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, Money Receipt Number টি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে এবং Money Receipt Number টি পাওয়ার পরে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। Money Receipt Number ছাড়া কোনক্রমেই আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে না।
আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ
  • এই লিঙ্কে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
মেধাতালিকা প্রণয়নঃ
এসএসসি সমমান পরীক্ষায় পাসের রেজাল্ট, পছন্দের ক্রম, কোটা ও অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তের ভিত্তিতে প্রার্থীর মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
আপেক্ষমান তালিকা প্রণয়নঃ
  • মোট আসন সংখ্যা অনুযায়ী মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটা ভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি একটি অপেক্ষমাণ তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
  • মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তিকৃত প্রার্থী পছন্দের ক্রমানুসারে প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি ভিত্তিক মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবে।
  • মেধা তালিকা অনুযায়ী ভর্তির সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি ভিত্তিক শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে মেধা, পছন্দের ক্রম ও কোটার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোটাঃ
  • মহিলা-২০%, এসএসসি (ভোকেশনাল)-১৫%, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের –ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪টি করে ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২টি করে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২টি করে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী কোটা ৫% এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ২% আসনে মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে।
  • এসএসসি সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস প্রার্থীদের ট্রেড কোর্সে প্রাপ্ত নম্বরের ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা নির্ধারণ করা হবে এবং তাদেরকে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
  • সরকার নির্ধারিত কোটার আবেদনের প্রমাণপত্রঃ
(ক) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র
(খ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র
(গ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এর অধীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/দপ্তর/প্রতিষ্ঠান প্রধানের সনদপত্র, প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে প্রদত্ত সনদপত্র
(ঘ) বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদপত্র
(ঙ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, আবেদনকারীর Application ID সম্বলিত প্রিন্ট আউটসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালীন সময়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পিছনের বিল্ডিংয়ের ২০১ নং কক্ষে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পৈাঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।। অন্যথায় তার কোটা বিবেচিত হেব না। ট্রেড কোর্সধারী শিক্ষার্থীদের ট্রেড সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি করা হবে।
  • অন-লাইনে আবেদনের পর সরকার নির্ধারিত কোটা সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণপত্রসমূহ (Application ID সম্বলিত আবেদনের প্রিন্ট কপিসহ) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন ফরম পাওয়া না গেলে প্রযোজ্য কোটা বিবেচ্য হবে না।
  • সরকার নির্ধারিত কোটার উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে পর্যায়ক্রমে মেধা তালিকা/অপেক্ষমান তালিকা হতে কোটাভিত্তিক শূন্য আসন পূরণ করা হবে।
শূন্য আসন পূরণঃ
  • ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে কেউ ক্লাস শুরুর ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।  উক্ত শূণ্য আসনে পরবর্তী ০৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুকদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।
  • ভর্তির ক্ষেত্রে ২০% ড্রপ-আউট বিবেচনায় টেকনোলজি ভিত্তিক প্রতি গ্রুপে আসন সংখ্যা ৫০(পঞ্চাশ) নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাবলিঃ
  • অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ, ছবি সংযোজন, টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রেরণসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থী এ বিষয়ে কারো সহযোগীতা নিয়ে প্রতারিত হলে কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায়ী থাকেবে না।
  • ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অন-লাইন এবং ভর্তি নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী সম্পাদিত হবে।
হেল্পলাইনঃ
যে কোন তথ্যের জন্য নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারবেন :
ড. মোহাম্মদ আবু নাঈম
উপ পরিচালক (প্রকাশনা)
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও, ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৯১৩-০৪০৮৪০
ড. শেখ আবু রেজা
কন্সালটেন্ট
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, আগারগাঁও, ঢাকা।
মোবাইলঃ ০১৯৯২-০০৬২৬২
ভর্তির ফলাফলঃ
২০/০৬/২০১৭ টায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রকাশ হওয়ার পর ফলাফল এই লিঙ্ক থেকে জানা যাবে।

পলিটেকনিক/ সমমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির ফলাফল পাওয়া যাবে এখানে


উল্লেখ্য, গতবছর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৭ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তির আবেদন করে।
প্রথম শিফটে ৩২ হাজার ৩৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৯৯ হাজার ৭১৮টি এবং দ্বিতীয় শিফটে ২৫ হাজার ৪৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৬৫ হাজার ৪৫৯টি।
তার আগের বছর দুই শিফটে আসন সংখ্যা ছিলো ৩১ হাজার ৫৬০টি। গতবার আসন বাড়ানো হয় ২৬ হাজার ২২০টি।
গতবার ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে দেশের ১১৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটে মোট ৫৭ হাজার ৭৮০টি আসনে ভর্তি করানো হয়।