Showing posts with label Job Preparation. Show all posts
Showing posts with label Job Preparation. Show all posts

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কিত বাছাই করা ২০০ টি প্রশ্ন ও উত্তর

পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয়েছিল। বিশ্বের বুকে স্বাধীন অস্তিত্ব ঘোষণা করেছিল বীর বাঙালি। ইতিহাসের পৃষ্ঠা রক্তে রাঙিয়ে, আত্মত্যাগের অতুলনীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে একাত্তরের এই দিন যে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ, দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন তার চূড়ান্ত পরিণতি। অবশেষে ১৬ই ডিসেম্বর আসে চুড়ান্ত বিজয়। স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আসুন জেনে নিই মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কিত বাছাই করা ২০০ টি তথ্য।


প্রশ্ন : ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম – উঃ অপারেশন সার্চ লাইট

প্রশ্ন : শেখ মজিবুর রহমানকে প্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় কখন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ মধ্যরাতে।

প্রশ্ন : মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?
উঃ ১১ টি।

প্রশ্ন : কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
উঃ ১০ নং সেক্টর।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?
উঃ ৭ জন।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?
উঃ ৬৮ জন।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?
উঃ ১৭৫জন।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?
উঃ ৪২৬ জন।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?
উঃ ৬৭৬ জন।

প্রশ্ন : মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
উঃ রেসকোর্স ময়দানে।

প্রশ্ন : জেনারেল এ, কে নিয়াজী কার নিকট আত্মসমর্পণ করে?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার।

প্রশ্ন : আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব প্রদান করেন?
উঃ বিমান বাহিনীর প্রধান কমোডর এ কে খন্দকার।

প্রশ্ন : মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
উঃ রেসকোর্স ময়দানে।

প্রশ্ন : জেনারেল এ, কে নিয়াজী কার নিকট আত্মসমর্পণ করে?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার।

প্রশ্ন : আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব প্রদান করেন?
উঃ বিমান বাহিনীর প্রধান কমোডর এ কে খন্দকার।

প্রশ্ন : জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পের সময় পাকিস্তানের সৈন্যবাহিনীর কত সংখ্যা ছিল ?
উঃ ৯৩ হাজার।

প্রশ্ন : কোন বীর শ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।

প্রশ্ন : কোন বীর শ্রেষ্ঠের কোন খেতাবী কবর নেই?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রশ্ন: প্রথম কোথায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।

প্রশ্ন: প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয ?
উঃ ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম উত্তোলন করেন?
উঃ আ স ম আব্দুর রব।

প্রশ্ন: কবে, কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়?
উঃ ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।

প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করা হয় ?
উঃ ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কবে, কোথায় স্থাপন করা হয়?
উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কারা?
উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কবে, কোথায় সংগঠিত হয়?
উঃ ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।

প্রশ্ন: শেখ মুজিব কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার হতে মুক্তিলাভ করেন ?
উঃ ১০ জানুয়ারী ১৯৭২।

প্রশ্ন: এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়- এ উক্তি কার?
উঃ জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

প্রশ্ন: সর্বপ্রথম কবে বাংলাদেশের স্বাধীন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কবে গঠিত হয়েছিল?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিল কবে?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহন করেছিল?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
উঃ ৬ জন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী কোথায় ছিল?
উঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।

প্রশ্ন: মুজিবনগরের পুরাতন নাম কি ছিল?
উঃ বৈদ্যনাথ তলার ভবের পাড়া।

প্রশ্ন: কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?
উঃ এম, মনসুর আলী।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রি ছিলেন কে?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

প্রশ্ন: মুজিনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষনাপত্র পাঠ করেন?
উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

প্রশ্ন: মুজিনগরে সরকারকে প্রথম গার্ড অনার কে প্রদান করেন?
উঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)

প্রশ্ন: জেনারেল ওসমানী কবে বাংলাদেশের সেনা প্রধান নিযুক্ত হন?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম বিমান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
উঃ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

প্রশ্ন: প্রথম কোন বাংলাদেশী কূটনীতিক দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
উঃ এম হোসেন আলী।

প্রশ্ন: সাইমন ড্রিং কে ছিলেন?
উঃ ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক। যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বর্বরতার কথা বর্হিবিশ্বে প্রকাশ করেন। তিনি পরবর্তীতে একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ছিলেন।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন বিদেশী মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?
উঃ ১৮ এপ্রিল কলকতায়।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?
উঃ ১১ টি।

প্রশ্ন: কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
উঃ ১০ নং সেক্টর।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?
উঃ ৭ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?
উঃ ৬৮ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?
উঃ ১৭৫জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?
উঃ ৪২৬ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?
উঃ ৬৭৬ জন।

প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।

প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কোন খেতাবী কবর নেই?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ পাকিস্তানের করাচীর মাশরুর বিমান ঘাটিতে।

প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর বাংলাদেশে ছিল না?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের।

প্রশ্ন: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ ভারতের আমবাসা এলাকায়।

প্রশ্ন: দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধার নাম কি ?
উঃ ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন ইতালীর নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন তার নাম কি ছিল?
উঃ মাদার মারিও ভেরেনজি।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী কে?
উঃ এ এস ঔডার ওয়াডারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া। তাকে কেন বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়েছিল বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
উঃ শহীদুল ইসলাম(লালু) বীর প্রতীক।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কবে?
উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী কবে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে?
উঃ ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ কে ছিলেন?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

প্রশ্ন: কোন সাহিত্যক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
উঃ আবদুস সাত্তার।

প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের চরমপত্র নামক কথিকা কে পাঠ করতেন?
উঃ এম আর আখতার মুকুল।

প্রশ্ন: ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন?
উঃ ১৯৮০ সালে।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল, ১৯৭১)।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষে মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।

প্রশ্ন: একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী আদিবাসী/উপজাতী মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
উঃ উক্যাচিং মারমা।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রশ্ন: প্রথম কোথায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।

প্রশ্ন: প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয ?
উঃ ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম উত্তোলন করেন?
উঃ আ স ম আব্দুর রব।

প্রশ্ন: কবে, কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়?
উঃ ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।

প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করা হয় ?
উঃ ২৬ মার্চ, ১৯৭১।

প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কবে, কোথায় স্থাপন করা হয়?
উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কারা?
উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কবে, কোথায় সংগঠিত হয়?
উঃ ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।

প্রশ্ন: শেখ মজিবুর রহমানকে প্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় কখন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ মধ্যরাতে।

প্রশ্ন: শেখ মুজিব কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার হতে মুক্তিলাভ করেন ?
উঃ ১০ জানুয়ারী ১৯৭২।
প্রশ্ন: এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়- এ উক্তি কার?
উঃ জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
প্রশ্ন: সর্বপ্রথম কবে বাংলাদেশের স্বাধীন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কবে গঠিত হয়েছিল?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিল কবে?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহন করেছিল?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
উঃ ৬ জন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী কোথায় ছিল?
উঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।

প্রশ্ন: মুজিবনগরের পুরাতন নাম কি ছিল?
উঃ বৈদ্যনাথ তলার ভবের পাড়া।

প্রশ্ন: কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?
উঃ এম, মনসুর আলী।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রি ছিলেন কে?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।

প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

প্রশ্ন: মুজিনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষনাপত্র পাঠ করেন?
উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

প্রশ্ন: মুজিনগরে সরকারকে প্রথম গার্ড অনার কে প্রদান করেন?
উঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)

প্রশ্ন: জেনারেল ওসমানী কবে বাংলাদেশের সেনা প্রধান নিযুক্ত হন?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম বিমান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
উঃ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

প্রশ্ন: প্রথম কোন বাংলাদেশী কূটনীতিক দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
উঃ এম হোসেন আলী।

প্রশ্ন: সাইমন ড্রিং কে ছিলেন?
উঃ ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক। যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বর্বরতার কথা বর্হিবিশ্বে প্রকাশ করেন। তিনি পরবর্তীতে একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ছিলেন।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন বিদেশী মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?
উঃ ১৮ এপ্রিল কলকতায়।

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?
উঃ ১১ টি।

প্রশ্ন: কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
উঃ ১০ নং সেক্টর।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?
উঃ ৭ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?
উঃ ৬৮ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?
উঃ ১৭৫জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?
উঃ ৪২৬ জন।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?
উঃ ৬৭৬ জন।

প্রশ্ন: সম্প্রতি কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর পাকিস্তান থেকে দেশে এনে সমাহিত করা হয়েছে?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ পাকিস্তানের করাচীর মাশরুর বিমান ঘাটিতে।

প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর বাংলাদেশে ছিল না?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের।
প্রশ্ন: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ ভারতের আমবাসা এলাকায়।
প্রশ্ন: দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধার নাম কি ?
উঃ ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন ইতালীর নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন তার নাম কি ছিল?
উঃ মাদার মারিও ভেরেনজি।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী কে?
উঃ হোসাইল হেমার ওয়াডার ওয়াডারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
উঃ শহীদুল ইসলাম(লালু) বীর প্রতীক।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কবে?
উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।

প্রশ্ন: কোন সাহিত্যক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
উঃ আবদুস সাত্তার।

প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের চরমপত্র নামক কথিকা কে পাঠ করতেন?
উঃ এম আর আখতার মুকুল।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল, ১৯৭১)।

প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষে মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।

প্রশ্ন: একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী আদিবাসী/উপজাতী মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
উঃ উক্যাচিং মারমা।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী কবে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে?
উঃ ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।

প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ কে ছিলেন?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

প্রশ্ন: পাকিস্তানের পক্ষে কে আত্মসমর্পন করেন?
উঃ জেনারেল এ, কে নিয়াজী

প্রশ্ন: শেখ মুজিব ছয় দফা কর্মসুচী কবে ব্যক্ত করেন?
উঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৬ সালে।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়?
উঃ জানুয়ারী, ১৯৬৮।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ আদালতের বিচারক ছিলেন?
উঃ পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এস.এ. রহমান।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার হয়?
উঃ জুন, ১৯৬৮।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কত জন ছিল?
উঃ ৩৫ জন।

প্রশ্ন: ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলার প্রধান আসামী ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কবে প্রত্যাহার করা হয়?
উঃ ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।

প্রশ্ন: কবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করে?
উঃ ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।

প্রশ্ন: আইয়ুব খান কবে কেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সালে। রাজনৈতিক সংকটের জন্য।

প্রশ্ন: পুলিশের গুলিতে শহীদ আসাদ কবে নিহত হন?
উঃ ২০ জানুয়ারী, ১৯৬৯।

প্রশ্ন: তিনি কোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
উঃ আইন বিভাগের।

প্রশ্ন: পুলিশের গুলিতে শহীদ মতিউর কবে নিহত হন?
উঃ ২৪ জানুয়ারী, ১৯৬৯।

প্রশ্ন: তিনি কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
উঃ নবকুমার ইনষ্টিটিউশনের, নবম শ্রেনীর ছাত্র।

প্রশ্ন: শহীদ ড. শামসুজ্জোহা কবে কোথায় হত্যা করা হয়েছিল?
উঃ ১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।

প্রশ্ন: আইয়ুব খান কবে কার নিকট পাকিস্তানের ক্ষমতা হস্তান্তর করেন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৬৯। আগা মুহম্মদ ইয়াহিয়া খান।

প্রশ্ন: শেখ মুজিবর রহমানকে কবে বঙ্গবন্ধুকে উপাধিতে ভুষিত করা হয়?
উঃ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী।

প্রশ্ন: কখন শেখ মুজিবর রহমানকে জাতির জনক ঘোষনা দেয়া হয়?
উঃ ০৩ মার্চ ১৯৭১।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কে প্রথমে জাতির পিতা ঘোষনা দেন?
উঃ আ.স.ম আবদুর রব।

প্রশ্ন: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের কয়টি আসন পেয়েছিল?
উঃ ১৬৭ টি আসন।

প্রশ্ন: পাকিস্তানের প্রথম সাধারন নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
উঃ ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০সাল।

প্রশ্ন: আলোচনা ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান কবে ঢাকা ত্যাগ করেন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ রাতে।

প্রশ্ন: শেখ মুজিব ছয় দফা কর্মসুচী কবে ব্যক্ত করেন?
উঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৬ সালে।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়?
উঃ জানুয়ারী, ১৯৬৮।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ আদালতের বিচারক ছিলেন?
উঃ পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এস.এ. রহমান।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার হয়?
উঃ জুন, ১৯৬৮।

প্রশ্ন: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কত জন ছিল?
উঃ ৩৫ জন।

প্রশ্ন: ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলার প্রধান আসামী ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।

প্রশ্ন :বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি তথা জাতির জনকের নাম কী? উঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো? উত্তরঃ দুই নম্বর সেক্টর

প্রশ্ন :অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনাকারী কে ছিল? উত্তর : ইয়াহিয়া খান

প্রশ্ন :সর্ব কনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধার নাম কী? উঃ শহীদুল ইসলাম (বীর প্রতীক ১২ বছর)

প্রশ্ন:৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত লোকসংক্ষা কত ছিলো? উত্তরঃ প্রায় দশ লক্ষ

প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান কে? উত্তরঃ এম. মনসুর আলি।

প্রশ্ন: সরকারিভাবে নিয়মিত বাহিনির নাম কী ছিলো? উত্তরঃ এম. এফ

প্রশ্ন :রাজাকার বাহিনি গঠন করেন কে? উত্তরঃ মওলানা এ কে এম ইউসুফ

প্রশ্ন :১৯৭১ এ ভারতীয় বিমান ঘাটিতে পাকিস্তান বোমা হামলা চালায় কবে? উত্তরঃ ৩রা নভেম্বর

প্রশ্ন :মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ঢাকার কোন এলাকায় অবস্থিত? উত্তরঃ সেগুনবাগিচা

প্রশ্ন :কোন নেতা নির্বাচিত দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর বানচাল করতে ইয়াহিয়া খানের সাথে ষড়যন্ত্র করেন? উত্তরঃ জুলফিকার আলী ভুট্ট

প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে নিযুক্ত হন? উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

প্রশ্ন :মুক্তিবাহিনী কবে গঠিত হয়? উত্তর: ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়? উত্তর: ১১টি সেক্টরে

প্রশ্ন :শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়? উত্তর: ১৪ ডিসেম্বর

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে কত লোক প্রাণ হারায়? উত্তর: প্রায় ৩০ লাখ

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক উপাধি কয়টি? উত্তর: চারটি

প্রশ্ন: মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রিয় ধ্বনি ছিল কোনটি? উত্তর: ‘জয় বাংলা’।


প্রশ্ন: যৌথবাহিনী গঠিত হয়েছিল কবে? উত্তর: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর

প্রশ্ন: বাংলার মুক্তি সনদ’ হিসেবে কি পরিচিত? উত্তরঃ ৭ই মার্চের ভাষন

প্রশ্ন: সম্প্রতি কোন দেশে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’? উত্তরঃ আইভরি কোস্ট
প্রশ্ন :কে ভারত থেকে আত্মসমর্পন দলিল নিয়ে আসেন? উত্তরঃ মেজর জেনারেল জ্যাকব
প্রশ্ন :১৯৭১ সালে ২২শে মার্চ আলোচনার উদ্দেশ্যে ঢাকা আগমন কোন নেতার সাথে সম্পৃক্ত? উত্তরঃ জুলফিকার আলী ভুট্টো
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় বহির্বিশ্বে জনমত তৈরিতে কার নাম জড়িত? উত্তরঃ বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর গৌরবাঙ্গন, শ্বাশ্বত বাংলা এবং ভাস্মর চেতন’ কোথায় অবস্থিত? উত্তরঃ যশোর, রংপুর ও ময়মনসিংহ সেনানিবাস
প্রশ্ন :এম. ভি. সোয়াত চট্টগ্রামে পৌছে কত তারিখে? উত্তরঃ ৩রা মার্চ
প্রশ্ন :অপারেশন জ্যাকপটে মোট কতটি পাকিস্তানী জাহাজ ধ্বংস করে? উত্তরঃ ৬০ টি
প্রশ্ন: আভ্যন্তরীণ নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল চালনা কোন সেক্টরের অন্তভু‌র্ক্ত ছিল? উত্তরঃ ১০নং সেক্টরে
প্রশ্ন: শক্তিশালী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যিদ্ধে জয়লাভের জন্য মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নানা ধরণের কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। এর মধ্যে প্রধান কৌশল ছিল কোনটি? উত্তরঃ গেরিলা আক্রমন ও সন্মুখ যুদ্ধ
প্রশ্ন: শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ছয়দফা ঘোষনা করেন? উ: ২৩ মার্চ ১৯৬৬
প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে কে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন? উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রশ্ন:‘কে’ ফোর্সের অধিনায়ক কে ছিলেন? উত্তরঃ মেজর খালেদ মোশারফ

প্রশ্ন :মুক্তিবাহিনীর নিয়মিত বাহিনী কোনটি ছিলো? উত্তরঃ মুক্তিফৌজ

প্রশ্ন: কত তারিখে বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়? উত্তরঃ ৭ই মার্চ ১৯৭৩

প্রশ্ন: বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা হয়েছিল? উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান কে ছিলেন ? উত্তরঃ মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলার নাম – উত্তরঃ যশোর

প্রশ্ন: মুজিবনগর সরকার কোন দেশে মিশন স্থাপন করেছিলো? উত্তরঃ যুক্তরাজ্য

প্রশ্ন: কখন মুক্তিযুদ্ধের বিরধিতাকারী মালিক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন? উত্তরঃ১৪ই ডিসেম্বর

প্রশ্ন: শরনার্থী কর আইন আরোপ করেছে কোন সরকার? উত্তরঃ ভারত সরকার


প্রশ্ন: মার্ক টলী কোন সংবাদ মাদ্যমের সাংবাদিক? উত্তরঃ বিবিসি

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব লাভকারী একমাত্র বিদেশী নাগরিক কোন দেশের? ? উত্তরঃ ডাচ

প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে মোট কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল ? উত্তরঃ ৩ টি

প্রশ্ন: আত্মসমর্পনের পরে পাকিস্তানী দের যুদ্ধবন্দি হিসেবে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়? উত্তরঃ ঢাকা 
সেনানিবাসে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড পিডিএফ ডাউনলোড (pdf free download)

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড পিডিএফ ডাউনলোড (pdf free download) প্রথমত আপনারা প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক নিয়োগের একটি গাইড সংগ্রহ করে ফেলেন। হতে পারে সেটা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf free download প্রফেসরস/ওরাকল/জিনিয়াস/জেনুইন গাইড বা অন্য যে কোন একটা গাইড বই।



যারা প্রথমবারের মত প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেনঃ প্রথমেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা ইতোমধ্যে আবেদন সম্পূর্ণ করেছেন এবং প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। আমি আপনাদের প্রস্তুতিকে আরো একটু শানিত করতে চাই।

পড়ার পদ্ধতিঃ

__১: গাইডের শুরুতেই দেখবেন পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে। সেগুলো এক বার চোখ বুলিয়ে নেন।

__২: বিগত প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় আগত সকল প্রশ্ন গুলো পড়ে শেষ করুন।

__৩: গাইডের টপিকস ধরে পড়ুন। যেমন বাংলা/ইংরেজি /গনিত
গাইডে সাধারনত সিলেবাস অনুযায়ী টপিকস সাজানো থাকে সেগুলো পড়ে শেষ করুন।

__৪:বাংলার জন্য, ব্যাকরণ অংশে অধিকতর গুরত্ব দিন। যেমন শব্দ, পদ, লিঙ্গ, সন্ধি, সমাস, কারক, এক কথায় প্রকাশ, যতি চিহ্ন, উচ্চারণ ইত্যাদি। সাথে বিখ্যাত কিছু বাংলা কবি ও সাহিত্যকদের জীবন ও কর্ম পড়ে রাখবেন।

__৫: ইংরেজির জন্য বাংলার মতই গ্রামার অংশে বেশি গুরত্ব দিবেন যেমন, parts of speech, number, gender, tense, voice, sentence, word meaning, correct spelling, synonym, antonym, right form verbs etc.
সাথে কিছু বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যকদের কর্ম।

__৬: গনিতের জন্য , ৫ম হতে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত অংক গুলো বেশি বেশি করে অনুশীলন করুন। সম্ভব না হলে গাইডের অংক গুলো অনুশীলন করুন।

__৭: সাধারন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও কম্পিউটার অংশের জন্য প্রচলিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf free download গাইড হতে পড়ুন।

অ্যাসওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট পিডিএফ (pdf Free Download)

__মনে রাখবেন, দেশে সরকারি চাকরি পরীক্ষার মধ্যে প্রাথমিকে যেহেতু সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রতিযোগী অংশগ্রহন করে সুতরাং আপনাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে হলে অধিক পড়াশুনার কোন বিকল্প নাই।

__সেজন্য আপনি অধিক প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত গাইড বই যেমন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf free download জব সূলুশন, এমপি থ্রি, কিংবা বিসিএস প্রিলিমিনারি ইত্যাদি সাথে পড়তে পারেন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ গাইড pdf টি ফ্রি ডাউনলোড করুন এখান থেকে



অ্যাসওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট পিডিএফ ! Assurance BCS preliminary Digest PDF Free Download

অ্যাসওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট বর্তমানে প্রায় সব এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি নিয়ে চিন্তিত।কারো প্রশ্ন কোন কোচিংয়ে ভর্তি হব আবার কারো প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয়  ভর্তির জন্য কোন বই পড়ব । আমরা তোমাদের প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করছি । তোমরা যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছ সেহেতু তোমাদের এখন প্রয়োজন কিছু ভাল বইয়ের । আজকে আমরা এমন একটি বইয়ের কথা বলব যা তোমার প্রস্তুতিকে অনেকটা গুছিয়ে দিবে ।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতির জন্য যে সকল বই প্রয়োজন তার মধ্যে অ্যাসিওরেন্স ডাইজেস্ট অন্যতম।

বইটি কেন প্রয়োজন-
*  অ্যাসওরেন্স ডাইজেস্ট বইটিতে অনেক বিষয় সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া আছে । এই বইটি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির শেষের দিকে প্রয়োজন হবে । কারন যখন বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি শেষ হযে যাবে তখন এক নজরে সব তথ্যকে রিভিশন দিতে বইটি দরকার পড়বে । শেষের দিকে যখন সময় কম থাকবে তখন বইটি তোমাকে অনেক সাপোর্ট দিবে ।

Recent ব্যাংক Job সল্যুশন: ২০১৭-২০১৮ সালের সকল ব্যাংক প্রশ্ন ও সমাধান


* বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত আসে যেগুলো কিনা  অ্যাসওরেন্স ডাইজেস্ট থেকেই কমন পড়ে । আমি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ইউনিটে পরীক্ষা দেই তখন 10টি গণিতের মধ্যে 8টি কমন পড়েছিল । তাই আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বইটি সাজেষ্ট করি ।

* ‍বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে  মানসিক দক্ষতা বা Analytical Ability আসে সেগুলো এখান থেকেই কমন পড়ে ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যে বইগুলো পড়তেই হবে।

  • অ্যাসিওরেন্স ডাইজেস্ট (Assurance Digest)
  • File Type: PDF
  • Link: Google Drive 



মোবাইলে পিডিএফ পড়তে সমস্যা হলে –
অনেকের ফোনে পিডিএফ রিডার না থাকার কারণে পিডিএফ পড়া যায় না । তাই যে কোন সময় যে কোন পিডিএফ ফাইল পড়তে আপনার ফোনে পিডিএফ রিডারটি ডাউনলোড করে নিন।



tag: BCS preliminary pdf book, BCS book list, BCS guide pdf free download, online BCS model test, BCS preliminary, guide pdf download, BCS preparation book list, BCS preparation book pdf, mp3 math pdf, BCS প্রলিমিনারি পরীক্ষার  জন্য Assurance Digest এর pdf download link download, অ্যাসিওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট, বিসিএস ডাইজেস্ট pdf, অ্যাসিওরেন্স ডাইজেস্ট
অ্যাসিওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট pdf, অ্যাসিওরেন্স পাবলিকেশন্স, প্রফেসরস ডাইজেস্ট, প্রফেসরস ডাইজেস্ট pdf, ৩৮ তম বিসিএস ডাইজেস্ট pdf, ওরাকল ডাইজেস্ট, মানসিক দক্ষতা বই pdf, assurance digest pdf.

সফল ক্যারিয়ার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার টিপস

সফল ক্যারিয়ার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার টিপস।
আজকের পৃথিবী দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রতি দিন কোন না কোন নতুন শিল্পের আবির্ভাব হচ্ছে, আর এমন সব শিল্পের জায়গা দখল করে নিচ্ছে যেগুলোর আর প্রয়োজন নেই। একই ভাবে আমাদের কাজের গতি এবং জ্ঞানের পরিসীমাও একই গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। আধুনিক প্রকর্ষের সাথে আমরা বিভিন্ন শিল্প ও ক্ষেত্রে অটোমেশনের প্রভাব দেখতে পাচ্ছি।

কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে আমরা শিক্ষাজীবনে যে দক্ষতা গুলোর চর্চা করছি সেগুলো ভবিষ্যতের জন্যও কাজে আসতে পারে?

নিঃসন্দেহে ভবিষ্যত প্রজন্মের তরুণরা আমাদের মত একই ধরণের চাকরি বা কাজ করবে না, বরং তখন কাজের ধরণ আর দক্ষতার প্রয়োজন সম্পূর্ণ আলাদা হবে। ইতোমধ্যে আমরা নতুন প্রজন্মের জন্য উপযুক্ত চাকরির যোগান দিতে হিমসিম খাচ্ছি। এখনকার তরুণ প্রজন্ম ভালো কাজ খুঁজে পেতে সমস্যা অনুভব করছে এবং ভবিষ্যত ক্যারিয়ার সম্পর্কে পরামর্শ পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে রয়েছে।

একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি খুব শীঘ্রই বুঝতে পারবেন যে আমাদের স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনের জন্য এখন আর ততটা কাজে আসছে না। গ্র্যাজুয়েশন শেষ হতে হতে আমাদের সার্টিফিকেট গুলো অবান্তর এবং অচল হয়ে পড়ে। চাকরিদাতারা আজকাল এমন ধরণের দক্ষতার খোঁজ করছেন যেগুলো নতুন চাকরি সন্ধানীদের মধ্যে তেমনটা পাওয়া যায় না। অনেক গ্র্যাজুয়েটদেরই উচ্চাকাঙ্খা ও অভিলাষ থাকে, অথচ আজকের প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে চাকরিদাতাদের মনে ছাপ ফেলতে পারে না। আমাদের আজকের প্রতিবেদনে আমরা ভবিষ্যত ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সহায়ক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী দক্ষতা, ক্যারিয়ার টিপস এবং আত্ম উন্নয়ন সংক্রান্ত টিপস নিয়ে আলোচনা করবো, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য।

ব্যবসায় সফল ক্যারিয়ার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়তে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার টিপস

১. যোগাযোগের দক্ষতা

যোগাযোগের প্রয়োজন আজ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, অতীতেও ঠিক ততটাই ছিলো এবং ভবিষ্যতে আরো বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে। লিখিত ও মৌখিক পদ্ধতিই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নয়, কিন্তু সেই সাথে অনলাইন যোগাযোগও এখন অনেক বড়ো একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। ইমেইল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি বিভিন্ন রূপে অনলাইন যোগাযোগ সম্পন্ন করা যায়। কর্মক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অনলাইনে ও বাস্তব জগতে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ স্থাপন করতে পারাটা একটি গুরুত্বপূর্ণ গুন। যোগাযোগের দক্ষতা একজন ব্যক্তির পারফর্মেন্স, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তার আশে পাশের থাকা অন্যদেরও অনুপ্রেরণা যোগায়।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

চাকরিদাতারা এমন ব্যক্তির খোঁজ করেন যারা মুক্ত ও খোলামেলা ভাবে সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, সিনিয়র হোক কিংবা জুনিয়র সবার সাথে আত্মবিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেন। এই যুগে এসে ক্লায়েন্টকে কোনরকম বুঝিয়ে আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না, বরং ক্লায়েন্টের সাথে স্পষ্ট এবং যথাযথ যোগাযোগ রক্ষা করা, তাদেরকে পণ্য সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা দেয়া এসব করা বাঞ্ছনীয়। কর্মক্ষেত্রে অনলাইন কিংবা বাস্তব যেকোন পরিবেশ পরিস্থিতিতেই সকলের সাথে মেলামেশা করার মত মন-মানসিকতা এবং নিঃসংকোচ যোগাযোগের দক্ষতা বজায় রাখাটা যেকোন ধরণের চাকরির ক্ষেত্রেই অত্যন্ত জরুরি।

কিভাবে আপনার যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াবেন:

★যখনই সুযোগ পাবেন মানুষের সাথে কথোপকথন করবেন এবং যোগাযোগ রাখবেন।
★বেশি বেশি প্রেজেন্টেশন এবং অন্যান্য ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ামূলক কাজে অংশ নিন।
★সাধারন মানুষের সাথে কথা বলার পেছনে সময় ব্যয় করুন; বিশেষ করে অপরিচিতদের সাথে কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২. দলের সাথে কাজ করা

একটা জিনিস যা আমাদের সকলের বোঝা উচিত এবং তরুণ প্রজন্মের সবাইকেও বোঝানো উচিত তা হলো দলবদ্ধভাবে কাজ করার গুরুত্ব। বয়স যতই হোক না কেন, শিশুর মত কম বয়সী, কিংবা একজন শিক্ষার্থী বা কর্মী হিসেবে বয়স যত কম বা বেশি হোক, সবার জন্যই দলবদ্ধভাবে কাজ করার শিক্ষা নেয়া এবং চর্চা করা আবশ্যক। যখনই আমরা এক সাথে সবাই মিলে একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে সফল হওয়ার জন্য কাজ করি, তখন কাজটি অনেক বেশি সহজ হয়ে যায় এবং এতে সফল হওয়া বা ভালো ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনাও বহু গুণে বেড়ে যায়। এর মানে এই না যে আমরা একা কখনও কাজ করতে পারবো না; প্রয়োজন হলে আমরা অবশ্যই নিজেদের জন্য আলাদা সময় বের করে নিতে পারি ও নিজের জন্য কিছু করতে পারি, কিন্তু সবকিছুর মধ্যে দলকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

উত্তরটা খুবই সহজ…একটি কোম্পানি কখনওই শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উপর নির্ভর করে চলে না, হয়ত কোম্পানির সকলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন একজন কিন্তু এর সাফল্য এবং কার্যকারিতা নির্ভর করে এতে কর্মরত বহু মানুষের কঠোর পরিশ্রম এবং তাদের অর্জিত ফলাফলের ওপর। নিয়োগকারীরা তাদের কর্মচারীদের মধ্যে উন্নত কর্ম রসায়ন ও বোঝাপড়া তৈরি করার উদ্দেশ্যে দলে নতুন দলমুখী লোকদের নিয়োগ করতে চান। কেননা পারস্পরিক সহযোগিতা কাজের মান আরো উন্নত করে তোলে।

কিভাবে আরো দলমুখী হয়ে ওঠা যায়:

★একটি সর্বজনীন লক্ষ্য অর্জনের জন্য অন্যদের সাহায্য করুন।
★দলবদ্ধ খেলা কিংবা ইভেন্টে যোগ দিন।
★ছুটিতে বা কোন জরুরী অবস্থায় অন্যদের জন্য কাজ করা ও সহযোগিতা করার প্রস্তাব দিন।

৩. খাপ খাইয়ে নেয়ার প্রবণতা

কোন কিছুই সব সময় পরিকল্পনা মত কাজ করে না, তাই নিজেকে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি কিংবা জরুরী অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কোন একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে আফসোস না করে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সমাধান করার জন্য উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবার চেষ্টা করুন। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ফ্লেক্সিবল পরিবেশ পাওয়ার বা সুযোগ সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে, কিন্তু আপনাকে সেইরকম পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নিজেকে কীভাবে সেই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া যায় সেটা শিখে নিতে হবে।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

আমাদের কর্মক্ষেত্র হচ্ছে এমন একটি গতিময় পরিবেশ যেখানে মুহূর্তের ব্যবধানে যেকোন কিছু বদলে যেতে পারে। সেজন্যই নিয়োগকারীরা এমন কর্মচারীর খোঁজ করেন যারা নতুন কোন পরিবর্তনের সাথে সহজে মানিয়ে নিতে পারেন এবং বিগত দিন কিংবা সময়ের কোন ঝামেলা নিয়ে বার বার অভিযোগ করেন না।

কীভাবে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়া শিখবেন:

★নতুন কিছু শেখা ও করার জন্য নিজেকে জোর দিন
★নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার মাধ্যমে নতুন ও অপরিচিত পরিস্থিতির সাথে অভ্যস্ত হোন এবং সেভাবে কাজ করার অভ্যাস করুন।
★নিজের সীমাকে বুঝুন, লক্ষ্য স্থির করুন এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন।

৪. সমস্যা সমাধানের চেষ্টা

একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি সমস্যা অনুধাবন ও তা সমাধান করার সবচেয়ে সেরা সময়ে অবস্থান করেন। আপনাকে প্রতিনিয়ত নতুন সব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং সেগুলোর সাথে মোকাবিলা করতে হয়। আপনার যদি সমস্যার ব্যাপারে অভিযোগ করার অভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে আপনার উচিত নিজের মনকে সমস্যা সমাধানের দিকে ধাবিত করা এবং সেগুলো নিয়ে ভাবা। অভিযোগ করার সময় আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনার মধ্যে হারিয়ে যাই আর সম্ভাব্য সমাধান গুলো দেখতে পাই না।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

যেই কর্মচারী খুব দ্রুত যেকোন সমস্যা সমাধান ভেবে বের করতে পারেন, তিনি তার কোম্পানির জন্য একটি সম্পদ! যে কোন নিয়োগকারী এমন ব্যক্তিকে বেশি প্রাধান্য দিতে চাইবেন যার সমস্যা সমাধান করার গুন আছে, কেননা ব্যবসায় ক্ষেত্রে প্রায় প্রতিটি পদক্ষেপেই নানা রকম অপ্রত্যাশিত সমস্যা সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

কীভাবে আপনার সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াবেন:

★যে কোন পরিস্থিতিতে সমাধান বের করার চেষ্টা করুন, নতুন কোন সমস্যা নয়।
★প্রত্যেকটি নেতিবাচক ফলাফল থেকে ইতিবাচক কিছু খুঁজে বের করার জন্য মন থেকে চেষ্টা করুন।
★মাথা ঠাণ্ডা থাকুন; নিজের মানসিক শান্তিকে বিক্ষিপ্ত হতে না দিয়ে চিন্তা করুন।

৫. সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণ

ডাটা পড়া এবং তার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করে আনার দক্ষতা সবার মধ্যে থাকে না, আর তাই ব্যবসায় সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য আপনাকে এই দক্ষতা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করতেই হবে। সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণ করার দক্ষতা হলো যেকোন পর্যবেক্ষণকে অর্থবহ, সহায়ক এবং লাভজনক ব্যাখ্যায় পরিণত করার বিশেষ ক্ষমতা। বিভিন্ন ঘটনার প্যাটার্ন বোঝা এবং বর্তমান ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য সব রকম ফলাফল নির্ণয় করতে পারা ইত্যাদি গুনাবলী এর একটি অংশ।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

নিয়োগকারীরা সব সময়ই চিন্তাশীল মানুষ চান! তারা এমন কর্মচারী নিয়োগ দিতে চান যারা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চিন্তা করতে পারে এবং আদর্শ ফলাফল লাভের জন্য উদ্ভাবনী বিভিন্ন আইডিয়া দিতে পারেন। তারা এমন ব্যক্তির খোঁজ করে থাকেন যারা সংক্ষিপ্ত ডাটা এবং ঘটনাবলীর মধ্যে সংযোগ খুঁজে বের করতে পারেন এবং কোম্পানির স্বার্থে সেই সংযোগকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে ভাবেন ও কাজ করেন।

কীভাবে নিজের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা আরো উন্নত করা যায়:

★অন্যদের কথা শুনুন এবং সে সব কথা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করুন।
★অন্যদের ব্যাপারে কী জানলেন তা নিজের কাজে প্রয়োগ করুন, হোক তারা পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী অথবা আপনার বস।
★নতুন তথ্য শুধুমাত্র দেখেই বসে থাকবেন না; সব সময় অন্য সব দিক থেকে যেকোনো পরিস্থিতিতে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন।

৬. দ্বন্দ্বের সমাধান

যেহেতু আমরা সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে ইতোমধ্যে আলোচনা করে ফেলেছি, এবার আমাদের আলাদা করে দেখতে হবে দ্বন্দ্বের সমাধান কী জিনিস। কর্মক্ষেত্রের পরিবেশে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট, পরিস্থিতি ও অবস্থা থেকে নানা রক্ম লোক আসেন এবং এক সাথে কাজ করেন। তাই এটা খুবই স্বাভাবিক যে কোন একজন ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে অন্য কোন ব্যক্তি বা বস্তুর সংঘর্ষ হবে, নয়ত মতের অমিল হবে। এই ধরণের দ্বন্দ্ব ও পরিস্থিতি যথাযথ কার্যকর ভাবে সমাধান করাটা যেকোন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য আবশ্যক।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

নিয়োগকারীরা এই ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন থাকেন যে সমস্যা তৈরি হবেই, কিন্তু তারা এমন মানুষেরও খোঁজ করেন যারা এই সব সমস্যার সাথে মোকাবিলা করতে পারবেন এবং সমাধান বের করবেন। যেকোন কোম্পানির সর্বজনীন ও প্রধান লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করে যাওয়া এবং সেই পথে তৈরি হওয়া অসংখ্য দ্বন্দ্বের সাথে মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র উপায়।

কীভাবে নিজেকে দ্বন্দ্ব সৃষ্টিকারী পরিস্থিতির সাথে মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত করবেন:

★দ্বন্দ্ব বা মতের অমিল সৃষ্টি হওয়ার জায়গাগুলো সরাসরি চিহ্নিত করুন এবং সতর্কতার সাথে কাজ করুন।
★কোন ভাবেই দ্বন্দ্বকে এড়িয়ে যাবেন না এবং সব সময় বোঝাপড়া করার চেষ্টা করবেন।
★নিন্দাত্মক ও নেতিবাচক না হয়ে চেষ্টা করুন সমাধান দিয়ে অন্যদেরকে সাহায্য করতে।

৭. নেতৃত্ব

প্রত্যেকটি কোম্পানিতেই নেতৃত্ব দেয়ার মত লোকের প্রয়োজন হয়। একজন ম্যানেজার বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং একজন নেতার মধ্যে সূক্ষ্ম ব্যবধান রয়েছে। কোম্পানিতে তৈরি হওয়া অমিল গুলোকে চিনতে পারা এবং একজন নেতার মত কাজ করার মাধ্যমে আপনার আত্মবিশ্বাস প্রতিফলিত হবে এবং সহকর্মী, দলের সদস্য, এমনকি সিনিয়রদের মধ্যেও এক ধরণের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

নিয়োগকারীরা কেন এই গুন খোঁজ করেন:

নেতৃত্ব হলো এমন একটি গুন যা শুধুমাত্র আত্ম উন্নয়নের মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়। নিয়োগকারীরা যখন কোন কর্মকর্তার জন্য প্রমোশন বা পদোন্নতির কথা ভাবেন তখন এই দক্ষতাকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। নিয়োগকারীরা আপনার পেছনে তখনই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবেন যখন তারা দেখবেন যে আপনার মধ্যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা রয়েছে।

কীভাবে নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা অর্জন করবেন:

★অন্যদের হুকুম দিয়ে বেড়াবেন না, বরং নিজে ভালো কাজ করার মাধ্যমে নেতৃত্বের নিদর্শন তৈরি করুন।

★অন্যদেরকেও সফল হওয়ার সুযোগ করে দিন।

★আপনার আশে পাশে থাকা কর্মীদের অনুপ্রাণিত করুন, প্রেরণা দিন এবং উৎসাহিত করুন।

শেষ কথা

ঠিক অতীতের মতই বর্তমানে শিক্ষা মানুষের চরিত্র এবং দক্ষতা বৃদ্ধির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও চলতে থাকবে। কিন্তু আজ অবধি আমরা শুধুমাত্র বেসিক দক্ষতা যেমন পড়া, লেখা এবং হিসাব করার দিকে বেশি মনোযোগ দিয়ে আসছি। সেজন্য চর্চার অভাবে অন্যান্য প্রয়োজনীয় গুনাবলীগুলো সুপ্তই থেকে যায়।

আমাদের তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্ম উন্নয়নের জন্য আমরা কি আমাদের সর্বোচ্চ প্রয়াস দিচ্ছি?

প্রচলিত বেসিক দক্ষতাগুলো কী ভবিষ্যতের কর্ম-পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট?

সহজ কথায় বলতে গেলে প্রযুক্তির বর্ধমান গতির সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা পেছনে পড়ে যাচ্ছে। আমাদের শিক্ষার ধরণে উদ্ভাবনী পরিবর্তনের মাধ্যমে পুঁজি এবং সম্পদের পুনরায় সুষম বণ্টন করতে হবে এবং পরিবর্তনের এক নতুন দুনিয়ার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার্থীদের সঠিক ও কার্যকরী শিক্ষা দেয়া এবং বর্তমান কর্মচারীদের নতুন এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জন এবং উন্নত সুযোগ পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়ার ব্যাপারে নিয়োগকারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উভয়কেই মনোনিবেশ করতে হবে। বর্তমান চাকরির অবস্থা জানতে দেখে নিন আমাদের আরেকটি প্রবন্ধ ২০১৮ সালে বাংলাদেশে যে চাকরি গুলোর প্রধান্য থাকবে

অতএব আপনার আত্মোন্নয়ন এবং এই প্রতিবেদনে আলোচিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা অর্জন ও উন্নয়নের জন্য ক্রমাগত নিজেকে পরিবর্তন করতে থাকুন, উদ্ভাবন করুন এবং শিখতে থাকুন। এই গুরুত্বপূর্ণ ক্যারিয়ার টিপস গুলো কাজে লাগিয়ে নিজেকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে নিন!

প্রফেসর ভাইভা ফরব্যাংক ২০১৮ | Professor's Viva For Bank 2018 Pdf Free Download

প্রফেসর ভাইভা ফরব্যাংক
প্রফেসর'স পাবলিকেশন্স 
Professor's Viva For Bank | Professors Publications[​IMG]


[​IMG]

[​IMG]


নামঃ প্রোফেসর’স ভাইভা ফর ব্যাংক
প্রোফেসর প্রকাশন
পৃষ্ঠাঃ ৪৫৫
সাইজঃ ২৩.৭ মেগাবাইট
রেজুলেশনঃ ৬০০ ডিপিআই

Download Here
[​IMG]
Or
[​IMG]

বিসিএস (BCS) লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কিছু বইয়ের তালিকা জেনে নিন

লিখিত পরীক্ষায় বুঝে বুঝে পড়তে হবে । মনে রাখবেন না বুঝে ১০ কলম না পড়ে, বুঝে ১ কলম পড়া ভাল । অাজ অাপনাদের সিএস লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বইয়ের তালিকা দেওয়া হল। এই বই গুলেআ ভাল ভাবে পড়লে অাশা করি লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে পারবেন।
বিসিএস প্রিলি পরীক্ষায় পাশ করার পরে লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। সিএস লিখিত পরীক্ষায় কোন বই পড়তে হয় অনেকে জানে না । বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক কিছু বইয়ের তালিকা জেনে নিন।

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি বইয়ের তালিকা:

বিগত সালে প্রশ্ন ও বিসিএস এর সিলেবাস দেখে কিছু বইয়ের তালিকা দেওয়া হল । লিখিত পরীক্ষার জন্য বইয়ের তালিকা এক নজরে দেখে নিন ।

বাংলা বইয়ের তালিকা:

  • অ্যাসিওরেন্স / প্রফেসরস
  • ৯-১০ ম শ্রেণীর বাংলা ব্যকরণ
  • হায়াৎ মামুদের ৯ম/১০ম / উচ্চ মাধ্যমিক ব্যকরণ
  • শিকর সাহিত্য সমালোচনা: মোহসিনা নাজিলা

ইংরেজি বইয়ের তালিকা:

ইংরেজিতে বেসিক বেশ পাকা হলে Assurence/ Professor. বেসিক মিডিয়াম হলে Oracle । আর দ্রুত পড়া ও সহজবোধ্য হলে Self Assesment Series ar English by Millers Publications.
Corrections & Basic Grammer: জাকির হোসেনের English Language/ PC Das এর গ্রামার/ Advance English Grammer by Chowdhury & Hussain.
Written Part & Translations: English News Paper গুলোর Editorial Reading & Practice .
– S@ifur’s Writing Skill

গণিত বইয়ের তালিকা:

  • ৯ম/ ১০ ম শ্রেণীর গণিত
  • ওরাকল গণিত
  • ৯ম/ ১০ ম শ্রেণীর উচ্চতর গণিতের বিসিএস সিলেবাসে থাকা সাদৃশ্যপূর্ণ অধ্যায়গুলো
  • উচ্চ মাধ্যমিক গণিতের Permutation, Combination & Probability, মূল নির্ণয় সংশ্লিষ্ট অঙ্ক

বাংলাদেশ বিষয়াবলী ও মুক্তিযুদ্ধ:

  • বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (৯ম / ১০ ম শ্রেণী)
  • বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ( ডিগ্রী/ অনার্স কোর্সের )
  • মোজাম্মেল হকের পৌরনীতি ( উচ্চ মাধ্যমিক )
  • অ্যাসিওরেন্স/ প্রফেসরস যে কোন একটি

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী :

  • আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি : আব্দুল হালীম
  • অ্যাসিওরেন্স / প্রফেসরস
  • দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়

 বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বইয়ের তালিকা:

  • ওরাকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • মুজিবুল হকের উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
  • ৯ম/১০ শ্রেণীর বোর্ড বিজ্ঞান বই
একেবারে শেষের দিকে গিয়ে অ্যাসিওরেন্স / প্রফেসরস ডাইজেস্ট পড়তে পারেন ৷ সাইফুরস কোচিং এর লিখিত শীটগুলো কালেকশন করে পড়ে নিতে পারেন। মাহমুদুল হাসান সুমন ভাইয়ের পোস্টটা কিছুটা এডিট করে আমার পছন্দের বই উল্লেখ করে দিলাম। আশাকরি অনেকের উপকারে আসবে।
মিশুক মশিউর
৩৬ তম বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

ধন্যবাদ আমদের সাথে থাকার জন্য।