Airtel Sim 6 Tk 10 minute offer | Airtel Minute Pack

Airtel Sim 6 Tk 10 minute offer | Airtel Minute Pack.  minute offer. Now Airtel customers, who prefer to buy the bundle offer, will have a great internet offer at just 6 taka. Airtel will get 10 minutes for 10 minutes. More with 10 MB internet To enjoy the offer, dial * 123 * 600 #. The offer is valid for 4 hours.

Terms:

Supplementary duty and VAT applicable.
To check the minutes dial * 778 * 26 # and check internet balance * 8444 * 88 #.
Bundle’s benefits can not be enjoyed at the end of the expiration. However, if you buy the pack again before expiry, then join the new pack.

এয়ারটেল মিনিট অফার। এখন এয়ারটেল সকল গ্রাহক যারা বান্ডেল অফারটি কিনতে পছন্দ করেন তাদের জন্য মাত্র ৬ টাকায় দারুন ইন্টারনেট অফার। এয়ারটেলে ৬ টাকায় পাচ্ছেন ১০ মিনিট । সাথে থাকছে আরও ১০ এমবি ইন্টারনেট। অফারটি উপভোগ করতে ডায়াল করুন *123*600#. অফারটির মেয়াদ 4 ঘন্টা।



শর্তবলী:

সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রযোজ্য।

মিনিট চেক করতে ডায়াল করুন *778*26# এবং ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *8444*88#.

মেয়াদ শেষে বান্ডেল-এর সুবিধাসমূহ আর উপভোগ করা যাবে না। তবে, মেয়াদ শেষ হবার আগেই যদি প্যাকটি আবার কিনেন, তাহলে নতুন প্যাকটির সাথে যোগ হেব।

অননেট বলতে রবি ও এয়ারটেল দুই অফারেটরকেই বোঝানো হয়েছে।

লোকাল বান্ডেল ও অননেট বান্ডেল দুটোই কিনলে SMS ও মিনিট প্রথমে লোকাল বান্ডেল থেকে কেটে নেওয়া হবে।

Gp Bioscope Sim 5 GB Internet 49 TK | জিপি Bioscope ইন্টারনেট অফার।

Gp Bioscope Sim 5 GB Internet 49 TK | জিপি Bioscope ইন্টারনেট অফার। Grameenphone 5GB Bioscope Internet Offer. GP subscribers get great internet offers. Grameenphone 5 GB Bioscope Video Internet Pack is only  49 Tk. This offer will be available to all GP subscribers. To Get this offer dial * 123 * 3349 #. Internet Viladity 30 days. This internet pack used for viewing Bioscope Video. Offer as much as you can.

Terms:

To activate the offer, dial * 123 * 3349 #.
All prepaid and postpaid customers in bangling can enjoy this offer.
Dial the Internet Balance Number * 123 * 1 * 4 #
Validity 30 days. Offer to watch videos in Bioscope.

গ্রামীনফোন 5 জিবি Bioscope ইন্টারনেট অফার। জিপি গ্রাহকরা পাচ্ছেন দারুন ইন্টারনেট অফার। গ্রামীনফোনে 5 জিবি Bioscope Video ইন্টারনেট প্যাক মাত্র ৪৯ টাকা। এই অফারটি সকল জিপি গ্রাহকরা পাবেন। অফারটি পেতে ডায়াল করুন *123*3349#। ইন্টারনেটের মেয়াদ ৩০ দিন। এই ইন্টারনেট প্যাকটি Bioscope Video দেখার প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। যতখুশি ততবার অফারটি নিতে পারবেন।



শর্তাবলী:

অফারটি active করতে ডায়াল করুন *123*3349# ।
বাংলালিংকে সকল প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড গ্রাহক এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন।
ইন্টারনেট ব্যালেন্স জনাতে ডায়াল করুন *123*1*4#
মেয়াদ 30 দিন।
অফারটি Bioscope এ Video দেখার জন্য।

tags: my gp app, internet package, gp internet package list, gp internet package 2018, gp internet offer 2018, grameenphone internet package recharge, gp mb pack, gp 17 tk 2gb code, gp 1gb internet offer, gp internet offer 2018, gp 1gb offer, gp internet package list, gp internet offer 2017, gp mb offer 2018, gp internet offer 1gb 50tk, gp internet offer 1gb 16 tk, gp free internet offer

জিপি প্রিপেইড থেকে পোস্টপেইড মাইগ্রেশন সিস্টেম | GP Prepaid to Postpaid Migration system


জিপি প্রিপেইড থেকে পোস্টপেইড মাইগ্রেশন সিস্টেম| GP Prepaid to Postpaid Migration system. আপনার প্রিপেইড নম্বরটি অপরিবর্তিত রেখে, আপনি আপনার প্রিপেইড সংযোগটি মাইপ্ল্যান-এ মাইগ্রেট করতে পারেন মাইজিপি অ্যাপ এর মাধ্যমে অথবা আপনি আপনার নিকটতম গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়েও এটা করতে পারবেন (https://grameenphone.com/personal/customer-service/store-locator) । সেখানে যাওয়ার পরে আপনার সংযোগটি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ভেরিফাই করা হবে এবং বাকি কাজ জিপি প্রতিনিধিদের দ্বারা করে নেওয়া হবে!
মাইপ্ল্যান-এ মাইগ্রেট করার পরে আপনি উপভোগ করবেন-
  • ৫০ পয়সা/সেকেন্ড (জিপি-যেকোনো লোকাল অপারেটরে)
  • অব্যবহ্রত অ্যামাউন্ট ক্যারি ফরওয়ার্ড
  • প্রতি মাসে ফ্রি ডাটা
মাই প্ল্যান বিস্তারিত
MyPlan Bundles
প্ল্যানট্যারিফ/মিনিটডাটা
(মেয়াদ ১ মাস)
SMSডাটা পে গোস্টার স্ট্যাটাস
১৫০৬০ পয়সা (সব অপারেটর)n/a  ৫০০প্রিপেইড এর মত (১ টাকা/এমবি,  ভ্যাট,SD এবং SC ছাড়া)সিলভার
১৬০৫০ পয়সা/মিনিট৫০০ এমবি৫০০সিলভার
২৫০৫০ পয়সা/মিনিট৫০০ এমবি৫০০সিলভার
৪৫০৫০ পয়সা/মিনিট২ জিবি৫০০সিলভার
৬৫০৫০ পয়সা/মিনিট৩.৫ জিবি৫০০গোল্ড
১০০০৫০ পয়সা/মিনিট৬ জিবি ৫০০গোল্ড
  • ২0% ডেটা বোনাস এক জিবি বা তার বেশি রিচার্জ ভিত্তিক ট্রিগার অফার
  • প্রতি মান্থলি বান্ডেলের সাথে বিনামূল্যে 500 এসএমএস/মাস
  • ডেটা পে এস ইউ গো ট্যারিফ (প্রিপেইড এর মত সব প্ল্যানের জন্য)
অন্যান্য বিস্তারিত:
  • আপনি ১৬০ টাকা অথবা ২৬০ টাকার মান্থলি বান্ডেলের মাঝে মাইগ্রেসন করতে পারবেন।
  • *১২১*ডায়াল করে অথবা মাইজিপি অ্যাপ থেকে গ্রাহক উপরোক্ত টেবিলের যেকোনো প্ল্যান-এ পরিবর্তন করতে পারবেন
  • আপনি যদি স্টার গ্রাহক হন, তবে আপনি মাইগ্রেটে করার পরে 400 টাকায় ক্রেডিট লিমিট পাবেন
  • যদি আপনি নন-স্টার গ্রাহক হন তবে আপনার মাইগ্রেশন চলাকালীন 400TK অ্যাকাউন্টে থাকা দরকার এবং এই 400 টাকাপোস্টপেইড অ্যাকাউন্টে মাইগ্রেশনের সময় সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে স্থানান্তরিত করা হবে এবং এরপর ক্রেডিট লিমিট 400Tk হবে
  • মাইগ্রেশন রিকোয়েস্টের সময় গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স থেকে এই 400 টাকা কাটা হবে
  • মাইগ্রেশন-এর পর বর্তমান সকল ফিচার ও ব্যালেন্স (অব্যাবহ্রিত আমাউন্ট, ডাটা ও অন্যান্য সার্ভিস) ক্যারি ফরোয়ার্ড করে পোস্টপেইড প্রোডাক্টে পরিবর্তিত হবে
  • প্রতি মাসে মান্থলি বিল তৈরি হবে এবং নাম্বার সক্রিয় রাখতে বিল তৈরির ১৫ দিনের মাঝে বিল প্রদান করতে হবে

বাংলা কবিতা : ভালবাসার সময় তো নেই


ভালবাসার সময় তো নেই
- রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ---সংকলিত (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)

শীতের কবিতা : বাংলা শীতের কবিতা, শীতের ছড়া, শীতের সকালের কবিতা

ভালবাসার সময় তো নেই
ব্যস্ত ভীষন কাজে,
হাত রেখো না বুকের গাড় ভাজে।

ঘামের জলে ভিজে সাবাড়
করাল রৌদ্দুরে,
কাছএ পাই না, হৃদয়- রোদ দূরে।

কাজের মাঝে দিন কেটে যায়
কাজের কোলাহল
তৃষ্নাকে ছোয় ঘড়ায় তোলা জল।

নদী আমার বয় না পাশে
স্রোতের দেখা নেই,
আটকে রাখে গেরস্থালির লেই।

তোমার দিকে ফিরবো কখন
বন্দী আমার চোখ
পাহারা দেয় খল সামাজিক নখ।

শীতের কবিতা : বাংলা শীতের কবিতা, শীতের ছড়া, শীতের সকালের কবিতা


শীতের সকাল
- আবু জাফর
সকালে সোনার আলো করে ঝিকমিক,
সবুজ ঘাসের শিশির করে চিক চিক ।
ক্ষণে ক্ষণে শীত আর শীতল অনুভূতি,
জানালার ধারে এসে, কাপে প্রজাপতি।

সোনা নয় রুপা নয় জ্বলে ঝিকি মিকি,
বিন্দু বিন্দু শিশির গুলো চেয়ে চেয়ে দেখি।
সাদাকাল নীল দিয়ে আকাশ কেমন সাজে,
আমার মনে গহীন বনে সুরের কঙ্কন বাজে।

চারিদিকে পাখিসব করে রব কল-কাকলী,
সূর্যের আলো মেঘের সাথে করছে মিতালী।
কুয়াশায় ঢাকা ভোরে পড়ছে শিশির ঘাসে,
সূর্য মামা হেলে দূলে দেরী করে আসে।

হিমশীতল শীত 
শীত সংখ্যা
মাহ্ফুজা নাহার তুলি

শীত এসেছে লাগলো কাঁপন,লাগলো দোলা প্রাণে/
শীত এসেছে হিমেল হাওয়া,আনন্দ আর গানে/
বিশাল মাঠে সরসে ফুলের অবাধ ছরাছরি,
ভ্রমরগুলো মধুর খোজে করছে ঘোরা-ঘুরি /
শিউলি তলায় ভোর বেলায় ছেলে-মেয়ের মেলা
এই ফুলেতে কত শত গাথবে তারা মালা/
শীত এল তার হিম-কুয়াশা,সাদা চাদর নিয়ে,
শীত এলো গুটি-গুটি,হামাগুড়ি দিয়ে/
শীত এলো তাই রসের হাড়ি খেজুর গাছে ঝোলে,
এই রসেতে পিঠা হবে,ভাবতেই মন দোলে/
খেজুর গুড়ের কথা ভেবে জিবে আসে পানি,
এই গুড়েতে ভাপা পিঠা ,তুলনা নেই জানি/
শীতের তরে সাজলো আকাশ,ভিজলো যে তার জলে
তারই সাথে ভিজলো যে ঘাস,শিশির কনার ঢলে/
শীতের সময় গ্রামগুলোতে যায় পরে যে সারা
যাত্রা-পালা শুরু হবে ,আনন্দ তাই পাড়া/
শীত সকালে আলসেমিতে চায়না কাটতে ঘুম
সকাল বেলার মিষ্টি রোদ,দেয় কপলে চুম/
মিষ্টি রোদের মিষ্টি পরশ শীতকে তাড়ালো,
হিমকুয়াশার শীত বেলা তাই লাগে বড় ভালো/
হিমশীতল সন্ধে বেলায় গায়ে দিয়ে চাদর
জটলা করে বসে সবাই নেই আগুনের আদর/
হিমশীতল শীত আসে হায় রসের হাড়ি নিয়ে,
যাওয়ার সময় কোকিলের সুর যায় যে শুনিয়ে/

শীতবিলাস ও বান্ধবীস্কার্ফ – টুটুল দাস

বান্ধবীদের কফির কাপে পৌষ বিকেলের ছায়া
দাস্তানাতে নাক ঢেকেছে, কুয়াশা দিয়ে মায়া।
সন্ধ্যেগুলো বিষমখাওয়া ভীষণ এলোমেলো
কবিকে ছোঁয়ার ভান করে সব আঁধার ছুঁয়ে গেল।
আঁধার মানে মফঃস্বলের রেডিও বাজা রাত
মেসেজ বেয়ে চুইয়ে নামে শীতঘুম অকস্মাৎ। 
শীত পেরিয়ে বান্ধবীদের অবাধ যাওয়া-আসা
গান্ধর্ব মতে পুড়তে থাকে পলাশবনের বাসা।
আগুন দিলাম বান্ধবীদের ব্যালকোনি- কার্নিশে
আগুন ছড়াক শহর জুড়ে পলাশ-বকুল মিশে।

ছাই ঢেলে দাও হিসেবছাড়া অঙ্কখাতার নামে
শীতাকাশে জ্বলুক-নিভুক হাজার নীহারিকা
রাস্তাগুলো বিষণ্ণ হোক, শহর কিংবা গ্রামে
স্কার্ফ ঝুলিয়ে কবিতাখাতায় হাঁটবে আধুনিকা।


পৌষী
তাহমিনা কোরাইশী

শীতের দিনে খাওয়ার মজা
পিঠেপুলির ধুম
লেখাপড়া শিকায় তুলে
দিচ্ছি আমি ঘুম।
চোখ মেলি আর বন্ধ করি
মুখ লুকিয়ে হাসি
দারুণ শীতে বন্ধু আমার
লেপটা ভালবাসি।
সব ভুলে তাই লেপের তলায়
চুপটি করে ভাবি
খেই হারিয়ে সূর্যিমামা
হারায় আলোর চাবি।
শীতের হাওয়া আঁধার আঁধার
হিম কুয়াশায় ঢাকা
পাই না যে আজ নাগাল তারই
রাস্তাঘাটও ফাঁকা।
শহরের শীত এমনিতর
কে কার খবর রাখে!
দিব্বি ঘুমায় শীতের বুড়ি
এই শহরের বাঁকে।



শীতের নায়ে
হুমায়ূন কবীর ঢালী

দরজা খুলতেই হিমেল হাওয়া
বলবে তোমায় সেলাম
জানতে চাইলে কে গো তুমি
-শীতের বুড়ি এলাম।
বাইরে গেলে খুব সকালে
শীত ছুঁয়েছ হাতে
সবুজ ঘাসে পা ছোঁয়াতেই
চমকে উঠলে তাতে।
শিউরে উঠবে তখন তুমি
লাগবে কাঁপন গায়ে
ভয় পেও না খোকন সোনা
উঠলে শীতের নায়ে।


শীত এসেছে
শিপ্রা গোস্বামী

শীত এসেছে বাংলা জুড়ে
শহর থেকে গাঁয়
চতুর্দিকে পড়ছে ঢাকা
হিমের কুয়াশায়।
শীতের সময় নানান পাখি
করছে ডাকাডাকি
শুনছি বসে হরেক সুরে
গায় অতিথি পাখি।
চিতই পিঠা খেজুর গুড়ের
সঙ্গে ভাঁপা পুলি
শীতের দিনের যাত্রা-কীর্তন
কেমন করে ভুলি!
এসো সবাই মিলে করি
শীতের জয়গান
পৌষের এই রোদের দুপুর
না হয় যেন ম্লান।

tags: শীতের কবিতা রবীন্দ্রনাথ, বাংলা শীতের কবিতা, শীতের আগমনের কবিতা, শীতের প্রেমের কবিতা, শীতের আগমনী কবিতা, শীতের সকালের কবিতা, শীতের রাতের কবিতা, শীতের ছড়া

এয়ারটেল (Airtel) সিম অফার ২০১৯। এয়ারটেল বন্ধ সিমে ১৯ টাকা রিচার্জে দারুন অফার


এয়ারটেল (Airtel) সিম অফার ২০১৯। এয়ারটেল বন্ধ সিমে ১৯ টাকা রিচার্জে দারুন অফার। ২০১৯ সালের এয়ারটেল সিমের অফার। এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার ২০১৯। এয়ারটেল বন্ধ সিমে ১৯ টাকা রিচার্জে সর্বোচ্চ ২জিবি ইন্টারনেট ৩০মিনিট ও ২০০০ এসএমএস

এখন বন্ধ এয়ারটেল সিম চালু করলে পাবেন দারুন সব অফার। কারণ এখন আপনি বন্ধ এয়ারটেল সিম চালু করলে পাবেন ২ জিবি পর্যন্ত ইন্টারনেট, ১ জিবি 4G ইন্টারনেট বোনাস এবং যেকোনো অপারেটরে ৩০ মিনিট টকটাইম আর ২০০০ SMS, মেয়াদ ১৫ দিন।

এয়ারটেল সিমের সর্বশেষ অফার গুলো জেনে নিন

এই অফারটি উপভোগ করতে চাইলে আপনার বন্ধ এয়ারটেল সিম চালু করে ১৯টাকা রিচার্জ করতে হবে। আপনি অফারটি পাবেন কিনা জানতে ডায়াল করুন *৯৯৯#।


আপনি অফারটির অন্তরভূক্ত হলে আপনি ১৯টাকা রিচার্জে নিচের যে কোন একটি প্যাক পাবেন। ১৯টাকা কেটে নেওয়া হবে।

এয়ারটেল বন্ধ সিম ১৯ টাকা রিচার্জ অফার

★ ১৯ টাকা রিচার্জে পাবেন ৫০০ এমবি ইন্টারনেট সাথে ১ জিবি ৪জি ইন্টারনেট বোনাস ৩০মিনিট টকটাইম ৫০০ এসএমএস মেয়াদ ১৫ দিন।


★১৯ টাকা রিচার্জে পাবেন ১ জিবি ইন্টারনেট + ১ জিবি ৪জি বোনাস ৩০ মিনিট টকটাইম ১০০০ এস এমএস মেয়াদ ১৫ দিন।

★ ১৯ টাকা রিচার্জে পাবেন ১.৫ জিবি ইন্টারনেট + ১ জিবি ৪জি বোনাস ৩০মিনিট টকটাইম ১৫০০ এসএমএস মেয়াদ ১৫ দিন।

★ ১৯ টাকা রিচার্জে পাবেন ২ জিবি ইন্টারনেট +১ জিবি ৪জি বোনাস ৩০মিনিট টকটাইম ২০০০ এসএমএস মেয়াদ ১৫ দিন।


আপনি যে বান্ডেল প্যাকটি পাবেন তা ৩বার নিতে পারবেন ১৯টাকা রিচার্জে।


এয়ারটেল মিনিট এসএমএস ব্যালেন্স চ্যাক করতে ডায়াল করুন *৭৭৮*৫৬#


ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন - *৮৪৪৪*৮৮#

এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার মে ২০১৯, এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার ২০১৯ ,এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার 2019, এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার জুলাই ২০১৯ ,এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার জুন ২০১৯, এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার আগস্ট ২০১৯ ,airtel বন্ধ সিম অফার ২০১৯, airtel bondho sim offer check 2019, airtel bondho sim offer august 2019 ,airtel bondho sim offer july 2019, airtel bondho sim offer 2018 september ,airtel bondho sim offer check code ,airtel bondho sim offer october 2019 ,airtel bondho sim offer june 2019 ,airtel bondho sim offer 2019 may

Youtube : ইউটিউব অ্যালগরিদম (Youtube Algorithm) কিভাবে কাজ করে বিস্তারিত

ইউটিউবে প্রতিদিনই কোটি কোটি বার ভিজিট করা হয় এবং সেখানে কোটি কোটি ঘন্টার ভিডিও রয়েছে। আর এত হেভি লোডের পরেও আপনি যখনই ইউটিউব ভিজিট করতে যান তখন কিন্তু লোড নেওয়ার সময় কোনো দেরি করে না এবং একই সাথে ইউটিউবে আপনি ব্যক্তিগত কি ধরণের ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন সেটাও কিন্তু অটোমেটিক্যালি সাজেস্ট করা হয়ে থাকে। এরজন্য ইউটিউবে ব্যবহার করা হয় একটি অ্যালগরিদম। তো এই ইউটিউব অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করে?

এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছে, কেউই বিস্তারিত ভাবে জানে না ইউটিউব অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করে, এমনকি ইউটিউবও না। কারণ ইউটিউবের অ্যালগরিদমটি আমাদেরকে ভিডিও সাজেস্ট করার জন্য Machine learning টেকনোলজি ব্যবহার করে থাকে; মানে হচ্ছে এখানে কি কি নিয়মে ভিডিও সাজেস্ট করা হয় সেটার কোনো নির্ধারিত নিয়ম সেট করা নেই। আর অন্যদিকে গুগলও আমাদেরকে এই অ্যালগরিদম সম্পর্কে বলবে না; কারণ এতে করে বিভিন্ন টেক মানুষরা সেই অ্যালগরিদম নিয়ে গবেষণা করা শুরু করে দিবে এবং এতে অবশ্যই গুগলের সমস্যা হবে! এটা অনেকটাই কোকাকোলা তৈরির রেসিপির বা KFC এর চিকেন তৈরির রেসিপির মতোই। এই রেসিপিগুলো পাবলিকে আউট করা হয় না বিধায়ই কোম্পানিটিগুলোর পণ্য এতটা জনপ্রিয়!

মেশিন লার্নিং

যেহেতু গুগল আমাদেরকে ইউটিউবের অ্যালগরিদম নিয়ে কিছুই বলবে না আর আমরা ইতিমধ্যে জানি যে ইউটিউবের অ্যালগরিদম মেশিন লার্নিং পদ্ধতি ব্যবহার করে; তাই মেশিন লার্নিং নিয়ে কিছু বললে আপনারা বুঝতে পারবেন কিভাবে ইউটিউব অ্যালগরিদম কাজ করে। Machine Learning কে কিন্তু আমরা সহজভাষায় AI বলে আখ্যায়িত করে থাকি। আপনি যখন কোনো মেশিল লার্নিং মডেলকে কোনো কিছুর ব্যাপারে শিখাতে যাবেন তখন একে বিষয়টির উপর কয়েকটি ইনপুট প্রদান করবেন এবং সেই ইনপুটের উপর ভিক্তি করে কতগুলো “সম্ভাব্য” আউটপুট সেট করে দিবেন। এবার মেশিন লার্নিং মডেলটি আপনার ইনপুটের উপর গবেষণা করে কাজ করা শুরু করে দিবে। যেমন একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে আপনি বিড়াল এবং কুকুরের ছবির মধ্যে পার্থক্য ধরার জন্য ট্রেইন করছেন।

এখানে AI কে আপনি অনেকগুলো কুকুর এবং বিড়ালের ছবি ধরিয়ে দিলেন এবং তাকে বললেন সঠিকভাবে এদের মধ্য থেকে কুকুর ও বিড়ালের ছবিগুলোকে আলাদা করতে। এবার AI এর স্কোরের দিকে লক্ষ্য করে এর রেজাল্টটা দেখবেন। প্রথমবার হয়তো ৪০% সঠিক উত্তর দিতে পারবে। কিন্তু পরবর্তীতে টেস্ট করলে দেখবেন যে AI ৫০% কিংবা ৭০% সঠিক উত্তর দিতে পারবে। মানে হচ্ছে প্রতিবার বেশি পরিমাণের সঠিক উত্তর দিতে পারার সাথে সাথেই AI বেশি “অভিজ্ঞতা” লাভ করে থাকে। এখানে একটি ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়েছে যা হলো একটি ইনপুট ছবির কতটুকু অংশ হচ্ছে বিড়ালের ছবি। এই ফর্মূলাটি সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলেই একটি মেশিন যেকোনো ছবি থেকে বিড়ালের ছবিকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করতে পারবে।

আর ইউটিউবের অ্যালগরিদমের জন্য এই ধরণেরই একটি মূল ফর্মূলা ব্যবহার করা হয়। যা হলো Watch time! মানে ইউটিউব ব্যবহারকারীরা কতক্ষণ একটি ভিডিওতে থাকেন সেটা। ধরুণ আপনি একটি ইউটিউব ভিডিওতে প্রবেশ করলে কিন্তু ভিডিওটি ভালো লাগলো না, স্কিপ করে গেলেন, পরবর্তী ৪/৫টি ভিডিওকেও আপনি স্কিপ করে গেলেন কিন্তু ৬নং ভিডিওটি আপনার পছন্দ হলো এবং আপনি সেটা দেখতে থাকলেন। এবার ইউটিউব অ্যালগরিদমটি এই Watch Time ফর্মূলাটির মাধ্যমে আপনাকে পরবর্তীতে এই ৬ষ্ঠ ভিডিওটির মতোই অনান্য ভিডিওকে দেখার জন্য আপনাকে সাজেস্ট করবে। যাতে করে আপনাকে পরবর্তীতে বেশি পরিমাণে ভিডিও স্কিপিং না করতে হয়।

তবে ইউটিউবের অ্যালগরিদমটি “how long have you watched a video” শুধুমাত্র এই একটি ফর্মূলার উপরই ভিক্তি করে বসে থাকে না। এটা ছাড়াও অ্যালগরিদমটি বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে যেমন ভিডিওটিতে সাবস্ক্রাইবার থেকে ভিউ কত আসলো, ভিডিওটির এডগুলোকে কতগুলো ক্লিক হলো, কতগুলো লাইক বা ডিসলাইক হলো ইত্যাদি অনেকগুলো ফ্যাক্টরকে সঠিকভাবে Ranking করেই ইউটিউব অ্যালগরিদমটি কাজ করে থাকে। এগুলোকে ভিক্তি করে ইউটিউব পরবর্তীতে আপনার প্রোফাইলে একজাতীয় বিভিন্ন ভিডিওকে Suggested Videos হিসেবে পিন আউট করে রাখে; যাতে আপনি সেখানে ক্লিক করেন।

ইউটিউবে ক্লিক

ইউটিউবে সাজেস্ট ভিডিও দেওয়া হয় যাতে আপনি সেখানে ক্লিক করে ভিডিওটি দেখা শুরু করেন। আর প্রতিটি ক্লিক থেকেই কিন্তু ইউটিউব টাকা আয় করে থাকে তাই ক্লিক জিনিসটিই হচ্ছে ইউটিউবের জন্য বড় একটি ফ্যাক্টর। আর ইউটিউব থেকে কোনো ইউটিউবারকে আয় করতে হলে দুটি জিনিসের উপর খেয়াল রাখতে হয় তা হলো এভারেজ ভিউ ডিউরেশন (Average view duration) এবং অপরটি হলো ক্লিকিং রেট (Click-through rate) । এই দুটি ফ্যাক্ট কত বেশি হবে একটি ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও গুলো ততবেশি সাজেস্ট ভিডিওতে চলে আসার সম্ভাবনা বাড়বে এবং ফলাফল স্বরূপ চ্যালেনটির ব্যাপক প্রচারণা হবে। মানে হচ্ছে ভিডিও বুষ্ট না করেই ইউটিউব নিজে থেকেই আপনার ভিডিওকে সাজেস্ট ভিডিও নিয়ে সেটাকে বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

Average View Duration হচ্ছে চ্যানেলের ভিডিওগুলো ঠিক কতক্ষণ ধরে ইউটিউবে দেখা হয় সেটার একটি গড় হিসেব। এটা ভিডিও কনটেন্টটির উপর নির্ভর করে। ভালো কনটেন্ট হলে এটা বাড়ানো তেমন কঠিন কিছু না কিন্তু Click-through rate বিষয়টি একটু ঝামেলা এবং কঠিন জিনিস। সাজেস্টেড ভিডিও থেকে কতগুলো মানুষ ক্লিক করে আপনার ভিডিওটি চালু করেছে সেটারই পরিসংখ্যান হচ্ছে এই Click-through rate । ক্লিক রেট বৃদ্ধি করার জন্য ইউটিউবাররা তাদের ভিডিওতে একটি চালাকি করে থাকে তা হচ্ছে Click Bait ।



আকর্ষণীয় থাম্বনেইল, আকষর্ণীয় টাইটেল এবং তেলমসলা মিশিয়ে থাম্বনেইল আর টাইটেল বানিয়েই তারা এই ক্লিক বেইট বানিয়ে থাকে। আবার অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে ইউটিউবের এই অ্যালগরিদমকে ট্যাকেল করে থাকেন। নিচে দুটি চ্যানেলের মাধ্যমে আমি আপনাকে সেটা বুঝাচ্ছি:

কেইস স্টাডি ১:

ইউটিউব
আমাদের প্রথম কেইস স্টাডিটি হচ্ছে Primitive Technology চ্যানেলকে নিয়ে। এই চ্যানেলটিতে প্রতি মাসে মাত্র একটি করে ভিডিও আপলোড করা হয়। আর ভিডিওগুলোতে দেখানো হয় কিভাবে একটি মানুষ জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে কোনো টুলস বা যন্ত্রপাতি ছাড়াই বিভিন্ন জিনিস বানিয়ে থাকে। এই চ্যানেলের ভিডিওগুলোকে কোনো প্রকার ন্যারেশন (narration) নেই এবং তারপরেও আর্শ্চয্যমূলক ব্যাপার হচ্ছে চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮.৭ মিলিয়ন!  এখানে তিনি দুটি জিনিস ফলো করেন।
একটি হলো তিনি প্রতি মাসে মাত্র একটি করে ভিডিও আপলোড করেন। এখানে ব্যাপারটি হলো যে তার সাবস্ক্রাইবাররা মুখিয়ে থাকেন কখন তার নতুন ভিডিওটি আসবে এবং তারা মনে করেন যে নতুন ভিডিওতে আগের থেকে বেশ নতুন কিছু দেওয়া থাকবে মানে তার চ্যানেলে ভালোই Viewer engagement রয়েছে। আরেকটি ব্যাপার হলো এই চ্যানেলের এভারেজ ভিউ ডিউরেশনটি অনেক উচ্চ লেভেলের। চ্যানেলের আপলোড করা প্রতিটি ভিডিওতেই গড়ে ৫ মিলিয়নের বেশি ভিউ হয়ে থাকে। তাই এই চ্যানেলটির ভিডিওগুলো মাঝেমধ্যেই আপনি Suggested Videos য়ে পেতে পারেন যদিও আপনি এই জাতীয় ভিডিও পছন্দ নাও করে থাকেন।

কেইস স্টাডি ২:

ইউটিউব
এবার কথা বলবো BCC Trolling চ্যানেলটিকে নিয়ে। উপরের Primitive Technology চ্যানেলটি স্বাভাবিক নিয়ম ফলো করলেও এই BCC চ্যানেলটি অনেকটাই “চোরাই” পদ্ধতি ব্যবহার করে। চ্যানেলটির ভিডিওগুলো Fortnite গেমটির ফানি ভিডিও নিয়ে করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন জনপ্রিয় স্ট্রিমারদের ভিডিও থেকে মজার অংশগুলো কাট পেস্ট করে একটি ভিডিওতে ঠাসিয়ে দিতে তারা প্রতিদিন ভিডিও বানিয়ে থাকে। তাদের ভিডিওর টাইটেলগুলো বেশ মসলা মাখিয়ে করা হয়, যেমন প্রতিটি ভিডিও শুরু টাইটেলে *new*, *never*, *new trick*, *100 players*, *epic*, *leaked* ইত্যাদি শব্দগুলো দেওয়া থাকে যাতে টাইটেলটি আকর্ষণীয় মনে হয়।
চ্যানেলটি গতবছর ইউটিউবের অ্যালগরিদমের কাজের ধরণকে ভালো মতো করে বুঝে ফেলে আর তাই সে অনুযায়ী “চোরাই” পদ্ধতিতে চ্যানেলটি ১ বছরেই প্রায় ৭ মিলিয়নের বেশি সাবক্রাইবার কামিয়ে নেয়। Watch Time বৃদ্ধি করার জন্য তারা তাদের টাইটেল ক্লিপ কে প্রতিটি ভিডিওর মাঝখানে দিয়ে দেয় যাতে ভিউয়াররা পরবর্তীতে একপ্রকার “বাধ্য” হয়েই সেখানে ক্লিক করতে বা দেখতে হয়। এই চোরাই পদ্ধতির জন্যই চ্যানেলটির watch time বেশি উচ্চ পর্যায়ের।

চোরাই পদ্ধতি বলছি এ কারণে যে তাদের ভিডিওগুলোর টাইটেল বেশ রংচটা এবং ভিডিও থাম্বনেইলগুলোও কাস্টম ভাবে তৈরি করা হয়, আর তাই গেমার ভিউয়ার কিংবা সাধারণ ভিউয়াররা টাইটেল এবং থাম্বনেইল ইমেজ থেকে আর্কষিত হয়ে থাকে।
এই চ্যানেল থেকে কি শিক্ষা পাওয়া যায়? এই চ্যানেল আমাদের শিক্ষা দেয় য়ে Clickbait পদ্ধতি অনুসরণ করলেও সেটা সঠিকভাবে এবং মার্জিত ভাবে করা উচিত। ভিডিওর বিষয়বস্তুর থেকে অন্যরকম টাইটেল দিলে এবং থাম্বনেইল ইমেজকেও অন্য টপিকে বানালে অনেক সময় ফলাফল উল্টো হতে পারে, ভিউয়াররা রেগে গিয়ে চ্যানেলের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতে পারে এবং এজন্য অনেক সময় ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওকে ডিলেট করে দেয় এবং বেশি রির্পোট আসলে পুরো চ্যানেলটিকেই বন্ধ করে দেয়।

তো আজ আপনারা জানতে পারলেন যে সাধারণত কি কি পদ্ধতি অনুসরণ করে ইউটিউব অ্যালগরিদম কাজ করে থাকে। ভূল করে কিংবা শখের বসে আপনি একটি রেসলিং ভিডিওকে ক্লিক করলেন এবং কিছুক্ষণ ভিডিওটি দেখে সেটা বন্ধ করে দিলেন। পরবর্তীতে ইউটিউব হোম পেজে গেলেই আপনি Suggested ভিডিওগুলোতে দেখবেন কয়েকটি রেসলিং জাতীয় ভিডিও চলে আসবে। এগুলো সবই ইউটিউব অ্যালগরিদমের খেলা! কিন্তু অনেকসময় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে কোনো ভিডিও দেখার সময় সাইডে Recommended টাইটেলে কয়েকটি ভিডিও দেওয়া থাকে যেগুলো আপনি বর্তমানে যে ভিডিওটি দেখছেন তার টপিক থেকে আলাদা। কারণ এই ভিডিওগুলো টাকা দিয়ে Boost করা হয়েছে তাই ইউটিউব তার অ্যালগরিদমের বাইরে গিয়েও বিভিন্ন ভিডিওকে প্রমোট করে থাকে।

Internet Speed : ইন্টারনেট স্পিড সর্বোচ্চ কতটা ফাস্ট হতে পারে বিস্তারিত

Internet Speed : ইন্টারনেট স্পিড সর্বোচ্চ কতটা ফাস্ট হতে পারে বিস্তারিত। বাস্তব জীবনে আমরা সবাই স্পিড লিমিটের সাথে পরিচিত। সাধারনত পৃথিবীতে কোনকিছুই আনলিমিটেড স্পিডের হয়না। আমরা রাস্তায় যে গাড়ি বা বাইক চালাই, যে অ্যারোপ্লেনে ভ্রমন করি এবং এমনকি লাইটের যে ফোটন কণাগুলো আমাদের চোখে পৌঁছায়, সেই সবকিছুরই একটি নির্দিষ্ট স্পিড লিমিট আছে। তবে বর্তমান সময়ে মানুষ সবথেকে বেশি যে স্পিড নিয়ে মাথা ঘামায়, তা হচ্ছে ইন্টারনেট স্পিড। বর্তমানে সবাই অন্যদের থেকে আরো একটু হলেও বেশি ইন্টারনেট স্পিড চায়।

আমাদের দেশে ১ মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড থেকে শুরু করে ১০০ মেগাবিট এবং কোথাও কোথাও ৫০০ মেগাবিট ইন্টারনেটেরও দেখা পাওয়া যেতে পারে এবং আমরা NASA তে ৯১ গিগাবাইট ইন্টারনেট স্পিডের গুজবও শুনেছি সোশ্যাল মিডিয়াতে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এর শেষ কোথায়? ইন্টারনেট সর্বোচ্চ কতটা ফাস্ট হতে পারে এবং ভবিষ্যতে হওয়া সম্ভব? আজকে এই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করবো।

প্রথমত জানা যাক যে, এখন এই মুহূর্তে সবথেকে ফাস্ট ইন্টারনেট স্পিড কোথায় আছে। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে, আমেরিকা বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত দেশগুলোতে থাকা লোকেরা যারা ১ গিগাবিট বা ২ গিগাবিট ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিংবা এস্টোনিয়াতে থাকা ইন্টারনেট ইউজার যারা ১০ গিগাবিট ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তারাই সবথেকে ফাস্ট ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তাহলে আপনি ভুল জানেন।বর্তমানে ইন্টারনেটের সবথেকে ফাস্ট স্পিডের কাছে এসব স্পিড কিছুই না।

সবথেকে ফাস্ট ইন্টারনেট স্পিড খুঁজতে হলে আমাদেরকে সম্পূর্ণ ইন্টারনেটের মেরুদন্ডকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে, অর্থাৎ ইন্টারনেটের মেইন হাইওয়েকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে যেটি সাড়া পৃথিবীর ইন্টারনেটকে পরিচালনা করে। এই মেইন লাইনগুলোর মধ্যে এমন অনেক লাইন আছে যেগুলো আক্ষরিক অর্থেই ১০০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড স্পিডে ডেটা ট্রান্সফার করে, তবে এগুলোও পৃথিবীর সবথেকে ফাস্ট ইন্টারনেট স্পিড নয়। বরং ইন্টারনেটের সবথেকে অ্যাডভান্সড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কাছে এই স্পিড কিছুই না। 

ইন্টারনেট স্পিড
এই মুহূর্তে ইন্টারনেটের মেরুদন্ডের সবথেকে ফাস্ট অংশটি হচ্ছে একটি আন্ডার-সি ক্যাবল যেটির নাম হচ্ছে ম্যার‍েয়া। আন্ডার-সি ক্যাবল সেগুলোকেই বলা হয় যেগুলো সমুদ্রের তলদেশে থাকে এবং ইন্টারনেটের মেইন ডেটা ট্রান্সফারের কাজটি করে থাকে, যেগুলোকে আমরা সমুদ্রের নিচে থাকা ফাইবার অপটিক ক্যাবল হিসেবে চিনি। এই ম্যারেয়া নামের আন্ডার-সি ক্যাবলটি ভার্জিনিয়ার সমুদ্র থেকে স্পেনের বিলবাও শহর পর্যন্ত গিয়েছে। আর এই আন্ডার-সি ক্যাবলটি অবিশ্বাস্যরকম দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে যা প্রায় ১৬০ টেরাবিট প্রতি সেকেন্ড স্পিডে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ক্যাবলটি অন্যান্য আন্ডার-সি ক্যাবলের থেকে খুব বেশি মোটাও নয়। তাহলে এই ক্যাবলটি কিভাবে এত বেশি স্পিডে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে?
ইন্টারনেট স্পিড
এটা বোঝার আগে, আপনি যদি না জেনে থাকেন যে ফাইবার অপটিক ক্যাবল কি এবং কিভাবে কাজ করে আর এটি এত দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করেই বা কিভাবে, তাহলে আপনি নিচের এই আর্টিকেলটি একবার পড়ে আসতে পারেন।

এখানে সব সাধারন ফাইবার অপটিক ক্যাবলের কথা বলা হয়েছে। তবে এই ম্যারেয়া’র মতো বড় আন্ডার-সি ক্যাবলগুলো অপটিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ার ইউজ করে যাতে ক্যাবলের ভেতর থেকে যাওয়া সিগনালগুলো সবসময় একইরকম স্ট্রং থাকে। আপনার যদি অপটিক্যাল ফাইবার নিয়ে কিছুটা ধারনাও থাকে তাহলে আপনি জানেন যে, অপটিক্যাল ফাইবারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয় আলোর সাহায্যে এবং আলোর প্রতিফলনের সাহায্যে। তবে সাধারন আন-অ্যামপ্লিফাইড ফাইবার অপটিক ক্যাবল আলোকে সবসময় পারফেক্টভাবে রিফ্লেক্ট করেনা। কিছুটা শোষণ হয়ে যায় এবং অন্য অনেক কারনেই আলো পারফেক্টভাবে প্রতিফলিত হতে পারেনা।
ইন্টারনেট স্পিড
ফাইবার অপটিক ক্যাবল
তবে যখন অ্যামপ্লিফায়ার ব্যবহার করা হয় তখন এই আলোর সাহায্যে আসা ডেটাগুলো কোনভাবেই শোষণ হয়ে যায়না এবং দুর্বল হয়ে পড়েনা। এই সব ডেটাগুলো তাদের যাত্রাপথের প্রত্যেক সেকেন্ডেই একইরকম স্ট্রং থাকে যেমনটা প্রথমে ছিলো। এছাড়া এই শক্তিশালী ফাইবার অপটিক ক্যাবলগুলোতে একইসাথে অনেকগুলো ফাইবার এবং প্রত্যেকটি ফাইবারে আবার প্রত্যেকটি ফাইবারে আবার মাল্টিপল ওয়েভ লিংক ব্যবহার করার সাহায্যে এই ম্যারেয়ার মতো ফাইবার অপটিক ক্যাবলগুলো বিপুল পরিমান ডেটা ক্যারি করার মতো ক্ষমতা রাখে। তবে এখন প্রশ্নটি হচ্ছে, এর থেকে বেশি স্পিডও কি ভবিষ্যতে পাওয়া সম্ভব? সম্ভব হলে কতোটা স্পিড পাওয়া সম্ভব? কিভাবেই বা পাওয়া সম্ভব?
প্র্যাক্টিক্যালি বলতে হলে, ইন্টারনেট প্রতিনিয়ত যেভাবে আরও বেশি উন্নত হচ্ছে এবং হয়েই চলেছে, আমরা প্রতিনিয়ত আরও অনেক উন্নত ম্যাটেরিয়াল তৈরি করছি যেগুলো আলোকে আরও পারফেক্টভাবে প্রতিফলিত করতে পারে। এই ধরনের সব ম্যাটেরিয়াল এবং টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে আমরা আরও অনেকভাবে ফাইবার অপটিক ক্যাবলকে অপটিমাইজ করতে পারি , যেমন- হয়তো একটি সিঙ্গেল ফাইবারের মধ্যে আরও বেশি ওয়েভ লিংক থ্রো করার ব্যাবস্থা করে কিংবা আরও ভালো অ্যামপ্লিফায়ার ব্যবহার করে।
ইন্টারনেট স্পিড
ফাইবার অপটিক অ্যামপ্লিফায়ার
এই সবধরনের টেকনোলোজি কাজে লাগিয়ে আশা করা যায় যে, আমরা হয়তো ভবিষ্যতে ফাইবার অপটিক ক্যাবল ব্যবহার করে ১ পেটাবাইট (১০০০ টেরাবাইট) প্রতি সেকেন্ড পর্যন্তও স্পিড পেতে পারি কিংবা হয়তো তার থেকেও বেশি, শুধুমাত্র একটি ফাইবারে। আবার এই ফাইবারটিকেও অনেকগুলো একসাথে একটি ক্যাবলে রাখার মাধ্যমে এই স্পিডটিকেও বহুগুণে বাড়ানোর সুযোগ থাকছে, যতক্ষন পর্যন্ত সম্পূর্ণ ইনফ্রাস্ট্রাকচারটি এইসকল বিপুল পরিমান ডেটাগুলোকে প্রোসেস করতে পারে এবং সেপারেট করতে পারে।
এছাড়া এটা মনে রাখতে হবে যে, প্রায় সব মডার্ন অপটিক্যাল নেটওয়ার্কগুলো ইনফ্যারেড লাইট ব্যবহার করে থাকে যা খুবই লো ফ্রিকুয়েন্সির সিগনাল। তাই ইনফ্যারেড লাইট খুব বেশি ডেটা ক্যারি করতে পারেনা। যেহেতু এটি হাই এনার্জিটিক এবং হাই ফ্রিকুয়েন্সিররেডিয়েশন নয়। হয়তো ভবিষ্যতে আমরা অতিবেগুনী রশ্মির (UV Light) সাহায্যেও ডেটা ট্রান্সফার করতে পারি যা আমাদেরকে আরও অনেক ফাস্ট স্পিড এবং আরো স্ট্যাবল কানেকশন দিতে সক্ষম হবে। তবে এটা আমরা তখনই পারবো যদি আমরা উপযুক্ত ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিট করার মতো ব্যাবস্থা করতে পারবো যদি ম্যাটেরিয়ালগুলো এতো হাই ফ্রিকুয়েন্সি সহ্য করতে পারে আর ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। যদিও আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, আমরা ওয়াইফাই এর ক্ষেত্রে UV লাইট ব্যবহার করতে পারবো না, কারন এতে আমাদের শরীরের ক্ষতি হবে।

শেষ কথা

তো এতক্ষনের আলোচনায় এটা নিশ্চই ধারনা করতে পারছেন যে, খাতা-কলমের হিসাবে আমরা ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ কত স্পিডের ইন্টারনেট পেতে পারি তার কোন লিমিট নেই (অন্তত খাতা-কলমের হিসাবে)। তবে বাস্তব জীবনে ফিরে এসে চিন্তা করলে এখানে আরো কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হয়। যেমন- হার্ডওয়্যার খরচ, প্র্যাক্টিকালিটি, বিদ্যুৎ খরচ, সর্বমোট মেইন্টেন্যান্স খরচ, নিরাপত্তা ইত্যাদি। এইসবকিছু বিবেচনা করলেই বোঝা যায় যে আমরা টেকনিক্যালি আনলিমিটেড ইন্টারনেট স্পিড পেতে পারলেও এসব কারণে আমাদেরকে কিছুটা লিমিট রেখেই কাজ করতে হয়।
তাই প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে আমরা যে ইন্টারনেট স্পিডের যুগান্তকারী উন্নতি দেখবো কোন একসময়, এমনটা নিশ্চিতভাবে বলা গেলেও ঠিক আনলিমিটেড স্পিড পাবো না এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। আর এখনকার মতোই ভবিষ্যতেও অবশ্যই আপনার বাসার ব্রডব্যান্ডের স্পিড অ্যাপলের কিংবা গুগলের সার্ভার হাউজের  ইন্টারনেট স্পিডের থেকে অনেক স্লো হবে (উদাহরনস্বরূপ)। আশা করি কিছুটা হলেও বোঝাতে পেরেছি যে ইন্টারনেট সর্বোচ্চ কতোটা ফাস্ট হতে পারে এবং কেন। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

খুসখুসে সর্দি কাশি হলে করণীয় কী ? জেনে নিন

শীতের শুরুর দিকে খুসখুসে কাশির সমস্যায় ভুগতে হয় অনেককেই। খুসখুসে কাশি একটি বিরক্তকর ও বিব্রতকর অসুখ। একবার কাশি শুরু হলে যেন থামতেই চায় না। যখন-তখন, যেখানে–সেখানে শুরু হয়ে যেতে পারে কাশি। জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড় ঘড় নেই—কিন্তু খুক খুক কাশি, যা বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক। যার অর্থ, কাশির সঙ্গে কখনো কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে। এ কাশিতে থুতু বা কফ হয় না। কিন্তু একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি ক্রমাগত কাশির সৃষ্টি করে। সংক্রমণ, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিস এবং ধূমপানের কারণেও শুকনো কাশির উদ্রেক হতে পারে।
শ্বাসনালি আক্রান্ত বা সংক্রমণ
তীব্র কাশির জন্য সহজেই অনুমানযোগ্য বা সহজ কারণটি হলো, ঠান্ডা বা অন্য কোনো ভাইরাল সংক্রমণের পরিণাম বা ফল। অনেক ঠান্ডার উপসর্গ কিছুদিন পরে চলে যেতে পারে।
কাশি কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাসের জন্যও থাকতে পারে, কারণ ভাইরাসের কারণে শ্বাসনালি ফুলে এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে। এই কারণে কাশির স্থায়িত্বকালও বাড়তে পারে, এমনকি ভাইরাস চলে যাওয়ার পরও। ঋতু বদলের সময় ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কাশির প্রকোপ বাড়ে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। কাশির সঙ্গে জ্বর, কফ ইত্যাদি থাকলে ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়া কি না ভাবতে হবে। দীর্ঘদিনের (যেমন তিন সপ্তাহের বেশি) কাশি, ঘুসঘুসে জ্বর, ওজন হ্রাস, কাশির সঙ্গে রক্ত যক্ষ্মার লক্ষণ হতে পারে।

ধুলাবালু থেকে হাঁপানি, অ্যালার্জি ও খুসখুসে কাশি
সবার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সমস্যা না করলেও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সবারই করে। ধুলার আকার-আয়তন দৃশ্যমান থেকে অদৃশ্যমান হতে পারে। সাধারণত যেসব ধুলা খালি চোখে দেখা যায় না, সেগুলো সাধারণত বেশি ক্ষতিকর। সাধারণত শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে বায়ুতে ধুলার পরিমাণ অন্য সময়ের তুলনায় বেশি থাকে। ধুলার ধরন ও আকার-আয়তনের ওপর নির্ভর করে ক্ষতির মাত্রা। আবার ধুলার ঘনত্বের মাত্রা ও কত দিন ধুলায় বসবাস, তার ওপরও নির্ভর করে ক্ষতির মাত্রা। সামান্য পরিমাণ ধুলাও তাৎক্ষণিক সমস্যা করতে পারে। যেমন চোখ জ্বালাপোড়া, খুসখুসে কাশি, হাঁচি, আল্যার্জিক রাইনাইটিস, হাঁপানি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। আবার যাঁদের আগে থেকে ফুসফুসের সমস্যা আছে, তাঁদের অল্পতেই সমস্যা জটিল করে তুলতে পারে।
শ্বাসকষ্ট নয়, কেবল কাশিও হতে পারে হাঁপানি বা অ্যাজমার লক্ষণ। অ্যালার্জি ও অ্যাজমা হচ্ছে কাশির সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাতে কাশি বেড়ে যাওয়া, বুকে শব্দ ও পরিবারে হাঁপানির ইতিহাস থাকলে অ্যাজমা হতে পারে। একে বলে কফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা। লক্ষ করুন, ধুলাবালু, ফুলের রেণু, এসির ঠান্ডা বাতাস ইত্যাদি কারণে কাশির প্রকোপ বেড়ে যায় কি না। তাহলে এটি অ্যালার্জিজনিত। কাজের দিন বেড়ে যায়, আবার ছুটির দিনে কমে আসে, এমন হলে বুঝতে হবে আপনার কর্মস্থলের পরিবেশে কোনো সমস্যা রয়েছে। ডাস্ট বা ধুলাবালুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

অ্যাসিডিটি বা অম্লতা
ভারী বা চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর বুকে জ্বালাপোড়া বা টক ঢেকুরের সঙ্গে খুক খুক কাশিও হতে পারে। পাকস্থলীর অম্ল খাদ্যনালিতে উঠে এসে এই কাশির সৃষ্টি করে। অনেক সময় ঠান্ডা–সর্দি লাগা থেকে নাকের পেছন দিক থেকে গলায় নিঃসরণের জন্য ইরিটেসন ও শুষ্ক কাশি হয়।

ক্যানসার
বয়স্ক ও ধূমপায়ী ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের কাশি, জ্বর, পুরোনো কাশির নতুন ধরন, কফের সঙ্গে রক্ত এসব উপসর্গ থাকলে সাবধান। ফুসফুসের ক্যানসার হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

হৃদরোগ
হৃদরোগের কারণেও ক্রনিক কাশি হয়। শরীরে পানি জমা, দুর্বলতা, সামান্য পরিশ্রমেই ক্লান্তি বা শ্বাসকষ্ট এগুলো হৃদ্রোগের দিকেই নির্দেশ করে।

পর্যাপ্ত তরল পান না করা
যখন ঠান্ডা অথবা ফ্লু হবে, তখন প্রচুর পরিমাণে তরল পান করতে হবে। পানি, জুস ও স্যুপ শ্বাসনালি থেকে কফ বা শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। কিন্তু ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, যেমন চা বা কফি শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে, যা বিপরীত কাজ করতে পারে। এ সময় শ্বাসনালিতে আর্দ্রতা যুক্ত করতে স্যালাইন ন্যাসাল স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

মানসিক চাপ
মানসিক চাপ, বিশেষ করে যখন এটি তীব্রতর হয়, তখন এটি ঠান্ডার স্থায়িত্বকালকে বাড়াতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কাশির মোকাবিলা করতে, যখন আপনি অসুস্থ থাকবেন, তখন আপনার মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিজের ওপর বেশি চাপ প্রয়োগ করলে আপনি হয়তোবা আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। প্রশান্তিতে থাকার একটি উপায় হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে বিশ্রাম নিন, রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান।

ওষুধ
কোনো কিছুতেই কাশি না সারলে ও পরীক্ষায় কিছু না পাওয়া গেলে লক্ষ করুন কোনো ওষুধের জন্য এটি হচ্ছে কি না। যেমন উচ্চ রক্তচাপের জন্য কোনো ওষুধ সেবনের কারণেও কাশি এত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে তীব্র শুকনো কাশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি এই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, তবে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

নিরাময়ের উপায়
 ধূমপান ও বায়ুদূষণ কাশির একটি অন্যতম কারণ। তাই ধূমপান বর্জন করুন।
 ধুলাবালুতে কাশি হলে ঘর ঝাড়ু দেওয়া, ঝুল ঝাড়া ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।
 ঠান্ডায় সমস্যা হলে গোসলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। খুব ঠান্ডা পানি খাবেন না।
 লিকার চা, কুসুম গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস, গরম স্যুপ ইত্যাদি কাশি সারাতে সাহায্য করে।
 গরম পানির ভাপ নিতে পারেন, দীর্ঘদিন ধরে কাশিতে ভুগলে, বিশেষ করে ধূমপায়ীরা সতর্ক হোন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
লেখক: চিকিৎসক

খুসখুসে কাশি নিরাময়ে সামান্য পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে কেটে নিন। এক কাপ পানিতে এই আদা গরম করে নিন। খাওয়ার আগে ঠান্ডা হতে দিন। ক্রমাগত কাশিতে আদা খুবই উপাকারী।

রসুনের বহুগুণের কথা সবাই জানেন। রসুনের অ্যালিসিন নামের উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই উপাদানটি রসুনের বাজে গন্ধের কারণ হলেও তা শুকনো কাশি দূর করতে ওস্তাদ 

শুষ্ক কাশিতে প্রচুর পানি পান করতে হয়। এবং অবশ্যই সেই পানি হালকা গরম হতে হবে। সারাদিনই অল্প অল্প করে গরম পানি পান করলে, খুসখুসে কাশি দূর হয়ে যাবে। দিনে অন্তত ১২ গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। কাশি থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে।

সিগারেটের অভ্যাস থাকলে তা তৎক্ষণাৎ ছেড়ে দিন। সিগারেট কাশির উদ্রেগ বাড়িয়ে দেয়। সেই সাথে পাশে কেউ ধূমপান করলে তাকেও নিষেধ করে দিন।

খুসখুসে কাশির ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতো কাজ করে। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে গুলমরিচ মিশিয়ে এক কাপ পানিতে গরম করুন। একে একটানা ২-৩ মিনিট গরম করে নিন। এটি খেলে দারুণ উপকার পাবেন।

প্রতিদিন চারটি তুলসি পাতা নিয়ে, তার সাথে মধু মিশিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। চায়ের সাথে তুলসি পাতা মিশিয়েও খাওয়া যায়। তুলসী পাতা দ্রুত খুসখুসে কাশি নিরাময়ে সহায়ক।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে। মধুতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। গলার খুশখুশে ভাব চলে যাবে। তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়।


বেশি পরিমাণে কাশি থাকলে সমতল জায়গায় না ঘুমিয়ে উঁচু বালিশে ঘুমান। কাশির যন্ত্রণা একটু হলেও উপশম হবে।

উষ্ণ পানিতে হালকা লবণ মিশিয়ে গার্গল করলেও বেশ আরাম মেলে।

নাকের ভিতরে হালকা বাম ব্যবহার করতে পারেন। এটি নাকের পথকে পরিষ্কার করে কাশি কমাতে সহায়তা করবে।

এইচএন/জেআইএম

ফেসবুক কমেন্ট মজার ফটো, Bangla Facebook Funny Pic













tags: bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms, কৌতকমজার কৌতুকবল্টুর নতুন জোকসবল্টুর মজার জোকসবল্টুর জোকসবল্টু জোকস

ফেসবুক কমেন্ট ফটো, মজার কৌতুক, Bangla fb photo comment, bangla comedy


bangla jokes
bangla jokes
bangla koutuk
bangla comedy
bangla funny sms
jokes bangla
bangle jokes 
bangla sad sms
sms bangla
bangla romantic sms
bangla love poem
বল্টুর নতুন জোকস
মজার কৌতুক
কৌতক
bangla sms
bangla love sms