বাড়ি তৈরির খরচ কত হবে জানতে হলে যে তথ্য গুলো প্রয়োজন

বাড়ি

একটি বাড়ি তৈরির খরচ কত হতে পারে? 

 এই প্রশ্নটির সম্মুখিন হতে হয় আমাদের প্রতি নিয়ত। এই প্রশ্নটির উত্তরের জন্য বেশ কিছু তথ্য জানার প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোন প্রশ্নকারিই সেই তথ্যগুলো ভালো করে দিতে পারে না। অথচ তারা আমাদের কছে খুবই এক্সাক্টিলি একটা উত্তর আশা করে। অনেকেই এমনটাও বলে যে আপনি কেমন ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন যে খরচটা বলতে পারেন না?

 তাই আসুন জেনে নেই এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য যে তথ্যেগুলোর প্রয়োজন হয়

 ১) বাড়ির আয়তন:-
  আপনার বাড়ির আয়তনের সাথে খরচ জড়িত। এটা খুবই সিম্পল একটা সুত্র। আপনি বাড়ি যত বড় করবেন খরচ তত বেশি হবে। যত ছোট করবেন বাড়ির খরচও কমবে। জমির পরিমানের উপরে নির্ভর করে বাড়ির আয়তন নির্ধরান করা উচিত। ঢাকা বা বিভাগিয় শহরগুলোতে কর্তৃপক্ষের কিছু নিয়মকানুন থাকে। সেগুলো মেনে জমির পরিমান নির্ধারন করা হয়। মানে জমির একটা নির্দিস্ট পরিমান অংশ ছেড়ে তার পরেই বাড়ি করতে হবে। 
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর এষ্টিমেট রড, ইট, সিমেন্ট ইত্যাদি বিভিন্ন হিসাব
 ২) উচ্চতা :- বাড়িটি কত তলা হচ্ছে সেটাও একটা গুরুত্বপুর্ন বিষয়। আপনার ফ্লোর স্পেস কত স্কয়ারফিট হচ্ছে সেটা নির্ভর করে কত তলা হচ্ছে সেটার উপরে। প্রতিটি ফ্লোরে আলাদা আলাদা করে ফিনিশিং এর মালামাল এর আলাদা আলাদা হিসেব হবে। এটার উপরে অনেক সময় ফাউন্ডেশন নির্ভর করে। তিন থেকে চার তলা পর্যন্ত দেখা যা্য় ফুটিং ফাউন্ডেশনে হয়ে যায় কিন্তু ৬ থেকে ৭ তলার উপরে গেলে পাইলিং বিবেচনা করা হয়। এই দুই ফাউন্ডেশনের মধ্যে খরচের বিস্তর ব্যাবধান থাকে।

 ৩) ফাউন্ডেশন:- মাটির গুনাগুন বিবেচনা না করে ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক না। অনেকেই বলে ভাই আমার পাইলিং লাগবে। কিভাবে বুঝলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন আমাকে মিস্ত্রি এবং এলাকাবাসি বলেছে। মিস্ত্রি আর এলাকাবাসি মাটির গুনাগুন পরিক্ষা করেনি। তারা এটা আন্দাজে বলছে। অথচ এই কথাটা বলবে সয়েল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার। আর এখানেই খরচের অনেকটা নির্ভর করে।

 ৪) ফিনিশিং:- সর্বশেষ বিষয় হচ্ছে আপনার বাড়ির ফিনিশিং কেমন হচ্ছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। এর আগে বুঝতে হবে বাড়িটি কি কাজে ব্যাবহ্রত হচ্ছে। যেমন ডুপ্লেক্স বাড়ির ফিনিশিং খরচ একটু বেশি হয় কিন্তু ফ্লাট বাড়ির খরচ সেই তুলনায় কম করলেই হয়। ঢাকাতে যেই বাড়ি গুলো নির্মিত হচ্ছে সেগুলো বেশিরভাগই হয় ভারা দেয়া জন্য। এগুলো প্রায় একই রকম খরচ হয়। কিন্তু নিজে যখন নিজের জন্য বাড়ি করতে যাবেন অবশ্যই সেখানে একই রকমের টাইলস, ফিটিংস, ফিক্সার, রং ব্যাবহার করবেন না?
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব-নিকাশ জানে নিন

 ফিনিশিং এর খরচ অনেক সময় সিভিল কাজের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। তাই একটা বাড়ির খরচের বিষয়টা দুটি ভাগে বিভক্ত করুন।

 ১) সিভিল কাজ 

 -ফাউন্ডেশন

 -গ্রেড বীম

 -ছাদ ঢালাই

 -ওয়ালের গাথুনির কাজ

 - প্লাস্টারের কাজ

  ২) ফিনিশিং কাজ।

  - টাইলস

 - স্যানিটারি (ফিটিংস এবং ফিক্সার)

 - ইলেকট্রিক এর কাজ

 - রং এর কাজ

 - থাই গ্লাস (জানালা)

 - দরজা

 - গ্রিল এর কাজ(রেলিং সহ)

 - কিচেন ফিটিংস

 - ফার্নিচার

  এবার আপনার বাড়ির নির্মান এর খরচ বের করুন। দেখুন আপনি কোন কোন স্থানে কিকি মালামাল ব্যাবহার করছেন এবং সেগুলো কি দামের ব্যাবহার করছেন। যেমন উদাহরনসরুপ টাইলস ধরুন। বাজারে ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত টাইলস আছে। এখন আপনার বাজেটের উপর ভিত্তি করে আপনাকে টাইলস এর দাম নির্ধারন করে কিনতে হবে। আর এখানে আপনার বাড়ির মুল খরচ নির্ভর করে। সেই তুলনায় সিভিল কাজে আসলে তেমন খরচ হয় না। তাই নেক্সট টাইম যখনই কাউকে জিজ্ঞেস করবেন আপনার বাড়ি বানাতে কত খরচ হতে পারে অনুগ্রহ করে আগে নিজে উপরের বিষয়গুলোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন।

 মনে করুন নিচের যেকোন একটি বাড়ি। এই বাড়িগুলোর আয়তন কম বেশি ১৬০০ স্কয়ার ফিট। এগুলো ২ তলা উচু। ডুপ্লেক্স টাইপ বাড়ি। ফাউন্ডেশন মাত্র ৩ তলার। এখন এই বাড়িগুলোর খরচ কেমন হতে পারে। তাহলে প্রথমেই বাড়িটির খরচ দুই ভাবে বিভক্ত করি। প্রথমত সিভিল কাজের খরচ হিসেব করলে দেখা যাবে খুব বেশি হলে ২০ থেকে 25 লক্ষ টাকার মতন খরচ পরবে। এবার আসুন ফিনিশিং কাজে। এখানেই নির্ভর করবে খরচের হিসেব। এই ফিনিশিং কাজে বাড়ির মালিক চাইলে আরো ২০ লক্ষ টাকার মধ্যেই শেষ করতে পারেন অথবা আরো ৫০ লক্ষও খরচ করতে পারেন। পুরোটা নির্ভর করবে তার বাজেট এবং রুচির উপরে।  

ইলেক্ট্রিক ব্রেড বোর্ড বা প্রজেক্ট বোর্ড সম্পর্কে বিস্তারিত


ব্রেডবোর্ড বা প্রজেক্ট বোর্ডে সম্পর্কে যে বিষয় এখানে আলোচনা করা হবে তার সংক্ষিপ্ত পরিচ্ছেদসমূহ
  1. ব্রেডবোর্ড কি ?
  2. ব্রেডবোর্ড/প্রজেক্ট বোর্ডের পরিচিতিঃ
  3. ব্রেডবোর্ডের বিবরণঃ
  4. কিভাবে ব্রেডবোর্ডে কানেকশন দেয়?
  5. জাম্পার ওয়্যার কত প্রকার?
  6. জাম্পার ওয়্যার এর পরিবর্তে কি ব্যবহার করতে পারি?
  7. ব্রেডবোর্ডের দাম কেমন?
  8. কিভাবে ভালো ব্রেডবোর্ড চিনবো?
  9. ব্রেডবোর্ড দিয়ে বেসিক ইলেকট্রনিক্স সার্কিটঃ
  10. কম্পোনেন্ট লিস্টঃ
  11. সার্কিট ডায়াগ্রামঃ
  12. ব্রেডবোর্ডে সার্কিট টি যেমন দেখাবেঃ

ব্রেডবোর্ড

ব্রেডবোর্ড ইলেকট্রনিকস ল্যাবরেটরির জন্য ব্যবহার্য একটি ভোরোবোর্ড এর বিকল্প বোর্ড।
এতে সোল্ডারিং ছাড়াই ইচ্ছেমত পার্টসগুলো বসানো ও খোলা যায়, যা নতুন ব্যবহার কারিদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।
কোন সার্কিট ডায়াগ্রামের টেস্টিং এর জন্য এটি ব্যবহার হয়। এখানে কোন সার্কিটটি তার ডায়াগ্রাম অনুযায়ি ডামি তৈরি করে ডিজাইনটি পরীক্ষা করে দেখা যায়। এটি ভেরোবোর্ড বা স্ট্রিপবোর্ড থেকে আলাদা এখানে ঝালাই বা সোল্ডারিং করতে হয়না সংযোগগুলো তার এর মাধ্যমে দেয়া হয়, এতে পার্টস সমূহের ও তেমন কোন পরিবর্তন ( পা বা লেগ কাটা কাটি) প্রয়োজন পড়েনা। সবচেয়ে বড় সুবিধাটি হল এটি অসংখ্যবার ব্যবহার করা যায়।

ব্রেডবোর্ড/প্রজেক্ট বোর্ডের পরিচিতিঃ

ব্রেডবোর্ড (breadboard) এর নামের মধ্যে ব্রেড থাকলেও আসলে এটির সাথে রুটির, এমনকি খাদ্যেরও কোনও সম্পর্ক নেই। ব্রেডবোর্ড হচ্ছে সার্কিট প্রোটোটাইপ করার জন্য বিশেষ ধরণের বোর্ড যা প্রজেক্ট তৈরি করতে দ্রুত সাহায্য করে থাকে। এজন্য এর অপর নাম প্রজেক্ট বোর্ড। নিচে ব্রেডবোর্ডের একটি ছবি দেখি -

ব্রেডবোর্ড বা প্রজেক্ট বোর্ড
ব্রেডবোর্ড বা প্রজেক্ট বোর্ড


ব্রেডবোর্ডে যে ছিদ্রগুলো দেখা যাচ্ছে ওগুলো কম্পোনেন্ট বসানোর জন্য। মাঝখানের যে ২ সারি ছিদ্র দেখা যাচ্ছে ও গুলো লম্বালম্বি ভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত। উপরের ও নিচের সারির ছিদ্রগুলো পাশাপাশি ভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত। নিচের ছবি দেখে ব্যাপারটি ভালোমত বোঝা যাবে।
ব্রেডবোর্ড/প্রজেক্ট বোর্ডে ছিদ্রগুলো যেভাবে থাকে
ব্রেডবোর্ড/প্রজেক্ট বোর্ডে ছিদ্রগুলো কিভাবে থাকে



ব্রেডবোর্ডের বিবরণঃ

✪ মাঝখানের ছিদ্রগুলোর ১টি সারির ৫টি ছিদ্র লম্বালম্বি ভাবে কানেক্টেড। কিন্তু পাশাপাশি একটি সারির সাথে আরেকটি সারি কানেক্টেড না।
✪ আবার নিচের ছিদ্রগুলোর ৫০টি ছিদ্র পাশাপাশি যুক্ত, কিন্তু উপরের ও নিচের সারি যুক্ত নয়।
✪ মাঝখানে যে একটি ফাঁকা আছে, এই ফাঁকটি প্রস্থ আইসির এক পা থেকে অপরদিকের আরেক পায়ের দূরত্বের সমান। এবং এই ফাঁকের দুইপাশের সারি যুক্ত না। তাই এই জায়গায় আইসি বসিয়ে কাজ করা যাবে। মাঝখানের ফাঁকের ফলে আইসির দুইদিকের পিন শর্ট হয়ে যাবেনা।
✪ ব্রেডবোর্ডের উপরের ও নিচের সারি কে সাধারণত কমন পাওয়ার লাইন হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং মাঝখানে কম্পনেন্ট বসানো হয়।
✪ কিছু ব্রেডবোর্ডে আবার পাওয়ার লাইনের মাঝখানে ব্রেক থাকে। যেগুলোতে ব্রেক থাকে সেগুলোতে মাঝখানে দুইটা সারির মাঝের দূরত্ব একটু বেশি থাকে। তবে শিওর হওার জন্য মিটার দিয়ে চেক করে নেয়া উচিত।
✪ ব্রেডবোর্ডের সুবিধা হল এখানে কম্পোনেন্ট গুলোকে পার্মানেন্টলি সোল্ডার করতে হয় না। যেকোনো সময় খুলে ফেলা যায়। তাই র‍্যাপিড প্রটোটাইপিং এর জন্য ব্রেডবোর্ড খুব কাজে লাগে।

কিভাবে ব্রেডবোর্ডে কানেকশন দেয়?

জাম্পার ওয়্যার/হেডার ক্যাবল
জাম্পার ওয়্যার/হেডার ক্যাবল

ব্রেডবোর্ডে এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্টে কানেকশন দেয়ার জন্য জাম্পার ওয়্যার (Jumper wire) নামে বিশেষ ধরণের তার ব্যবহার করা হয়। একে মাঝেমাঝে হেডার ওয়্যার ও বলে। জাম্পার ওয়্যার আসলে চিকন সাধারণ তার। যার দুই মাথায় প্লাস্টিকের হাউজিং থেকে শক্ত পিন বের হয়ে থাকে। এই পিন ব্রেডবোর্ডের ছিদ্রতে ঢুকানো হয়।


জাম্পার ওয়্যার কত প্রকার?

জাম্পার ওয়্যার ৩ ধরণের হয়-
  • ১। মেইল টু মেইল- এধরণের জাম্পারের দুইমাথা থেকে পিন বের হয়ে থাকে
  • ২। ফিমেইল টু ফিমেইল - এধরণের জাম্পারের দুইমাথায় পিন ঢোকানোর জায়গা থাকে।
  • ৩। মেইল টু ফিমেইল - এধরণের জাম্পার একমাথা থেকে পিন বেরিয়ে থাকে, অপর মাথায় পিন ঢুকানোর জায়গা থাকে।

জাম্পার ওয়্যার এর পরিবর্তে কি ব্যবহার করতে পারি?

জাম্পার ওয়্যারের দাম একটু বেশি হওায় অনেকে ইথারনেট কেবলের তার বা Cat5 ক্যাবল ইউজ করেন। আবার সলিড কোর তামার তার ব্যবহার করা যায়।

ব্রেডবোর্ডের দাম কেমন?

ব্রেডবোর্ড বিভিন্ন সাইজের হয় এবং কোয়ালিটি ও সাইজ অনুযায়ী দামও কম-বেশি হয়। একদম ছোট মিনি ব্রেডবোর্ড ৫০-১০০ টাকা দামে পাওয়া যায় এবং স্ট্যান্ডার্ড সাইজের গুলো ১৫০-৩০০ টাকায় পাওয়া যায়। ভালো মানের গুলো দামে বেশী হয়।

ভালো ব্রেডবোর্ড কিভাবে চিনবো?

ভালো মানের ব্রেডবোর্ডে  পাওয়ার লাইনে কোনটা পজিটিভ কোনটা নেগেটিভ ইত্যাদি মারকিং করা থাকে। আর সব ব্রেডবোর্ডের নিচেই ডাবল সাইডেড টেপ লাগানো থাকে। যার কভারটা খুলে ব্রেডবোর্ডকে পার্মানেন্টলি কোনও জায়গায় ফিক্স করা যায়।

ব্রেডবোর্ড দিয়ে বেসিক ইলেকট্রনিক্স সার্কিটঃ

চলুন এবার ব্রেডবোর্ডে একটি সার্কিট বানাই। যেহেতু ব্রেডবোর্ডে এটি আমাদের প্রথম সার্কিট, তাই আমরা খুব সহজ ও কাজের একটি সার্কিট, ডার্ক ডিটেক্টর বানাবো। সার্কিটটি বানাতে আমাদের যেসব কম্পোনেন্ট লাগবে, তা হল -

কম্পোনেন্ট লিস্টঃ

১। BC547 ট্রানজিস্টর – ১টি
২। LDR – ১টি
৩। 5k/10k/50k/100k পটেনশিওমিটার
৪। 500Ω এর মধ্যে যেকোনো রেজিস্টর (অপশনাল)
৫। এলইডি

সার্কিট ডায়াগ্রামঃ

ব্রেডবোর্ড সার্কিট ডায়াগ্রাম
ব্রেডবোর্ড সার্কিট ডায়াগ্রাম



ব্রেডবোর্ডে সার্কিট টি যেমন দেখাবেঃ

সার্কিট ডায়াগ্রামটি ফলো করে ব্রেডবোর্ডে এভাবে কম্পোনেন্টগুলো বসিয়ে ফেলি –
ব্রেডবোর্ডে সার্কিট টি যেমন দেখাবে




এখানে জাম্পারের কানেকশনগুলো সবুজ দাগ দিয়ে বোঝানো হয়েছে। নিচের পাওয়ার লাইন গ্রাউন্ড লাইন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং উপরের পাওয়ার লাইন কে পজিটিভ লাইন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। LDR এর ওপর আলো না পড়লেই LED টি জ্বলে উঠবে এবং আলো পড়লেই LEDটি নিভে যাবে। পটেনশিওমিটার বা ভেরিয়েবল ঘুরিয়ে এর সেন্সিটিভিটি কনট্রোল করা যাবে।

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অক্টোবর ২০১৯ | Current Affairs October 2019 pdf Free Download

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অক্টোবর ২০১৯
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অক্টোবর ২০১৯
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অক্টোবর ২০১৯ pdf Free Download
স্ক্যান বাই বই ঘর
File size: 18.14MB
File: PDF



tag: কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অক্টোবর ২০১৯ pdf
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আগস্ট ২০১৯
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আগস্ট ২০১৯ pdf
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০১৯
কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০১৯ pdf download
current affairs bangladesh 2019 pdf
current affairs of bangladesh in bangla
professors current affairs bangladesh pdf free download 2019
general knowledge about bangladesh current affairs
recent general knowledge bangladesh 2019
current general knowledge of bangladesh
general knowledge bangladesh 2019 pdf

মাল্টিমিটার ব্যবহার করে কিভাবে ট্রানজিস্টর এর লেগ বের করার পদ্ধতি

মাল্টিমিটার ব্যবহার করে কিভাবে ট্রানজিস্টর এর বেজ, ইমিটার ও কালেক্টর লেগ বের করা

মাল্টিমিটার দিয়ে কিভাবে কোনো ট্রানজিস্টর এর বেজ, ইমিটার ও কালেক্টর (Base, Emitter & Collector) বের করা যায়? কিংবা আমার কাছে যে ট্রানজিস্টর টি আছে সেটি ভালো আছে কিনা তা মাল্টিমিটার দিয়ে কিভাবে বুঝবো? – এধরনের প্রশ্ন আমাদের ইলেকট্রনিক্সে প্রায় প্রতিদিনই আসে সহজ উপায়

সাধারণত ট্রানজিস্টর টির গায়ে যদি মডেল নাম্বার লেখা থাকবে কিংবা মডেল জানা থাকে, তাহলে গুগোলে সেটি লিখে সার্চ দিলেই ট্রানজিস্টর টির পিনআউট- অর্থাৎ কোন পিন বেজ, কোন পিন ইমিটার অথবা কালেক্টর জানা যায়। আবার ট্রানজিস্টর এর ডাটাশিটেও পিনআউট লেখা থাকে।

এই সহজ পদ্ধতির সমস্যা

কিন্তু প্রস্তুতকারক কোম্পানি প্যাকেজভেদে ট্রানজিস্টর এর পিনআউট অনেক সময়ই ভিন্ন রকম হয়। নিচের উদাহরণ টি দেখুন-

মাল্টিমিটার ব্যবহার করে কিভাবে ট্রানজিস্টর এর লেগ


চিত্রে 2N2222 ও BC547 ট্রানজিস্টর দুটির দুই রকম পিনআউট দেখানো হয়েছে। এখানে,

E = Emitter,

C = Collector ও

B = Base.

এসমস্ত ক্ষেত্রে নব্যহবিস্ট ও ইঞ্জিনিয়ারদের কে খুব বিপাকে পড়তে হয় এই ভেবে যে –“আমার কাছে যে ট্রানজিস্টরটি আছে সেটির লেগ কেমন। কোন পিন কে আমি বেজ, কালেক্টর, ইমিটার ধরে সার্কিটে লাগাবো?!! ভুলভাবে লাগালে তো সার্কিট কাজই করবে না!”

আবার কখনও কখনও ট্রানজিস্টরের গায়ে মডেল নাম্বার লেখা থাকেনা অথবা ইন্টারনেটে উক্ত ট্রানজিস্টর টির ডাটাশিট পাওয়া যায়না, তখন কী উপায়??

এসব ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় মাল্টিমিটার দিয়ে ট্রানজিস্টরের লেগ বের করবার। এর জন্য রেজিস্ট্যান্স বা ডায়োড মাপবার সুবিধা আছে এরকম একটি মাল্টিমিটার দিয়ে সহজেই পিনআউট বের করে নেয়া যায়।


ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের (Electrical Engineering) জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৭৫ টি ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

ট্রানজিস্টরের লেগ বের করাবার সুবিধা কী

এরফলে নিশ্চিত হওয়া যায় কোন লেগটি কী। কারন ডাটাশিট ও নেটে প্রাপ্ত তথ্য অনেক সময়ই বেশ জটিল ও বিভ্রান্তিকর। (উপরের 2N2222/BC547 ট্রানজিস্টরটির উদাহরণ দ্রষ্টব্য)

ট্রানজিস্টর টি ভালো আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

শুরু করবো কিভাবে

এনপিএন (NPN) বা পিএনপি (PNP) উভয় ক্ষেত্রেই আমরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো-

• প্রথমেই মাল্টিমিটার দিয়ে ট্রানজিস্টরটির বেজ নির্ণয় করতে হবে

• এরপর বাকি ২টি পা (কালেক্টর ও ইমিটার) নির্ণয় করতে হবে

মাল্টিমিটার দিয়ে কিভাবে ট্রানজিস্টরের লেগ বের করবো

এখন ধাপে ধাপে মাল্টিমিটার দিয়ে ট্রানজিস্টরের লেগ বের করবার পদ্ধতি বর্ণনা করবো। এখানে উল্লেখ্য যে এনপিএন এবং পিএনপি উভয় ধরনের ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রেই একই পদ্ধতির প্রয়োগ হবে। নতুনদের বুঝবার সুবিধার জন্য ধাপে ধাপে তা বর্ণনা করছি।

NPN ট্রানজিস্টরের পিনআউট বের করার ক্ষেত্রে

বেজ নির্নয়

মাল্টিমিটার এর সিলেক্টর নব কে রেজিস্ট্যান্স/ডায়োড মাপার জন্য সেট করতে হবে।

ট্রানজিস্টরের ৩টি প্রান্তের যেকোন একটি কে এনপিএন ট্রানজিস্টরের বেজ অনুমান করে পরীক্ষা করি। তারজন্য- মাল্টিমিটারের পজেটিভ (লাল রঙের) প্রোব ট্রানজিস্টরের ঐ বেজ অনুমানকৃত পায়ে লাগিয়ে নেগেটিভ প্রোব (কালো রঙের প্রোব) অন্য দুইটি লেগ/প্রান্তে পর্যায়ক্রমে ঠেকিয়ে দেখতে হবে।

একই পরীক্ষা ট্রানজিস্টরের অপর দুটি লেগের ক্ষেত্রেও করতে হবে। অর্থাৎ অপর ২টি লেগ কে “এনপিএন বেজ” অনুমান করে পরীক্ষা করতে হবে।

যদি-
উভয় লেগ/প্রান্তেই কিছু রেজিস্ট্যান্স দেখায় তাহলে আমাদের অনুমানকৃত ঐ কমন লেগটিই এই ট্রানজিস্টরের “বেজ”। (শর্ট হলে রেজিস্ট্যান্স একদম শূন্য দেখাবে)

কিন্তু যদি-
শুধু একটি পায়ে কিছু রেজিস্ট্যান্স দেখায় আর অন্য পা টিতে কোন কিছুই না দেখায় তাহলে ট্রানজিস্টরটি পিএনপি অথবা নষ্ট। সেটি জানার জন্য নিচে পিএনপি ট্রানজিস্টর পরীক্ষা অংশটি দেখুন।

আমার পরীক্ষিত ট্রানজিস্টটির বাম পায়ে লাল প্রোব এবং মাঝের পায়ে কালো প্রোব ধরলে পরে মাল্টিমিটার টিতে এই মান দেখিয়েছে

এবং, আবারো বাম পায়ে লাল প্রোব এবং ডান পায়ে কালো প্রোব ধরলে নিচের মান টি মাল্টিমিটারে দেখিয়েছে-

পিএনপি (PNP) ট্রানজিস্টরের লেগ বের করা

বেজ নির্ণয়

আগের মতোই মাল্টিমিটার এর সিলেক্টর নব কে রেজিস্ট্যান্স/ডায়োড মাপার জন্য সেট করতে হবে।

ট্রানজিস্টরের ৩টি প্রান্তের যেকোন একটি কে পিএনপি (PNP) ট্রানজিস্টরের বেজ অনুমান করে পরীক্ষা করতে হবে। তারজন্য- মাল্টিমিটারের নেগেটিভ (কালো রঙের) প্রোব ট্রানজিস্টরের ঐ বেজ অনুমানকৃত পায়ে লাগিয়ে পজেটিভ প্রোব (লাল রঙের প্রোব) অন্য দুইটি লেগ/প্রান্তে পর্যায়ক্রমে ঠেকিয়ে দেখতে হবে।

একই পরীক্ষা ট্রানজিস্টরের অপর দুটি লেগের ক্ষেত্রেও করতে হবে। অর্থাৎ অপর ২টি লেগ কে “এনপিএন বেজ” অনুমান করে পরীক্ষা করতে হবে। উপরে প্রদত্ত চিত্রের অনুরূপ কিন্তু প্রোব ২টি উলটো নিতে হবে।

কালেক্টর ও ইমিটার নির্ণয় করা

ট্রানজিস্টর এর বেজ নির্নয় করবার পরেই আসে অন্য দুটি লেগ কোনটি কি তা বের করবার। ডিজিটাল মাল্টিমিটার দিয়ে এটি বেশ সহজ কাজ।

বেজ থেকে উভয় লেগের রেজিস্ট্যান্স তুলনা করতে হবে মাল্টিমিটার দিয়ে।

যে লেগের রেজিস্ট্যান্স বেশি সেটি উক্ত ট্রানজিস্টরের ইমিটার।

অপরদিকে যে লেগের রেজিস্ট্যান্স কম দেখাবে সেটি কালেক্টর।

তবে এনালগ মাল্টিমিটারের ক্ষেত্রে এটি বেশ দূরূহ কাজ। কারন এই রেজিস্ট্যান্সের মান মাত্র কয়েক ওহম হয়। ফলে এনালগ মাল্টিমিটার এর কাঁটার পরিবর্তন তেমন বোঝা যায় না। কিছু চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে এটিকে আয়ত্ব করতে পারবেন। তবে সুখের কথা হলো, এখনকার প্রায় সব এনালগ মাল্টিমিটারেই ট্রানজিস্টর পরীক্ষা করবার আলাদা অপশন আছে।

আমার নির্ণয়কৃত ট্রানজিস্টর টি কি

উপরে আমার তোলা ছবিগুলো খেয়াল করলে দেখা যাবে যে-
 ট্রানজিস্টর টির বাম পায়ে লাল প্রোব (পজেটিভ) ধরলে বাকি ২ পায়েই রেজিস্ট্যান্স মাপতে পারছি। সুতরাং এটি একটি এনপিএন (NPN) টাইপ ট্রানজিস্টর। এবং বাম পা টিই বেজ।
 ট্রানজিস্টরটির বাম দিকের লেগ (বেজ) থেকে মাঝের লেগের রেজিস্ট্যান্স দেখাচ্ছে ৩৬২। অপরদিকে ডানদিকের লেগে মান দেখাচ্ছে ৩৬৮ যা একটু বেশি।

সুতরাং আমার ট্রানজিস্টরটির মাঝের লেগ টি কালেক্টর এবং ডানদিকের লেগ টি ইমিটার

মনে রাখার সহজ উপায়

ট্রানজিস্টর কিভাবে কাজ করে সেটি জানলে এই বিষয়টি বোঝা অনেক সহজ। 
নিচে সংক্ষেপে দিচ্ছি-
 এনপিএন (NPN) ট্রানজিস্টরের বেজ এ পজেটিভ প্রোব ধরলে বাকি ২টি লেগ এ রেজিস্ট্যান্স দেখাবে। নেগেটিভ প্রোব ধরলে দেখাবে না।
 পিনপি (PNP) ট্রানজিস্টরের বেজ এ নেগেটিভ প্রোব ধরলে বাকি ২টি লেগ এ রেজিস্ট্যান্স দেখাবে। পজেটিভ প্রোব ধরলে দেখাবে না।
 কোন কারনে যদি পজেটিভ ও নেগেটিভ উভয় প্রোব ধরলেই রেজিস্ট্যান্স দেখায় তাহলে বুঝতে হবে ট্রানজিস্টরটি নষ্ট। অথবা কোন প্রোব দিয়েই রেজিস্ট্যান্স দেখাচ্ছে না, কিংবা কোন কমন লেগ (বেজ) বের করা যাচ্ছে না সেক্ষেত্রেও ধরে নেয়া যায় ট্রানজিস্টরটি নষ্ট।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের (Diploma Engineer) বিদেশে উচ্চ শিক্ষা ও চাকরি পেতে করণীয়


ডিপ্লোমা করার পর বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন অনেকেই বিদেশে যাচ্ছে তার কারন বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি গুলোর লোভনীয় বেতন। আমাদের দেশে একজন ইন্জিনিয়ার বেতন পায় ৭ থেকে ১৫ হাজারের মত , অথচ দেশের বাইরে পায় লাখের উপরে।
কিন্তু অনেক ইন্জিনিয়ার পড়ছে দালালের থাবায় ভালো বেতন তো দুরের কথা ঠিক মত কাজ পাওয়া টা কঠিন হয়ে পড়ে ।যাই তার মূল কারন এখানে আলোচনা করুনব ।

বাংলাদেশে থাকতে ইন্জিনিয়ারের করুননীয়:


  • প্রথমে আপনার মূল সার্টিফিকেট কারিগরি বোর্ডে সত্যায়িত করতে হবে ।
  • তারপর সার্টিফিকেট শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে সত্যায়িত করতে হবে
  • তারপর সার্টিফিকেট টি পর রাষ্ট্র মন্ত্রনালেয় সত্যায়িত করতে হবে
  • সব শেষে আপনি যে দেশে যাবেন সেই দেশের এমবাসি তে সত্যায়িত করতে হবে
সত্যায়িত হয়ে গেলে আপনার কাজ শেষ সার্টিইফিকেট টি পেলে তা যে দেশে যাবেন সেখানে পাঠিয়ে দিন

প্রতারনার হাত থেকে বাঁচতে করুননীয়:

আমি অনেক দিন ওমানে চাকরি করেছি সাইট ইন্জিনিয়ার হিসাবে তাই আমি দেখেছি বাংলাদেশি ইন্জিনিয়ারদের কি অবস্থা । কারন ওমানে ,ডুবাই য়ে অনেক কেরেল্লা ( ইন্ডিয়ান ) ইন্জিনিয়ার আছে যে তারা ঘুমাইলেও বেতন পায় ।
তার কিছু কারন আমি তুলে ধরছি:
  • একজন মানুষের যখন ভিসা বাহির হয় তার সাথে এগ্রিমেন্ট পেপার সহ থাকে
  • এগ্রিমেন্ট পেপারে ইন্জিনিয়ার বা লেবার হলেও কত টাকা বেতন পাবে সকল সুবিধা কত বছরের কন্ট্রাক্ট তা লিখা থাকে ।
প্রত্যেকটি বাংলাদেশি কে এখানেই ঠকায় কারন কোন বাংলাদেশী ইন্জিনিয়ারের যখন কোন ভিসা দেশে পাঠানো হয় তখন এগ্রিমেন্ট পেপার দেওয়া হয়না । ওমান বা দুবাইয়ে ৯০ % কোম্পানি (নামে মাত্র) ইন্জিনিয়ার বাংলাদেশ থেকে নেয় ভিসা বাহির করে বিক্রি করার জন্য । কারন একজন ইন্জিনিয়ার শো করলে ১০-১৫ টি মেশন কার্পেন্টার এর ভিসা পাওয়া যায় ।ভিসা পেলে তারা বিক্রি করে পরে ইন্জিনিয়ারকে দেশে পাঠিয়ে দেয় । তখন ইন্জিনিয়ার ও নিরুপায় কারন তার কাছে কোন এগ্রিমন্ট পেপার নেই । যদি এগ্রিমন্ট পেপার থাকত তাহলে পেপার দিয়ে কেস করলে মালিক ২ বছরের বেতন দিয়ে দেশে পাঠাতে হবে । আর ইন্ডিয়ান ইন্জিনিয়ার ঘুমাইলেও বেতন পায় কেন তা একটু বলি।কারন তারা যখন দেশের বাইরে আসে তখন ইন্ডিয়ান এমবাসিতে কন্ট্রাক্ট করে আসে যদি তারা ফেরত যায় তাহলে তাদের কে যতটাকা এগ্রিমেন্ট পেপারে চুক্তি থাকবে তত টাকা ফেরত দিতে হয় ।
ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা টিপস যে গুলো কাজে লাগতে পারে আপনার বাস্তব জীবনে

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের বিদেশে উচ্চ শিক্ষার বৃত্তি পেলে করুনণীয় :
যখন আপনি ভিসা পাবেন তখন এগ্রিমেন্ট পেপার চাইবেন না হয় যখন কন্ট্রাক্ট হবে তখন বলবেন এগ্রিমেন্ট পেপারের কথা । আপনাকে দিয়ে যদি এমন ধান্দা করার চিন্তা ভাবনা থাকে দেখবেন দালালটি কেটে পড়ছে ।
কত টাকা লাগবে বিদেশে যেতে :আপনাকে যখন প্রস্তাব দিবে তখন টাকা চাইতে পারে । কিন্তু একজন ইন্জিনিয়ার দেশের বাইরে গেলে ভিসা প্রসেসিং খরচ ফ্লাইট ভাড়া (সব খরচ ) কোম্পানি বহন করবে







 ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ নিচে দেওয়া হল


  • DPC-Damp proof course.

 • RCC-Reinforced cement concrete.

 • R.B.W- Reinforced brick work.

 • C.I.Sheet-Corrugated Iron sheet.

 • C.I.Pipe -Cast iron pipe.

 • NCF-Neat cement finishing.

 • SWG-Standard wire gauge.

 • MB-Measurement book.

 • GP-Ground plane.

 • VP-Vertical plane.

 • HP-Horizontal plane.

 • CP-Cement plaster.

 • LC-Lime concrete.

 • CC-Cement concrete.

 • AC-Asbests cement.

 • CS-Comparative statement.

 • PERT-Programme Evaluation and Review Technique.

 • CPM-Critical path method .

 • USD-Ultimate strength design.

 • W.S.D-Working stress design.

 • BNBC-Bangladesh national building code.

 • PL-Plinth level.

 • GL-Ground level.

 • EGL-Existing ground level.

 • OGL-Original ground level .

 • FGL-Formation ground level.

 • HFL-Highest flood level.

 • RL- Reduced level.

 • A.C.I-American concrete institute.

 • A.A.S.H.O- American Association of state highway official.

 • A.R.E.A-American Railway engineering association.

 • A.S.T.M-American society for testing materials .

 • B.S.I-Bangladesh standard institute.

 • B.S.T.I-Bangladesh standard testing institute.

 • ISI-Indian standard institute.

 • W.C-Water closet.

 • B.M-Bending moment.

 • L.L-Live load.

 • D.L-Dead load.

 • E.L-Environmental load.

 • U.S.C-Ultimate stress of concrete.

 • A.S.C-Allowable Stress of concrete.

 • F.M-Findness modulas.

 • B.M-Bench mark .

 • PVC- Poly vinyl choloride .

 • UPVC- Unplasticized Poly vinyl choloride.

 • PPR - Poly Propylene Random   

250+ বাংলা যুক্তবর্ণ । বাংলা সকল যুক্তবর্ণ শব্দের তালিকা

বাংলা যুক্তবর্ণ
বাংলা যুক্তবর্ণ
250+ বাংলা যুক্তবর্ণ 

1. ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
2. ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
3. ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
4. ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
5. ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
6. ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
7. ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
8. ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
9. ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
10. ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
11. ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
12. ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
13. ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
14. ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
15. ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
16. ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
17. ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
18. খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
19. খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
20. গ্‌ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্‌ণ
21. গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
22. গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
23. গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
24. গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
25. গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
26. গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
27. গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
28. গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
29. গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
30. গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট
31. গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
32. ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
33. ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
34. ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
35. ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
36. ঙ্‌ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্‌ক্তি
37. ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
38. ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
39. ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
40. ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
41. ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি
42. ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
43. ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
44. ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
45. ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
46. চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
47. চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
48. চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
49. চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
50. চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
51. চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
52. চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
53. জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
54. জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
55. জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
56. জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
57. জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
58. জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
59. জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
60. ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
61. ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
62. ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
63. ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
64. ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
65. ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
66. ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
67. ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
68. ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
69. ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
70. ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
71. ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
72. ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
73. ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্‌গ
74. ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
75. ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য: অত্যন্ত বিরল)
76. ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
77. ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
78. ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
79. ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
80. ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
81. ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
82. ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
83. ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
84. ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
85. ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
86. ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
87. ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
88. ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
89. ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
90. ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
91. ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
92. ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
93. ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
94. ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
95. ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
96. ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
97. ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
98. ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
99. ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
100. ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
101. থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
102. থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
103. থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
104. দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
105. দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
106. দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
107. দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা
108. দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ
109. দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান
110. দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত
111. দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত
112. দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম
113. দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য
114. দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র
115. দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য
116. ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু
117. ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি
118. ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান
119. ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য
120. ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব
121. ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
122. ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
123. ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন
124. ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড
125. ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড
126. ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত
127. ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা
128. ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য
129. ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র
130. ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য
131. ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ
132. ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
133. ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ
134. ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য
135. ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব
136. ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র
137. ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ
138. ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য
139. ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র
140. ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন
141. ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি
142. ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়
143. ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য
144. প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
145. প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত
146. প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন
147. প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা
148. প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য
149. প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র
150. প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
151. প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত
152. প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা
153. ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিকা, রেফ্রিজারেটর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
154. ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
155. ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ
156. ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ
157. ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ
158. ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা
159. ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য
160. ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ
161. ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ
162. ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা
163. ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য
164. ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র
165. ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন
166. ম্প = ম + প; যেমন- কম্প
167. ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি
168. ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ
169. ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব
170. ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
171. ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ
172. ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম
173. ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান
174. ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য
175. ম্র = ম + র; যেমন- নম্র
176. ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল
177. য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য
178. র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক
179. র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক দিয়ে যার সমাধান হয় না)
180. র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)
181. র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য
182. র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)
183. র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য
184. র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)
185. র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য
186. র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য
187. র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক
188. র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য
189. র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য
190. র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য
191. র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য 192. র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ
193. র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ
194. র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ
195. র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ
196. র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা
197. র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা
198. র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন
199. র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝর
200. র্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, কম্ফর্টার, শার্ট, কার্টিজ, আর্টিস্ট, পোর্টম্যানটো, সার্টিফিকেট, কনসার্ট, কার্টুন, কোয়ার্টার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
201. র্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার, কার্ড (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
202. র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ
203. র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত
204. র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী
205. র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ
206. র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়
207. র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা
208. র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র
209. র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ
210. র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব
211. র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম
212. র্প = র + প; যেমন- দর্প
213. র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
214. র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ
215. র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম
216. র্য = র + য; যেমন- আর্য
217. র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ
218. র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ
219. র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব
220. র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ
221. র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স, পার্সেল, কুর্সি (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
222. র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য
223. র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)
224. ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক
225. ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য
226. ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা
227. ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো
228. ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
229. ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প
230. ল্‌ফ = ল + ফ; যেমন- গল্‌ফ (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
231. ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব
232. ল্‌ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্‌ভ
233. ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম
234. ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য
235. ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস
236. শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ
237. শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ
238. শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন
239. শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব
240. শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম
241. শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য
242. শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র
243. শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল
244. ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক
245. ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়
246. ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
247. ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য
248. ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র
249. ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
250. ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত
251. ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ
252. ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
253. ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন
254. ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল
255. ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা
256. ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম
257. ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য
258. স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা
259. স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
260. স্খ = স + খ; যেমন- স্খলন
261. স্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
262. স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইক (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
263. স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত
264. স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক
265. স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ
266. স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী
267. স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ
268. স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য
269. স্ন = স + ন; যেমন- স্নান
270. স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা
271. স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
272. স্প্‌ল = স + প + ল; যেমন- স্প্‌লিন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
273. স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন
274. স্ব = স + ব; যেমন- স্বর
275. স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ
276. স্য = স + য; যেমন- শস্য
277. স্র = স + র; যেমন- অজস্র
278. স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান
279. হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ
280. হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন
281. হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান
282. হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ
283. হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য
284. হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ
285. হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ
286) হৃ = হ + ৃ ; যেমন- হৃদয়, ব্যবহৃত

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন জয়কলি প্রকাশনী PDF

tag: বাংলা যুক্তবর্ণ কীবোর্ড, বাংলা যুক্তবর্ণ টাইপিং, বাংলা যুক্তবর্ণ pdf download, বাংলা যুক্তবর্ণের তালিকা pdf, কম্পিউটারে বাংলা যুক্তবর্ণ লেখার নিয়ম, যুক্তবর্ণ শব্দ, যুক্তবর্ণ ম্ন দিয়ে শব্দ, যুক্তবর্ণ দিয়ে বাক্য গঠন, বাংলা যুক্তবর্ণ তালিকা, বাংলা যুক্তবর্ণ pdf, বাংলা যুক্তবর্ণ (সকল কী-বোর্ড), বাংলা যুক্তবর্ণ লেখার নিয়ম, বাংলা যুক্তবর্ণ শিক্ষা, বাংলা যুক্তবর্ণ টাইপিং, বাংলা যুক্তবর্ণ সমূহ, বাংলা যুক্তবর্ণ কিবোর্ড, বাংলা যুক্তবর্ণ কীবোর্ড, বিজয় বাংলা কিবোর্ড যুক্তবর্ণ, বাংলা যুক্তবর্ণ টাইপ, বাংলা টাইপের যুক্তবর্ণ, বাংলা ব্যাকরণ যুক্তবর্ণ

পদ্মা সেতু সম্পর্কে অতি প্রয়োজনীয় কিছু প্রশ্ন ও উত্তর (চাকরির জন্য প্রশ্ন)

পদ্মা সেতু সম্পর্কে
পদ্মা সেতু নিয়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর নিচে দেয়া হল  যা চাকরী বা অন্য যে কোন পরীক্ষার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ।

বাংলাদেশ বিষয়াবলী বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর

 ১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কী?
 উত্তর : পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
 উত্তর : ৬.১৫ কিলোমিটার।

৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
 উত্তর : ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।

 ৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন হবে কোথায়?
 উত্তর : নিচ তলায়।

৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
 উত্তর : ৩.১৮ কিলোমিটর।

৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
 উত্তর : দুই প্রান্তে ১৪ কিলোমিটার।

৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন হয়েছে কত কিলোমিটার?
 উত্তর : দুই পাড়ে ১২ কিলোমিটর।

৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় কত?
 উত্তর : মূল সেতুতে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় কত?
 উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কতজন?
 উত্তর : প্রায় ৪ হাজার।

১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
 উত্তর : ৮১টি।

১২. প্রশ্ন : পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত?
 উত্তর : ৬০ ফুট।

১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?

 উত্তর : ৩৮৩ ফুট।

১৪. প্রশ্ন : প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি?
 উত্তর : ৬টি।

১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত?
 উত্তর : ২৬৪টি।

 ১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে কবে?
 উত্তর : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে।

১৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে কী কী থাকবে?
 উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।

 ১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ধরন কেমন?
 উত্তর : দ্বিতলবিশিষ্ট এই সেতু কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হবে।

 ১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা কত?
 উত্তর : ৪২টি।

 ২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির নাম কী?
 উত্তর : চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।

আরও জেনে নিন 
বাংলাদেশ সংবিধান নিয়ে ১০০ টি প্রশ্ন।

1) বাংলাদেশে কোন ধরনের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রচলিত?
উঃ- সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।
2) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি?
উঃ- সংবিধান।
3) কোন দেশের কোন লিখিত সংবিধান নাই?
উঃ- বৃটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন ও সৌদি আরব।
4) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোনদেশের?
উঃ- ভারত।
5) বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান কোন দেশের?
উঃ- আমেরিকা।
6) বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনয়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয় কবে?
উঃ- ২৩ মার্চ, ১৯৭২।
7) বাংলাদেশের সংবিধান কবে উত্থাপিত হয়?
উঃ- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২।
8) গনপরিষদে কবে সংবিধান গৃহীত হয়?
উঃ- ০৪ নভেম্বর,১৯৭২।
9) কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ হয়?
উঃ- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
10) বাংলাদেশে গনপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
উঃ- ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
11) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়?
উঃ- ৩৪ জন।
12) সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
উঃ- ডঃ কামাল হোসেন।
13) সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্রমহিলা সদস্য কে ছিলেন?
উঃ- বেগম রাজিয়া বেগম।
14) বাংলাদেশ সংবিধানের কয়টি পাঠ কয়েছে?
উঃ- ২ টি। বাংলা ও ইংরেজি।
15) কি দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান শুরু ও শেষ হয়েছে?
উঃ- প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু ও ৭টি তফসিল দিয়ে শেষ।
16) বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ আছে?
উঃ- ১১ টি।
17) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ/ধারা কতটি?
উঃ- ১৫৩ টি।
18) বাংলাদশের প্রথম হস্তলেখা সংবিধানের মূল লেখক কে?
উঃ- আবদুর রাউফ।
19) প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কোন কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম?
উঃ- প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।
20) রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল কত বছর?
উঃ- কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।
21) একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন কত মেয়াদকাল?
উঃ- ২ মেয়াদকাল।
22) কার উপর আদালতের কোন এখতিয়ার নেই?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
23) জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
উঃ- স্পিকার।
24) রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন?
উঃ- স্পিকারের উদ্দেশ্যে।
25) প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
26) এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
27) সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে কতটি?
উ:১২টি।
28) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?
উঃ- সুপ্রীম কোর্ট।
29) সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ আছে?
উঃ- ২টি । আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
30) সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের মেয়াদকাল কত?
উঃ- ৬৭ বছর পর্যন্তু।
31) বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম মূলনীতি কি ছিল?
উঃ- ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র।
32) কোন আদেশবলে সংবিধানের মূলনীতি “ধর্মনিরপেক্ষতা” বাদ দেয়া হয়?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
33) কোন আদেশবলে সংবিধানের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সন্নিবেশিত হয়?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
34) কোন আদেশবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
35) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” নিশ্বয়তা দেয়া আছে?
উঃ- ১১ অনুচ্ছেদ।
36) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “কৃষক ও শ্রমিকের” মুক্তির কথা বলা আছে?
উঃ- ১৪ অনুচ্ছেদ।
37) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ” এর কথা বলা হয়েছে?
উঃ- ২২ অনুচ্ছেদ।
38) “সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের
অধিকারী” বর্ণিত কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ২৭ অনুচ্ছেদে।
39) জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩২ অনুচ্ছেদে।
40) গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত রক্ষাকবচের কোন অনুচ্ছেদ?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৩ অনুচ্ছেদে।
41) জবরদস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৪ অনুচ্ছেদে।
42) চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৬ অনুচ্ছেদে।
43) সমাবেশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৭ অনুচ্ছেদে।
44) সমিতি ও সংঘ গঠনের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৮ অনুচ্ছেদে।
45) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।
46) বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯(২) ক অনুচ্ছেদে।
47) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯ (২) খ অনুচ্ছেদে।
48) পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪০ অনুচ্ছেদে।
49) ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪১ অনুচ্ছেদে।
50) সম্পত্তির অধিকারের কথা বর্ণিত হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪২ অনুচ্ছেদে।
51) স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উঃ- ৭৪ অনুচ্ছেদ।
52) ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত কথা বলা হয়েছে?
উঃ- ৭৭ অনুচ্ছেদে।
53) জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল আইন কবে পাস হয়?
উঃ- ১৯৮০ সালে।
54) বাংলাদশের সংবিধানের এ পর্যন্তু মোট কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?
উঃ- ১৬ টি।
55) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে জারী করা হয়?
উঃ- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫।
56) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে বাতিল করা হয়?
উঃ- ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬।
58) বাংলাদেশের আইন সভার নাম কি?
উঃ- জাতীয় সংসদ।
59) জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর কবে স্থাপন করা হয়?
উঃ- ১৯৬২ সালে।
60) জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
উঃ- লুই আই কান।
61) লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক?
উঃ- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
62) জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার কে?
উঃ- হ্যারি পাম ব্লুম।
63) জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হয় কবে?
উঃ- ১৯৬৫ সালে।
64) জাতীয় সংসদ ভবনের ভূমির পরিমান
কত?
উঃ- ২১৫ একর।
65) জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়?
উঃ- ২৮ জানুয়ারী, ১৯৮২।
66) জাতীয় সংসদ ভবন কত তলা বিশিষ্ট?
উঃ- ৯ তলা।
67) জাতীয় সংসদ ভবনের উচ্চতা কত?
উঃ- ১৫৫ ফুট।
68) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের
প্রতীক কি?
উঃ- শাপলা ফুল।
69) জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
উঃ- রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
70) বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?
উঃ- ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮২।
71) বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা কতটি?
উঃ- ৩৫০ টি।
72) বাংলাদেশের সংসদের সাধারন নির্বাচিত আসন সংখ্যা কতটি?
উঃ- ৩০০ টি।
73) সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা কতটি?
উঃ- ৫০ টি।
74) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
উঃ- পঞ্চগড়-১।
75) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোনটি?
উঃ- বান্দরবান।
76) জাতীয় সংসদের কাস্টি ভোট বলা হয়?
উঃ- স্পিকারের ভোটকে।
77) সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও
পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ব্যবধান কতদিন?
উঃ- ৬০ দিন।
78) গণতন্ত্র ও মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার বলবৎকরন কোন কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
উত্তর: যথাক্রমে ১১ ও ৪৪ অনুচ্ছেদ।
79) সাধারন নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ অধিবশন আহবান করতে হবে?
উঃ- ৩০ দিন।
80) সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
81) সংসদ অধিবেশনের কোরাম পূর্ন হয় কত জন সংসদ হলে?
উঃ- ৬০ জন।
82) সংবিধান সংশোধনের জন্য কত সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়?
উঃ- দুই-তৃতীয়াংশ।
83) একাধারে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়?
উঃ- ৯০ কার্যদিবস।
84) গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে?
উঃ- শাহ আব্দুল হামিদ।
85) গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে?
উঃ- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।
86) এ দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস কবে থেকে চর্চা শুরু হয়?
উঃ- ১৯৩৭ সালে।
87) কোন কোন বিদেশী প্রথম জাতীয়
সংসদে ভাষণ দেন?
উঃ- যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট
মার্শাল জোসেফ টিটো-৩১ জানু, ১৯৭৪
এবং ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি.ভি.
গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।
88) বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নির্বাচিত একজন সদস্য নিজেই নিজের শপথ বাক্য পাঠ
করিয়েছেন, তিনি কে?
উঃ- এডভোকেট আবদুল হামিদ।
89) নির্বাচন কমিশন কার সমমর্যাদার অধিকারী?
উঃ- সুপ্রীম কোর্ট।
90) বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?
উঃ- বিচারপতি এম ইদ্রিস।
91) বাংলাদেশের বর্তমান প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?
উঃ- কে এম নুরুল হুদা
92) নির্বাচন কমিশন কেমন প্রতিষ্ঠান?
উঃ- স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
93) “তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল” কবে সংসদে পাশ হয়?
উঃ- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
94) বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?
উঃ- সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)।
95) এডভোকেট আবদুল হামিদ বাংলাদেশের কততম প্রেসিডেন্ট?
উঃ- ২০তম।
96) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
উঃ- তাজউদ্দিন আহমেদ।
97) শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
উঃ- ১৪ তম।
98) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হবে?
উঃ- ৩৫ বছর।
99) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?
উঃ- ২৫ বছর।
100) জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?
উঃ- ২৫ বছর।


সংকলনে: মাসুদ মুস্তাফিজ (বিসিএস শিক্ষা)

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম ৩০ সেকেন্ডে নজর কাড়ুন, নইলে পরেরটির প্রস্তুতি নিন

আমরা দুই ধনরেন মানুষকে মনে রাখি, প্রথমত যারা সুখ্যাতিতে বিখ্যাত অথবা যারা কুখ্যাত। বিখ্যাত এবং কুখ্যাত এর মাঝের লোকের সংখ্যাই বেশি এবং এদের কেউ মনে রাখে না। একটা জব ইন্টরভিউতেও ঠিক যেসব প্রার্থীরা আসে তাদের মধ্যে সব থেকে ভাল যারা করে তাদের নিয়ে ভাবা হয়, সব থেকে খারাপ যারা করে তাদের নিয়েও কিছু আলোচনা হয়, বিশ্বাস করুন গড়ের যারা তাদের নিয়ে ভাবার সময় কারো থাকে না। এই আর্টিকেলে আমি নিজের চাকুরীর ইন্টারভিউ দিতে যাবার অভিজ্ঞতা, দীর্ঘদিন নিজে ইন্টারভিউ নেয়ার অভিজ্ঞতা এবং ইন্টারনেটের বিভিন্ন আর্টিকেল সংমিশ্রন করে ইন্টারভিউ বোর্ডে কেন কাউকে সিলেক্ট করে সেসব বিষয়ে ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব। অভিজ্ঞতা ব্যাপারটি যেমন ভিন্ন তেমনি এই লেখার সাথে কারো দ্বিমত থাকতে পারে, বা এটাকে আমি একমাত্র উপায় বলছি না, হতে পারে এর বাইরেও ধারনা আছে।

ইন্টারভিউ সংক্রান্ত ভয়ঃ
যে কেউ যে কাউকে ইন্টরভিউ বোর্ড কিভাবে ফেস করতে হবে তার উপদেশ পরামর্শ দিতে পারবে, তাতে সে যদি নিজে জীবনে কোন ইন্টারভিউতে সফল হতে নাও পারে। জ্ঞান পরামর্শ বিলি করাটা যতটা কঠিন তার থেকে বাস্তবে করাটা কঠিন। প্রথমত নার্ভাসনেস আপনাকে গ্রাস করবে, আপনি ছাড়া যাকে দেখবেন তাকেউ মনে হবে আপনার থেকে মনে হয় বেশি যোগ্য। আমি ২০০৯ সালে জীবনে প্রথম জবের ইন্টারভিউ দেই, নিজের প্রতিষ্ঠান খুলনা শহরে রেখে ঢাকায় যখন পড়তে যাই তখন মনে হল টুকটাক আয় করলে খরচটা চালানো সহজ হবে। প্রথম পড়লাম চিটিংবাজদের খপ্পরে যারা জবের কথা বলে আগে ট্রেনিং দেবে বলে টাকা দাবী করে বসল। সেই ইন্টারভিউ বোর্ডে ইংরেজিতে দুয়েকলাইন বলতে গিয়ে ঘেমেটেমে একাকার, এরপর জবের দুটি ইন্টারভিউ দেই যা কেবল তাদের নিয়োগ পদ্ধতি কেমন সেটা বুঝতে, তো এ ব্যাপারে জব পাওয়া না পাওয়া সংক্রান্ত কোন টেনশন ছিল না, ছিল ঘটনা কি সেটা দেখার। তো বিনা মানসিক চাপে ‍দুটিই বেশ ভাল হয়েছিল, সর্বশেষ একটিতে ৬ ডিজিটের বেতন অফার পেয়েছিলাম। মোটামুটি এতটুকু বুঝলাম যে অনেক ভাল ক্যান্ডিটেড কেবল নার্ভাসনেস থাকার জন্য গুলিয়ে ফেলে প্রথম ৩০ সেকেন্ড নিজেকে পজেটিভলি প্রেজেন্ট করতে পারেন না এবং খারাপ করেন। দেখুন একটি জব না হলে আপনি মারা যাবেন না বা যিনি ইন্টারভিউ নেবেন তার হাতে পিস্তল নেই যে ভুল করলে ‍গুলি করবে। ইন্টারভিউ আপনার জন্য পুলসিরাত না যে এটাই শেষ খেলা, আর সুযোগ নেই। ভয় কাটাতে পারলে ইন্টরভিউ বোর্ডে রক এন রোল করার প্রথম ধাপ পার করে ফেল্লেন।

সফল ক্যারিয়ার ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার টিপস

বার বার রিজেক্টেড চরম হতাশাঃ
আপনি যদি বার বার ইন্টারভিউ বোর্ড থেকে বাদ পড়েন ধরে নিতে হবে আপনি গড়ের লেভেলে আছেন, চমক দেখাতে পারছেন না। আমাদের মাঝে অনেকে আছেন যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভাল, ভাল বিশ্ববিদ্যালয়, ভাল রেজাল্ট, জবে যা চাওয়া হয়েছে সব আছে। ভাল সিভি বলেই শর্টলিষ্টে থাকনে, এরপর বোর্ডে বাদ পড়ে যান। এই আর্টিকেল লেখার দিন কলেজে একজন CSE বিভাগের লেকচারার নিয়োগের ইন্টারভিউ নিচ্ছিলাম, সেখানে ১টি পদের বিপরীতে যে ৫ জনকে শর্টলিষ্ট করা হয়েছিল তারা সবাই সিভির দিক থেকে সমান কিন্তু ইন্টারভিউ বোর্ডে আকাশ-পাতাল ব্যাবধান হল। প্রথমত, যারা প্রথম কিছু সময়ে নজর কাড়তে পারেন না তাদের কমিউনিকেশন স্কিল বিশেষ করা কথা বলার দক্ষতা ব্যাপক ঘাটতি, আর যারা ভাল করেন তাদের কমিউনিকেশন স্কিল উন্নত। অনেক প্রার্থী পেয়েছি যারা বিষয়ভিত্তিক নলেজ কম তবু কথাবার্তা দিয়ে ভালই চালিয়ে যান। সুতরাং এই একটি যোগ্যতা যদি আপনার চমৎকার থাকে তাহলে ইন্টারভিউবোর্ডে নিজেকে প্রথম ২০-৩০ সেকেন্ডর মধ্যে আপনি সবার নজরে আনতে পারবেন। একটা গবেষণা বলছে ৬৩% বস প্রথম ৯০ সেকেন্ড সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন কোন আপনাকে সিলেক্ট করা হবে কি না?! ‍সুতরাং আপনার হাতে বেশ কম সময় থাকে নিজেকে প্রমান করার জন্য। বিশ্বাস করুন আপনি ইন্টরনেট ঘাটলে লক্ষ লক্ষ কন্টেন্ট পাবেন কিভাবে ইন্টারভিউ বোর্ড ভাল করার যায় কিন্তু যদি আপনি কথা বলা ও কমিউনিকেট করতে না পারেন সেসব ‍গুলে খাওয়ালেও আপনি ভাল করতে পারবেন না। তো হতাশা থেকে বের হতে চাইলে নিজের কমিউনিকেশন (যোগাযোগ) দক্ষতা ডেভলপ করুন। বাস্তবতা হল এসব কিন্তু হুট করে ডেভলপ করা যায় না, পাবলিক স্পীকার বা মটিভেশনাল স্পীকারদে কথা শুনে একদিন বা ১ মাসে শেখার জিনিস না। এটা দীর্ঘ সময়ে একটা অভ্যাস ও চর্চার ফলে তৈরি হবে। যখন ছাত্র ছিলেন তখন যদি বিভিন্ন কো-কারিকুলার প্রোগ্রমে অংশগ্রহন করেন, মানুষের সাথে ইন্ট্যারাক্ট করার অভ্যেস থাকে তাহলে জিনিসটা সহজে হবে। যারা ছাত্র আছেন তারা নিজেদের একটা মোবাইল আর একটা ঘরে আবদ্ধ না রেখে মানুষের সাথে ইন্ট্যারাক্ট করার অভ্যেস করুন।

ভয় এবং হতাশা এই দুটি জিনস থেকে বের হয়ে কিছু প্রস্তুতিমূলক পরামর্শ দিলাম যা না করার ফলে আপনি জব ইন্টারভিউতে ভাল করতে পারছেন না। এগুলো করলে নিশ্চিত আপনি আগের থেকে ভাল পারফর্ম করবেনঃ

১. যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন তাদের সম্পর্কে একটু রিসার্চ করেন, তাদের খোজ খবর ইন্টারনেটে নিন, ওয়েবসাইট বা ফেসবুক/লিংকডইন পেজ ঘাটাঘাটি করুন। তাহলে ইন্টারভিউ দেয়ার সময় মনে হবে প্রতিষ্ঠানটি আপনার কাছে পরিচিত। দয়া করে চাকুরীর সার্কুলারে দেয়া জব ডেসক্রিপশন বা কি কি দায়ীত্ব পালন করতে হবে সেটা পড়ুন, বুঝুন যে সেই সংক্রন্ত কাজ নিয়ে প্রশ্ন করলে কিভাবে উত্তর দেবেন।

২. যুদ্ধের প্রস্তুতির নেয়ার সময় যেমন সৈনিক তার পোশাক অস্ত্র এসব সাজিয়ে নেয় আগেই। তেমনি আপনাকে কি পরিধান করে যাবেন, সিভি, একটা পেন, অন্যান্য পেপারস, এসব সাজিয়ে নিন। ধরুন আপনি বিরাট একটা ব্যাগ নিয়ে ঢুকে গেলেন বা লাল রঙের একটা ফাইল বা ২ টাকা দামের একটা স্বচ্ছ ফাইলে সিভি নিলেন এর কোনটি আপনার ইমপ্রেশন ভাল করবে না। আপনার বেষ্ট পোষাকটি পড়ুন (ফরমাল), গায়ে ঘামের গন্ধ আছে কি না খেয়াল রাখুন, অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে না যাওয়ার চেষ্টা করুন। চুল দাড়ি, নিজের লুক ঠিক করে যাবেন, প্রয়োজনে ফেসিয়ালে করে যাবেন। হ্যা সত্যি, সবার মাঝে যদি নিজেকে পরিপাটি দেখাতে পারেন হতে পারে সেটাই আপনার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

৩. হাসিমুখ, আইকন্ট্যাক্ট ঠিক রাখুন। ধরুন মারাত্নক জ্যাম ঠেলে, বাসে হেল্পারের সাথে মারামারি করে ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন ১০ টায়, দুপুর হয়ে গেছে এরপরও কোম্পানীর বস আসে না, এরকম অবিবেচক লোকের খপ্পরে পড়লেন, মেজাজ বিগড়ে আছে, সেটা বোর্ডে যেন প্রকাশ না পায়। আপনাকে দেখে যেন মনে হয় বেশ খোশ মেজাজে আছেন। নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলা বা অন্য দিকে তাকালে কাজ হবে না। ইন্টারভিউয়ারের সাথে আইকন্ট্যাক্ট রাখুন। ইমোশন বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

৪. ইন্টারভিউ বোর্ডে যারা আছে তাদের ১-২টা প্রশ্নে তাদের বোঝার চেষ্টা করুন। তাদের মোড কি কি চাচ্ছে সেসব। সম্ভব হলে কোম্পানীর যারা ইন্টারভিউ নেবে তাদের সম্পর্কে খোজ খবর নিয়ে যান, তাহলে তাদের মত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলে সম্ভাবনা ৮০% বেড়ে যাবে যা পরিক্ষীত।

৫. কৃত্তিমতা লুকাতে হবে, হ্যা অনেকসময় চাকুরী পাবার জন্য আপনার নিজের পছন্দ না হলেও একটা জবে আবেদন করেছেন। জিজ্ঞেস করেছে এই জবে কেন? তখন বানিয়ে কমন উত্তর দিচ্ছেন যা বস যারা তারা বোঝেন যে আপনি গরু রচনা পাঠ করছেন। এক্ষেত্রে নিজের মত উত্তর দিন, আপনি যে কৃত্তিম উত্তর দিচ্ছেন সেটা পরিহার করুন। না পারলে এমন কৌশলে বলুন যাতে নকল মনে না হয়।

৬. সালাম/অভিবাদন প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় প্রাকটিস করুন। সবসময় পজেটিভ এটিইচুুউড দেখানোর চেষ্টা করবেন, জবটি আপনি সত্যিই করতে আগ্রহী, আপনাকে নিলে প্রতিষ্ঠান লাভবান হবে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করবেন।

৭. অতিরিক্ত জ্ঞান জাহির করতে গেলে ধরা খাওয়ার চান্স থাকে, সেক্ষেত্র সংক্ষিপ্ত কিন্তু বেষ্ট উত্তর দেয়ার চেষ্টা করতে হবে।

৮. ইন্টারভিউ শেষে জব হোক বা না হোক ধন্যবাদ দেবেন যে আমাকে ডাকার জন্য ধন্যবাদ স্যার। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে দুয়েকটা ভাল কথা বলে বিদায় নিন। আরো ভাল যদি যে মেইল করে একটা ধন্যবাদ দিলেন। এতে আপনার এবার না হলে পরে চান্স তৈরি হবে।

৯. মিথ্যা তথ্য ও অসততার আশ্রয় নেয়া থেকে দূরে থাকুন, কারো রেফারেন্স আছে সেসব ইন্টারভিউ বোর্ডে না বলে নিজের যোগ্যতায় জব পাওয়ার চেষ্টা করুন। ধরুন আপনি কারো রেফারেন্স থাকার জন্য ইন্টারভিউতে কল পেয়েছেন, কিন্তু ইন্টারভিউতে চেষ্টা করুন নিজেকে প্রমান করতে।

১০. নিজেকে প্রতিদিন একটু করে ডেভলপ করুন, বার বার একই রকম হলে বুঝতে হবে আপনার ঘাটতি আছে। শুধু কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স পড়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে ভাল করা যায় না। জ্ঞানের সাথে সাথে পার্সোনাল স্কিলস জরুরী। বই পড়ুন, পত্রিকা পড়ুন, বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ুন, কোথাও সুযোগ পেলে আলোচনায় অংশ নিন। Keep upgrading yourself.

আপাতত এই ১০টি জিনিস মাথায় রাখলে আশা করি ভাল পারফর্ম করতে পারবেন।

Source: linkedin by MD Badiuzzaman

কত জিপিএ/সিজিপিএ (GPA/CGPA) তে কোন বিভাগ/ক্লাস ধরা হয় এবং কোন নিয়োগ পরীক্ষায় কেমন রেজাল্ট প্রয়োজন হয়

GPA or CGPA Point
সকল চাকরীপ্রার্থী বা ছাত্র যারা এখনো নিজেদের রেজাল্ট প্রসেসিং এ ব্যস্ত আপনারা
অনেকেই জানতে চান যে কত GPA/CGPA তে কোন বিভাগ/ক্লাস ধরা হয় এবং কোন নিয়োগ পরীক্ষায় কেমন রেজাল্ট প্রয়োজন হয়। তাহলে আপনার জন্যই এই আর্টিকেল
-----------------
এসএসসি, এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের জিপিএ/সিজিপিএ অনুযায়ী শ্রেণী/ক্লাস (চিত্রে দ্রষ্টব্যঃ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান এই নীতিমালা অনুসরণ করে থাকেন। রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার)
----------------

বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রযোজ্য জিপিএ/সিজিপিএ/শ্রেনিঃ

১) বিসিএসঃ চার বছর মেয়াদী যেকোন ডিগ্রি (যে কোন বিষয়ে)। একাধিক তৃতীয় শ্রেণী থাকলে হবে না।

২) সরকারী ব্যাংক (সিনিয়র অফিসার/অফিসার): চার বছর মেয়াদী ডিগ্রি (যে কোন বিষয়ে)। তিনটি পরীক্ষা(এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স) এর মধ্যে কমপক্ষে দুটি প্রথম শ্রেণী থাকতে হবে। কোন তৃতীয় শ্রেণী গ্রহণযোগ্য নয়।

৩) সরকারী অন্যান্য চাকরি (ফার্স্ট ক্লাস জব): কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতক ডিগ্রি(যে কোন বিষয়ে)।

৪) বেসরকারি ব্যাংকঃ ব্যাংক ভেদে এসএসসি ও এইচএসসিতে ৪ বা ৫ (জিপিএ ৫ এর মধ্যে) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৩ বা ৩.২৫ বা ৩.৫ (সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে)। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্নাতক এর বিষয় নির্দিষ্ট করে দেয়া থাকে। এবং আবেদন থেকে শর্ট লিস্টেড করার সময় র‍্যাংকড বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেরা রেজাল্টগুলো কে প্রাধিকার দেয়া হয়।

৫) অন্যান্য বেসরকারি চাকরীঃ এর বাইরে অন্যান্য বেসরকারী চাকুরিতে অফিসার/সিনিয়র অফিসার গ্রেড এর নিয়োগে রেফারেন্স, অভিজ্ঞতা, স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উচ্চ সিজিপিএ প্রভৃতিকে মূখ্য বিবেচনায় রাখলেও প্রতিষ্ঠান ভেদে প্রার্থীর যোগ্যতার মানদন্ড ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।


* Source: Bangladesh Bank Recruitment 

20.09.2019 weekly Job Newspaper BD সাপ্তাহিক চাকরির খবর pdf download

weekly job newspaper today
weekly job newspaper pdf
weekly job newspaper 2019
weekly job news bangla
weekly job newspaper in bangladesh
weekly chakrir khobor newspaper 2019
weekly job newspaper 20.09.2019
weekly job newspaper 20 September 2019
সাপ্তাহিক চাকরির খবর pdf download
লক্ষ কোটি বেকার তরুণ- তরুণীদের প্রিয় পত্রিকার যুগান্তর  ত্রিকায় ২০/০৯/২০১৯ ইং তারিখের পত্রিকাতে যে নিউজুগলো থাকছে তার মধ্যে থেকে বাছাই করা কিছু খবর এক নজরে দেখে নিন। 

Weekly Jobs Newspaper

Weekly Jobs Newspaper
Weekly Jobs Newspaper

জিপি অফার: জিপি সকল মিনিট (Minute) অফার


জিপি দৈনিক মিনিট অফার:

গ্রামীনফোন ৫.৭০ টাকায় ১০ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়ার *121*4024#
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।
মেয়াদ : ৬ ঘন্টা।

গ্রামীনফোন ১৪ টাকায় ২৫ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *121*4001#
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।
মেয়াদ : ১৬ ঘন্টা।

গ্রামীনফোন ২৪ টাকায় ৪২ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *121*4002#
মেয়াদ ২৪ ঘন্টা।
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।

জিপি সপ্তাহিক মিনিট অফার:

গ্রামীনফোন ৫৩ টাকায় ৮৫ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *121*4004#
মেয়াদ: ৭ দিন।
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।

গ্রামীনফোন ৭৮ টাকায় ১৩৫ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *121*4026#
মেয়াদ: ৭ দিন।
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।

গ্রামীনফোন ১১৩ টাকায় ২০০ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *121*4007#
মেয়াদ: ১০ দিন।
যেকোন অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।


জিপি মাসিক মিনিট অফার:

গ্রামীনফোন ১৯৯ টাকায় ৩৫০ মিনিট অফার ।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন 1214018#
মেয়াদ: ৩০ দিন।
সকল অপারেটরে ব্যবহার করা যাবে।


শর্তাবলী:
  • গ্রামীনফোনের এই মিনি প্যাকটি সকল গ্রাহকরা নিতে পারবে।
  • মিনিট ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন *121*1*2#
  • এই মিনিট প্যাকটি দিয়ে সকল অপারেটরে কথা বলতে পারবে।
  • সাথে যুক্ত (+VAT) x শুল্ক সংযোক্ত।
  • গ্রাহকরা দিনের ২৪ ঘন্টার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
  • অফার শেষ হওয়ার আগে যদি পুনরায় প্যাকটি ক্রয় করা হয়ে, তাহলে ঐ মিনিটের সাথে যুক্ত হবে।

জিপি মিনিট অফার 2019
জিপি মিনিট অফার ২০১৮
গ্রামীণফোন মিনিট অফার 2019
জিপি রিচার্জ মিনিট অফার
গ্রামীন মিনিট অফার ২০১৯
জিপি ২০০ মিনিট
জিপি ৫০০ মিনিট
গ্রামীণফোন মিনিট অফার ২০১৮

ড. মরিস বুকাইলি: বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান pdf free Download

বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান pdf
বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান pdf
বাইবেল কুরআন ও বিজ্ঞান pdf free Download ড. মরিস বুকাইলি

বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান (The Bible the Quran and Science) ড. বুকাইলি 1976 সালে প্রকাশ করেন যেখানে তিনি বলেন যে কুরআনের কোন বক্তব্যই প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের সাথে বিরোধবাচক নয় ।

বুকাইলি জ্যোতির্বিদ্যা, ভ্রূণতত্ত্ব, সহ আরো অনেক বিষয় থেকে উদাহরণ দেন যা ২০ শতকে জনপ্রিয় ছিল.তিনি বলেন যে কুরআনের বক্তব্য গুলো বিজ্ঞানসম্মত যেখানে  তিনি ইসলামে, বিজ্ঞান ও ধর্ম সবসময় “যমজ বোন” হয়েছে।

Quran, Hadith, Tafsir And Islamic Books Download

বুকাইলির মতে, বাইবেল বিজ্ঞানের “স্মারক ত্রুটি” রয়েছে। কিন্তু কুরআনে নেই।. বুকাইলি বিশ্বাস প্রাকৃতিক ঘটনা কুরআন এর বিবরণ আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ।

কুরআন যে ঈশ্বরের শব্দ, উপসংহারে. তিনি যে যুক্তি দিয়েছেন তাতে 20 শতকের সবচেয়ে সুপ্রসিদ্ধ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কিছু, বিস্তারিত এবং নির্ভুলতার বর্ণনা করা হয়।

Click Here to Download


Tag: বাইবেল কোরআন এবং বিজ্ঞান pdf, কোরআন ও বিজ্ঞান বই pdf, আল কুরআন এক মহাবিস্ময়, কোরআন তাওরাত বাইবেল ও বিজ্ঞান, মরিস বুকাইলির ইসলাম গ্রহণ, আল কুরআন বাইবেল ও বিজ্ঞান pdf, ড মরিস বুকাইলির জীবনী, বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান আখতার উল আলম pdf

১৩.০৯.২০১৯ সাপ্তাহিক চাকরির খবর PDF Free Download

সাপ্তাহিক চাকরির খবর ২০১৯
সাপ্তাহিক চাকরির খবর ২০১৯।  আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সাপ্তাহিক চাকরির পত্রিকা পিডএফ ফ্রি তে নিয়ে নিন। ১৩.০৯.২০১৯ সাপ্তাহিক চাকরির খবর।

See Saptahik chakrir khobor 6 September 2019

বাংলালিংক SMS প্যাক │বাংলালিংক SMS কেনার নিয়ম

বাংলালিংক  Sms প্যাক
বাংলালিংক  Sms প্যাক

বাংলালিংক  SMS প্যাক │ বাংলালিংক SMS কেনার নিয়ম


Banglalink 3 Taka 30 SMS
Validity 3 days
Dial *1100*9*4#

Banglalink 7 Taka 70 SMS 
Validity 7 days 
Dial *1100*9*3#

Banglalink 15 Taka 200 SMS 
Validity 15 days 
Dial *1100*9*2#

Banglalink 30 Taka 500 SMS 
Validity 30 days 
Dial *1100*9*1#


See: Banglalink Minute Offer BL All Minute Pack Any Operator



Banglalink Minute, Internet, Sms Offer Mixed Pack


Banglalink 28 Taka 36 Minute, 100 MB, 36* SMS 
Validity 7 days 
Dial *1100*8*3#

Banglalink 78 Taka 105 Minute, 300 MB, 105* SMS
Validity 15 days
Dial *1100*8*2#

Banglalink 148 Taka 148 Minute, 1 GB, 148 SMS
Validity 30 days 
Dial *1100*8*1#


  • Banglalink all prepaid and Call & Control customers are eligible for these offers
  • Banglalink Sms Check Dial *124*17# 
  • Once pack validity expires, unused minutes/SMS/internet cannot be used anymore.
  • Banglalink All SMS Pack Use Any Operator
  • You can Use 24 hours
  • Limited time offer.
  • SD, VAT, Included they price.

tag: বাংলালিংক  Sms প্যাক, বাংলালিংক sms অফার , বাংলালিংক sms কেনার নিয়ম ২০১৯, বাংলালিংক এস এম এস প্যাক ২০১৯, বাংলালিংক এসএমএস প্যাক ২০১৯, বাংলালিংক এসএমএস কিনবো কিভাবে, বাংলালিংক মিনিট প্যাক ২০১৯, বাংলালিংক এসএমএস অফার, বাংলালিংক ফ্রি sms