Showing posts with label Videos. Show all posts
Showing posts with label Videos. Show all posts

সকল ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্দেশ্যে কিছু শিক্ষামূলক কথা (ভিডিও সহ)


একটা সময় মনে হত, একজন ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য কেন একজনকে অগ্নিবীনা, বিষের বাঁশি আর সঞ্চিতা’র রচয়িতার নাম জানা লাগবে। কেনই বা চর্যাপদ আর মঙ্গলকাব্যের খুঁটিনাটি আস্তস্থ করতে হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম কিংবা কিউবার রাজধানীর নামই বা কি কাজে লাগতে পারে!! মানুষকে মূল্যায়নের পদ্ধতি কেনই বা এমন ভৌতিক হবে!!
সত্য বলতে আমি তখন পরীক্ষাকে ভয় পাচ্ছিলাম। এজন্যই পরীক্ষা পদ্ধতির সমালোচনা করছিলাম।
একটু পেছনে ফিরে যান…. ক্লাসে যে ছেলেটি ঠিকমত ক্লাস হওয়ার জন্য স্যারের রুমের সামনে ঘুরতো, ক্লাস টেস্ট, কুইজ টেস্ট কিংবা প্যাকটিক্যাল ক্লাস করা, এ্যাসাইনমেন্ট করার ব্যাপারে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করত সেই ছেলেটি আজ নিজের যোগ্যতার বলে নিজের অবস্থান তৈরী করে নিয়েছে। নইতো বন্দরের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে, জাহাজ নোঙর করার অপেক্ষা করছে।
আর যে ছেলেগুলো তাকে সারাক্ষণ গালমন্দ করতো, কিংবা ক্লাস বর্জন করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাতো সেই ছেলেগুলো তীরহীন, কূলহীন সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে; পৃথিবীর কোন বন্দরে সাফল্যের তরীটা নোঙর করা হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে নিজের ভেতরেই!!
পৃথিবীর কাছে তুচ্ছ হয়ে বেঁচে থাকাটা কতটা যন্ত্রনার সেই বুঝতে পারে, যার ঘুরে দাঁড়ানোর সময়টুকু ফুরিয়ে গেছে। ক্লান্তি মাখা নিজের চেহারার দিকে তাকাতে নিজেরই ভয় হয়। মনে হয়, জীবনের কাছে আত্নসমর্পণ করায় বুঝি উত্তম সিদ্ধান্ত!!
সময় কি সত্যি শেষ হয়ে গেছে!! ঘুরে দাঁড়ানোর মত কি একটু সুযোগও অবশিষ্ট নাই!! শেষ বারের মত কি একবার নিজের সবটুকু শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া যায় না?
কখনও কি মনে হয়না, সব কিছু আপনাকে দিয়েই সম্ভব? কখনও কি ভেতরে প্রশ্ন জাগে না… পরীক্ষা পদ্ধতি, পরীক্ষার সিলেবাস যাই হোক না কেন… সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে পারবেন!!




একবার হেরে যাওয়া মানে জীবন শেষ হওয়া নই, বরং নতুন করে জয়ী হওয়ার সুযোগ পাওয়া মাত্র!! এ সুযোগকে কি সত্যি হেলায় হারাবেন, নাকি আসলেই কাজে লাগাবেন!!
সাফল্যের শেকড় যতই তিক্ত হোক না কেন, ফল কিন্তু মিষ্টি। সাফল্য কারো হাতে আলাদিনের চেরাগের মত ধরা দেয় না, অর্জন করে নিতে হয়!!
সফল হওয়ার জন্য চায়, অদম্য ইচ্ছা আর নিজের উপর আস্থা! নিজের উপর আস্থা আনতে নিরলস পরিশ্রমের কোন বিকল্প নাই। মুখে বড় বড় কথা বলতে কোন কিছুর প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন হয়না কোন বাড়তি যোগ্যতার। কথা বলতে পারার যোগ্যতা থাকলেই হয়। কিন্তু পরিশ্রম করে সফল হতে লাগে সীমাহীন ধৈর্য্য। অধৈর্য্য হবেন না, নিজের পেছনে সময় দিন। নিজেকে গড়ে তুলুন। পুরো পৃথিবী আপনার দিকে তাকিয়ে আছে, আপনাকে জয়ী হতেই হবে। সময় থাকতে নিজের ভেতরের প্রতিভাকে বিকশিত করুন, নিজেকে প্রমাণ করুন। পুরো পৃথিবীকে দেখিয়ে দিন, পৃথিবীর জন্য কিছু করার যোগ্যতা আপনারও রয়েছে!! আমি জানি আপনি পারবেন, আর আপনি সেটাই করে দেখাবেন!!
ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ প্রত্যেকের মঙ্গল করুন।
এই ভিডিও টি দেখুন…

দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই

দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই
দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই

দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই
দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই

দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই
দেখুন কেমন হারামি পতিবন্ধি শালী কে প্রেগন্যান্ট করে দিল দুলাভাই

বিখ্যাত’ সেই ‘প্রেমের প্রস্তাব’ ইস্যুতে ঢাকা কমার্স কলেজের ১১ শিক্ষার্থী বহিষ্কার (ভিডিওটি সহ দেখুন)



ঢাকা : সবাই শিক্ষার্থী, কলেজ ড্রেসও পরা। এদের মধ্যে একজনকে ‘প্রেমের প্রস্তাব’ দিতে বন্ধুরা মিলে করেছে ‘স্মরণীয়’ আয়োজন। প্রথমে হাতে হাত ধরে বৃত্ত বানিয়ে তাদের দুজনকে ভিতরে রেখে চারপাশ ঘুরছে বন্ধুরা। এরপর ছাত্রটি হাঁটু গেড়ে ছাত্রীকে প্রপোজ করছে, পরিয়ে দিচ্ছে আংটিও। এরপর সেই ছাত্রী সম্মতি জানিয়ে ‘জয়ের আনন্দে’ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। বাকি বন্ধুরাও উদযাপন করছে এ অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।

সেই ঘটনার ভিডিও চিত্রও মোবাইলে ধারণ করে আপলোড করা হয় ইউটিউবে। একসপ্তাহ আগের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে ভাইরাল হয়ে যায়। কেউ কেউ এমন কাজকে সাবাশি দিয়ে লিখছেন, ‘হাউ সুইট, কত রোমান্টিক একটা মুমেন্ট’। আবার কেউ লিখছেন, তরুণ প্রজন্মের এসব হচ্ছে কী? সব কিছুতে এত শো অফের কী প্রয়োজন? আর কলেজ ড্রেস পরে এসব ভিডিও বানিয়ে কী বোঝাতে চাইছে তারা?

সামাজিক  সাইটগুলোতে যে যাই বলুক, বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় অভিযুক্ত ১১ জনই ঢাকা কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাসবুরা সামিহা কায়নাত এবং শাফিন আহমেদ খান। বাকি নয়জন দুজনেরই বন্ধু, সহপাঠি। বন্ধু সামিহা এবং শাফিনের বিশেষ মুহূর্তেকে স্মরণীয় করে রাখতে বাকিদের নিয়ে করে এ আয়োজন।

গত বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ সাঈদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সেই দুজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে ঢাকা কমার্স কলেজ। বাকি ১১ জনের ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে কলেজের সব শিক্ষার্থীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ভিডিও…

ভয়ঙ্কর বজ্রপাতের যে ভিডিও আলোড়ন তুলল ফেসবুকে (ভিডিও সহ)

এত কাছ থেকে বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে পাওয়া সত্যিই এক বিরল ঘটনা, দুইটি ঘরের মাঝখানে হঠাৎই চারিদিকে আলো করে পতিত হয় বজ্রপাতটি।

এত কাছ থেকে বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে পাওয়া সত্যিই এক বিরল ঘটনা, দুইটি ঘরের মাঝখানে হঠাৎই চারিদিকে আলো করে পতিত হয় বজ্রপাতটি।

ভয়ঙ্কর বজ্রপাতের যে ভিডিও আলোড়ন তুলল ফেসবুকে