Showing posts with label Hacking Tips. Show all posts
Showing posts with label Hacking Tips. Show all posts

আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং (IP Adress Tracking) করে হ্যাকারকে খুঁজে বেড় করুণ হ্যাকারের আইপি, ব্যান/ব্ল্যাকলিস্ট করান! [কমপ্লিট গাইড!]


যখন কোন কম্পিউটার ইন্টারনেট বা যেকোনো নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হয়, অবশ্যই একটি ভার্চুয়াল অ্যাড্রেসের প্রয়োজন পরে, যেটাকে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়। প্রত্যেকটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের আরেকটি ফিজিক্যাল অ্যাড্রেসও থাকে, যেটাকে ম্যাক অ্যাড্রেস বলে, কিন্তু সেটা আরেক আলাদা কাহিনী। ধরুন কেউ আপনাকে কল করে খুব বিরক্ত করছে, সেক্ষেত্রে আপনি কলের পেছনের ঐ ব্যাক্তি সম্পর্কে কিছু না জানলেও, কলার নাম্বার থেকে কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো পেয়ে যেতে পারেন। ঠিক তেমনি, যখন আপনার ওয়েবসাইটে বা আপনার কম্পিউটারে, হ্যাকার তার কম্পিউটার থেকে কোন ম্যালিসিয়াস অ্যাক্টিভিটি চালানোর চেষ্টা করে, হ্যাকারের আইপি অ্যাড্রেস আপনার কাছে থেকে যায়। যখন হ্যাকার আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক করার চেষ্টা করে, আপনার সাইট ফায়ারওয়াল সেই আইপি অ্যাড্রেস স্টোর করে রাখে। যদিও আইপি অ্যাড্রেস থেকে সরাসরি কাউকে সেভাবে ট্র্যেস করতে পাড়বেন না, কিন্তু তারপরেও আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং বা তদন্ত করার মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেখান থেকে বেড় করে ফেলতে পাড়বেন।
যখন অনেক বড় বড় হ্যাক অ্যাটাক হয়ে যায়, বা হ্যাকার কোন সিস্টেম বা ব্যাংক সার্ভারে প্রবেশ করে অনেক টাকা চুরি করে নিয়ে যায়, পুলিশের কাছে সর্ব প্রথম হ্যাকারের আইপি অ্যাড্রেসই থাকে, আর তার সুত্র ধরেই সামনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করা হয়। আজকের আর্টিকেলে আমি কমপ্লিট আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং ম্যাথড গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। হ্যাঁ, প্রফেশনাল হ্যাকার বা সরকারী কর্মকর্তাদের কাছে আরো প্রফেশনাল মানের টুলস থাকে, কিন্তু আপনি ফ্রী টুলস গুলো থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সকল তথ্য গুলোকে খুঁজে পেতে পারেন। কিন্তু কীভাবে? — জাস্ট আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন!

আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং

নেটওয়ার্কিং এর নিয়ম অনুসারে, ইন্টারনেটের যেকোনো কম্পিউটার বা যেকোনো ওয়েবসাইটের সাথে কানেকশন তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনার একটি ইউনিক এবং ভ্যালিড আইপি অ্যাড্রেস প্রয়োজনীয় হবে এবং আপনার আইপি অ্যাড্রেস সব সময়ই প্রকাশিত থাকবে। বর্তমানে হ্যাকাররা অনেক পদ্ধতি ব্যবহার করে আইপি অ্যাড্রেস লুকিয়ে ফেলে, কিন্তু তারপরেও একটি না একটি আইপি অ্যাড্রেস সার্ভার বা কম্পিউটারে স্টোর হয়েই যায়। ধরুন, আপনি প্রক্সি সার্ভার বা ভিপিএন ব্যবহার করে কোন সার্ভারের সাথে কানেক্টেড হয়েছেন, সেক্ষেত্রে ঐ সার্ভারে আপনার আসল আইপি অ্যাড্রেস না পৌঁছালেও, ভিপিএন সার্ভারের আইপি কিন্তু ঠিকই লগ হয়ে থাকবে, আর ঐ আইপি অ্যাড্রেস থেকেও অনেক তথ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এখন আপনার কম্পিউটারে মূলত দুই টাইপের আইপি থেকে থাকে, একটি লোকাল আইপি অ্যাড্রেস বা প্রাইভেট আইপি অ্যাড্রেস এবং আরেকটি পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট আইপি অ্যাড্রেস। আপনার ইন্টারনেট আইপি অ্যাড্রেস অবশ্যই সকলের কাছে প্রদর্শিত হয়, আর এজন্যই এর নাম পাবলিক আইপি অ্যাড্রেস, সেটা আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার আপনাকে প্রভাইড করে থাকে।
প্রথমে আপনার ওয়েব সার্ভার ফায়ারওয়াল থেকে যে আইপি অ্যাড্রেসটি ম্যালিসিয়াস অ্যাক্টিভিটি করার চেষ্টা করেছিলো বা আপনার সাইটে ডিডস অ্যাটাক চালানোর চেষ্টা করেছিলো, সেটিকে খুঁজে বেড় করুণ। বিশেষ করে ঐ টাইপের আইপি অ্যাড্রেস ফায়ারওয়ালের ব্ল্যাকলিস্ট থেকে পাওয়া যায়। যদি আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়েছে বলে আপনার মনে হয়, সেক্ষেত্রে ওয়্যারসার্ক সফটওয়্যার টুলটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন, আপনার কম্পিউটার কোন আইপি অ্যাড্রেসে কোন টাইপের ডাটা সেন্ড করছে। যদি মনে হয়, কম্পিউটার কোন আইপি অ্যাড্রেসে গুরুত্বপূর্ণ কোন ডাটা সেন্ড করছে, তো হতে পারে সেটা হ্যাকারের কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস। তো এভাবেই আপনি হ্যাকারের আইপি অ্যাড্রেস পেয়ে যাবেন। এখন আপনাকে আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং বা আইপি অ্যাড্রেস তদন্ত শুরু করতে হবে।

আইপি লোকেশন খুঁজে বেড় করা

একটি আইপি অ্যাড্রেস কিন্তু শুধু মাত্র চার সেট নাম্বার বা এই নাম্বার গুলোকে বিভক্ত করা তিনটি ডট নয়, যদি উপযুক্ত জ্ঞান থাকে, এই নাম্বার গুলো থেকেই অনেক কিছু খুঁজে বেড় করা সম্ভব। আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং করার মাধ্যমে আপনি নিজেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে যাবেন, যেগুলো কাজে লাগিয়ে ঐ আইপি অ্যাড্রেসের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে পাড়বেন বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পাড়বেন। মুভিতে হয়তো দেখে থাকবেন, পুলিশেরা সেলফোন ট্র্যাকিং করে একেবারে সঠিক লোকেশন বেড় করে ফেলে। সেলফোনে অনেকটা সঠিক লোকেশন বেড় করা গেলেও, আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং করার মাধ্যমে সঠিক লোকেশন ট্র্যেস সম্ভব হয় না। মোবাইল নাম্বার, আইএমইআই নাম্বার কোন ব্যাক্তি বা ডিভাইজ অনুসারে জুড়ে দেওয়া থাকে, কিন্তু আইপি অ্যাড্রেস কখনোই কারো নামে রেজিস্টার করা থাকে না, সেক্ষেত্রে আইপি থেকে কেবল আইএসপি এর নাম বা তদের ঠিকানাই পেতে পাড়বেন।

যদিও আইপি থেকে সরাসরি হ্যাকারের জিওলোকেশন পাবেন না, কিন্তু হ্যাকার কোন আইএসপি থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, হ্যাকারের সম্ভাব্য শহর বা কোন দেশ থেকে এই তথ্য গুলো পেয়ে যেতে পাড়বেন। প্রত্যেকটি আইএসপির আইপি অ্যাড্রেস গুলো জিওলোকেশন ডাটাবেজে যুক্ত করা থাকে, তাই একসাথে অনেক গুলো ডাটাবেজ ক্রস ভেরিফাই করার মাধ্যমে মোটামুটি লোকেশন ধারণা পেয়ে যেতে পাড়বেন। যেমন দেখুন, নিচের চিত্রে infosniper.net থেকে আমার আইপি অ্যাড্রেস চেক করছি, যদিও সঠিক জিওলোকেশন পাওয়া গেলো না, কিন্তু তারপরেও অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।
আইপি লোকেশন খুঁজে বেড় করা
এরকম অনেক আইপি জিওলোকেশন ফাইন্ডার ওয়েবসাইট রয়েছে অনলাইনে, প্রত্যেকের থেকে আপনি আলাদা আলাদা তথ্য গুলো জানতে পাড়বেন। আর সব তথ্য গুলোকে একত্রিত করে আপনি মোটামুটি একটি ভালো ধারণা অর্জন করতে পাড়বেন। আমার মতে আইপি জিওলোকেশন খুঁজে বেড় করার বেস্ট অনলাইন টুলস গুলো হচ্ছে, IP2LocationGeobytes IP Address LocatorMaxMind GeoIPIP TracerIP Tracker’s Lookup ToolWhat Is My IP Address — এই টুল গুলোর মধ্যে অনেক টুল রয়েছে যারা প্রিমিয়াম সার্ভিস প্রদান করে থাকে, এতে হয়তো আরোবেশি কিছু তথ্য পেয়ে যেতে পারেন। আপনি গুগল করে লাখো ওয়েবসাইট বা অনলাইন টুল পেয়ে যাবেন, যারা আইপি লোকেশন প্রদান করে, আলাদা টুল গুলোতে অনেক তথ্য একই থাকবে সাথে কিছু নতুন তথ্য পেয়ে যেতে পারেন। যেকোনো আইপি অ্যাড্রেস থেকে সঠিক আইএসপি নাম, সঠিক দেশ, এবং খুব বেশি হলে শহর পর্যন্ত খুঁজে পেতে পাড়বেন, এর বেশি তথ্য পাবেন না, কোন বিল্ডিং বা কোন এলাকায় আইপিটি দেওয়া হয়েছে সেটা জানার জন্য আপনাকে আইএসপির সাথে যোগাযোগ করতে হতে পারে।

আইপি থেকে ভিপিএন বা প্রক্সি ডিটেক্ট

আজকের দিনে হ্যাকাররা এতোটা বোকা নয় যে, রিয়াল আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম করার চেষ্টা করবে। সাধারণত প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করে বা ভিপিএন ব্যবহার করে আইপি অ্যাড্রেস হাইড করে, ভার্চুয়াল আইপি অ্যাড্রেস নিয়ে হ্যাকিং করার চেষ্টা করে। তবে অনেক সময় হ্যাকার পার্সোনাল কম্পিউটার গুলোকে বা আপনার আমার মতো সাধারণ ইউজাদের কম্পিউটার গুলোকে হ্যাক করার সময় নিজের আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন না করেই কাজ করে, হয়তো হ্যাকার মনে করে আমরা কিছুই করতে পারবো না, বাট যদি আপনি আসল আইপি অ্যাড্রেস পেয়ে যান, ট্র্যাকিং অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
আইপি অ্যাড্রেস পাওয়ার পরে আপনার অবশ্যই সেটা চেক করা প্রয়োজনীয়, সেটা আসল আইপি নাকি প্রক্সি বা ভিপিএন আইপি। প্রক্সি ডিটেক্ট করার জন্য অনলাইন তিনটি বেস্ট টুলস হচ্ছে, IP Intelligence,  FraudLab’s IP2Proxy Live Product, এবং  IPQualityScore। আইপি ইন্টেলিজেন্স এ আপনাকে জাস্ট আইপি অ্যাড্রেসটি প্রবেশ করতে হবে, তারপরে গুগল রি-ক্যাপচা টেস্ট পাস করতে হবে এবং লুকাপ বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে। এখানে আপনি রেজাল্ট হিসেবে, ০-১ এর মধ্যে ভাল্যু পাবেন। তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট গাইড লাইন হিসেবে, রেজাল্ট স্কোর যদি ০.৯৮ এর উপরে চলে যায়, তো সম্ভবত সেটি প্রক্সি বা ভিপিএন আইপি। যদি কম স্ক্রোর হয়, সেক্ষেত্রে সেটা রিয়াল আইপি অ্যাড্রেস হতে পারে।
শুধু একটি রেজাল্টের উপর ভরসা করলে হবে না, আপনাকে অবশ্যই পরপর এই তিনটি টুলেই স্ক্যান করে ভেরিফাই করতে হবে সেটা রিয়াল আইপি অ্যাড্রেস নাকি কোন প্রক্সি, ভিপিএন, বা টর আইপি। আইপিকোয়ালিটি স্কোর রেজাল্ট থেকে আপনি শুধু ভিপিএন বা প্রক্সি আইপি ডিটেক্ট নয়, এটি যেকোনো টেম্পোরারি ইমেইল অ্যাড্রেসও ডিটেক্ট করতে পারে। তাছাড়া এখানে কোন স্কোর দেখে নিজে বুঝতে হবে না, সুন্দর করে লেখায় থাকবে, এটি রিয়াল আইপি কিনা। নিচে আমার আইপি রেজাল্ট স্ক্রীনশটটি দেখুন।
এখন যদি রেজাল্ট অনুসারে আইপি অ্যাড্রেসটি কোন ভিপিএন বা প্রক্সি সার্ভার অ্যাড্রেস হয়, সেক্ষেত্রে লোকেশন বেড় করে বা সামনের ট্র্যাকিং প্রসেস চালিয়ে লাভ হবে না, তবে হ্যাঁ, আপনি এটুকু অন্তত জানলেন, হ্যাকার আইপি হাইড করে কাজ করেছে। এখন আপনি আইনের সাহায্য নিয়ে বা অন্য কোনভাবে ভিপিএন প্রোভাইডারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, কেবল তারায় আপনাকে এর পরের স্টেপে সাহায্য করতে পাড়বে। যদি আইপিটি হ্যাকারের রিয়াল আইপি হয়, সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে উপরের স্টেপটি অনুসরণ করে হ্যাকারের আইএসপি, দেশের নাম, শহর ইত্যাদি জেনে নিতে পাড়বেন।

আইপি অ্যাড্রেস থেকে ওয়েবসাইট খোঁজা

সাধারণত, আপনি যখন ওয়েব ব্রাউজারে ডোমেইন নেম প্রবেশ করান, ডোমেইন থেকে আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বেড় করে ওয়েবসাইট’টি আপনার সামনে প্রদর্শিত হয়ে থাকে। কিন্তু ঠিক উল্টাভাবে আইপি অ্যাড্রেস থেকে এর সাথে কোন কোন ডোমেইন লাগানো রয়েছে এগুলো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। এক আইপির পেছনে অনেক ডোমেইন লাগানো থাকতে পারে, হ্যাকারের কম্পিউটারে যদি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে, সহজেই আপনি সেই ডোমেইন গুলো পেয়ে যেতে পাড়বেন, আর ডোমেইন থেকে হ্যাকার সম্পর্কে অনেক তথ্য খুঁজে পেতে পাড়বেন। আইপি থেকে ডোমেইন খোঁজে পাওয়াকে রিভার্স আইপি লুকাপ।
এক্ষেত্রেও অনেক অনলাইন ফ্রী টুল রয়েছে, যারা আইপি অ্যাড্রেস থেকে এর সাথে লাগানো ডোমেইন নেম খুঁজে বেড় করে দিতে সাহায্য করে। হ্যাকার অনেক সময় রিমোট কম্পিউটার ব্যবহার করে হ্যাকিং করতে পারে, আর রিমোট কম্পিউটারে ডোমেইন লাগানো থাকাটা স্বাভাবিক ব্যাপার। বিশেষ করে শেয়ারড হোস্টিং গুলোতে এক আইপি অ্যাড্রেসের পেছনে অনেক গুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করা থাকে। আমি কিছু বেস্ট ওয়েবসাইটের নাম লিস্ট দিচ্ছি, যেগুলোতে জাস্ট আপনার খুঁজে পাওয়া আইপি অ্যাড্রেসটি বসিয়ে দিতে হবে। তারপরে টুলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেছনের সকল ডোমেইন নাম গুলো বেড় করে দেবে।
রিভার্স আইপি অ্যাড্রেস চেক করার জন্য আপনি ViewDNS.info Reverse IP LookupWhat is my IP Reverse DNS LookupDomain Tools Reverse IP Lookup — ইত্যাদি অনলাইন টুল গুলো ব্যবহার করতে পারেন। রেজাল্টকে নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই দুই তিনটি টুল দ্বারা একের পর এক স্ক্যান করবেন, হতে পারে নতুন ডোমেইন গুলো কোন স্ক্যান লিস্টে ধরা পরে নি, তবে একটা না একটাতে ঠিকই ধরা পড়বে। যদি আইপি অ্যাড্রেসটি থেকে ডোমেইন খুঁজে পান, সেক্ষেত্রে ডোমেইন গুলোর হুইজ রেকর্ড চেক করে সহজেই ডোমেইন রেজিস্টারারের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার, ইমেল অ্যাড্রেস ইত্যাদি খুঁজে পেয়ে যাবেন।

আইপি স্প্যাম/ব্ল্যাকলিস্ট চেক

যখন আপনি আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং করবেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে চেক করে নিতে হবে, আইপিটি ব্ল্যাকলিস্টেড বা স্প্যাম আইপি হিসেবে ফ্ল্যাগ করা রয়েছে কিনা। অনেক সময় হ্যাকার নিজের কম্পিউটার বা নিজের সার্ভার থেকে হ্যাক অ্যাটাক না চালিয়ে হ্যাক করা কম্পিউটার থেকে আরো কম্পিউটার হ্যাক করার জন্য অ্যাটাক চালিয়ে থাকে। এই হ্যাক করা কম্পিউটার গুলোকে জম্বি কম্পিউটার বা বটনেট বলা হয়। বটনেট থেকে সাধারণত স্প্যাম মেইল পাঠানো হয়, তাই ঐ কম্পিউটার আইপি অ্যাড্রেস গুলো স্প্যাম আইপি হিসেবে ফ্ল্যাগ করা থাকে, আবার কম্পিউটার গুলো থেকে অনেক টাইপের ম্যালিসিয়াস অ্যাক্টিভিটি চালানোর জন্য ঐ আইপি অ্যাড্রেস অনেক কোম্পানি ব্ল্যাকলিস্টেড করে রাখে।
যদি আপনার খুঁজে পাওয়া আইপি অ্যাড্রেস স্প্যাম আর ব্ল্যাকলিস্টেড উভয়ই রেজাল্ট প্রদর্শন করে, তবে হতে পারে সেটা হ্যাকারে কম্পিউটার নয়, বরং বটনেট থেকে আপনাকে হ্যাকার হ্যাক করার চেষ্টা করেছিলো, যতোই হোক সেটা রিয়াল আইপি অ্যাড্রেস, এতে আপনি হ্যাকারকে খুঁজে পাবেন না। অনেক অনলাইন ফ্রী আইপি ব্ল্যাকলিস্ট/স্প্যাম চেকিং টুল রয়েছে, যেখানে সহজেই আইপি হেলথ চেক করতে পাড়বেন। আমি কিছু টুলের লিস্ট দিয়ে দিচ্ছি, এগুলো ট্র্যায় করতে পারেন, তবে আপনি চাইলে অনলাইন থেকে আরো অনেক টুল খুঁজে পেতে পাড়বেন।  MutiRBLIPVoidMetadefender — ইত্যাদি টুল গুলোর সাহায্যে আপনি আইপি অ্যাড্রেস ব্ল্যাকলিস্ট বা স্প্যাম লিস্ট চেক করতে পাড়বেন। এই সাইট গুলো একসাথে অনেক গুলো ডাটাবেজ স্ক্যান করে তারপরে আপনাকে রেজাল্ট প্রদর্শিত করে, বেস্ট রেজাল্ট পাওয়ার জন্য অবশ্যই একাধিক টুল ব্যবহার করুণ।
তাছাড়া আপনার টার্গেটেড আইপি অ্যাড্রেসটিতে কোন ম্যালওয়্যার হোস্ট করা রয়েছে কিনা, সেটা চেক করতে ভাইরাস টোটাল ওয়েবসাইট থেকে স্ক্যান করাতে পারেন।

হ্যাকারের আইপি অ্যাড্রেসে রিপোর্ট করুণ

কোন আইপি অ্যাড্রেস কখন কোথায় কোন ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছিল, সেটা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার খুব ভালো করেই জানে। আর আপনি উপরের তদন্ত গুলো চালানোর পরে অবশ্যই আইপি অ্যাড্রেসটি সম্পর্কে ভালো ধারণা পেয়ে গেছেন। এবার পরবর্তী পদক্ষেপ হবে আইপি অ্যাড্রেসটির বিরুদ্ধে আইএসপির কাছে রিপোর্ট করা। আপনি আপনার ফায়ারওয়াল লগ এবং আরো অ্যাটাক প্রমাণ পত্রের স্ক্রীনশট নিয়ে আইএসপির কাছে মেইল করতে পারেন। আইপি সংক্রান্ত যোগাযোগ ঠিকানা বিশেষ করে ঐ আইপির হুইজ থেকে পেয়ে যাবেন।
আমি স্ক্রীনশটে ডোমেইন টুলস থেকে সাধারণভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রবেশ করিয়েছি, আর হুইজ রেকর্ড থেকে আইএসপির সাথে যোগাযোগ করার ইমেইল ঠিকানা পেয়ে গেছি। এভাবে আপনি সহজেই পেয়ে যাবেন, আর প্রমাণ পত্র নিয়ে তাদের মেইল করে দিতে পারেন, এতে হ্যাকারের আইপি অ্যাড্রেস ব্যান করে দেওয়া হতে পারে। অনেক হুইজ রেকর্ডে ফোন নাম্বার পাওয়া যায়, সেখানে কল করে আপনি সরাসরি আইএসপির সাথে কথা বলতে পারেন। যদি আপনার কাছে স্প্যাম মেইল আসে, সেক্ষেত্রে আপনার স্প্যাম মেইলটির লগ ফাইল আট্যাচ করে আইএসপিকে মেইল করতে পারেন। আর বড় হ্যাক অ্যাটাকে তো অবশ্যই পুলিশকে খবর দিতে হবে।

আশা করছি, আজকের স্টেপ বাই স্টেপ প্রসেসে আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাকিং বা তদন্ত সংক্রান্ত আর্টিকেলটি আপনার বেশ উপকারে এসেছে, আমি হয়তো অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পেড়েছেন, আর প্রথম আইপি ট্র্যাক করার অভিজ্ঞতাও হয়তো আপনার হয়ে গেলো। সামনের কোন আর্টিকেলে আরো অ্যাডভান্স ট্র্যাকিং নিয়ে আলোচনা করবো, আরো গভীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবো, কিন্তু সেই পর্যন্ত আপনাদের টেকহাবসের সাথেই থাকতে হবে! আপনার যেকোনো প্রশ্নে আমাকে নিচে বা সোশ্যাল মিডিয়াতে কমেন্ট করতে পারেন।

ওয়াইফাই হ্যাক (Wifi hack) | নিজের ওয়াইফাই নিজেই হ্যাক করে সিকিউরিটি চেক করুণ!

দুনিয়ার কোন নেটওয়ার্ক বা সার্ভার বা যেকোনো সিকিউরিটি সিস্টেমই ১০০% হ্যাক প্রুফ নয়। আপনি যতো শক্তিশালী পাসওয়ার্ডই ব্যবহার করুণ না, কেন সেটা অবশ্যই হ্যাক করা সম্ভব, যদিও এখানে সময় আর পাওয়ারফুল কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে বলে রাখি, হ্যাক হতে পারে বলে কিন্তু এটা ভেবে নেবেন না, হ্যাক করা পানির মতো সহজ! অবশ্যই হ্যাকিং অনেক সময় জটিল প্রসেস হয়, রিয়াল হ্যাকিং এর চেয়ে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক সহজ ব্যাপার। মানে আপনার কম্পিউটার সিকিউরিটি ক্র্যাক করার চাইতে আপনাকে ধোঁকা দিয়ে পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেওয়া অনেক সহজ ব্যাপার।
যাই হোক, আজকাল নেটওয়ার্ক হ্যাক বা ওয়াইফাই হ্যাক করা সমালোচনার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবাই সবার ওয়াইফাই হ্যাক করতে চায়, অনেক সময় অনেক ক্রিটিক্যাল কারণে আবার অনেক সময় শুধু ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করার আশায়। তো কোন হ্যাকার বা আনাড়ি আপনার নেটওয়ার্ক হ্যাক করার আগে, এটাই বেস্ট আপনি নিজের নেটওয়ার্ক’কে নিজেই হ্যাক করে সেটার সিকিউরিটি পরীক্ষা করে দেখুন।
এই আর্টিকেল থেকে আপনি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক হ্যাক, নেটওয়ার্ক প্যাকেট টেস্টিং, নেটওয়ার্ক দুর্বলতা খোঁজার উপর বিস্তারিত জানতে পারবেন।

ওয়াইফাই হ্যাক

যদি আসলভাবে, মানে টেকনিক্যালি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক হ্যাক করতে চান, সেখানে কালি লিনাক্স বা লিনাক্সের আলাদা ডিস্ট্র প্রয়োজনীয় হবে। উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে ওয়াইফাই হ্যাক করার চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলায় ভালো। পাসওয়ার্ড হ্যাক করার ক্ষেত্রে আমি কালি লিনাক্স ব্যবহার করার জন্য রেকোমেন্ড করবো, কেনোনা কালি’কে বিশেষভাবে সিকিউরিটি’র উপর ফোকাস করে তৈরি করা হয়েছে, সেখানে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি এবং দুর্বলতা খোঁজার জন্য রয়েছে অসাধারণ বিল্ডইন কিছু টুলস। আগেই বলে রাখছি, যদি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে অত্যন্ত শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় এবং এনক্রিপশন টাইপ হিসেবে যদি WPA2-PSK (AES) অথবা WPA2-PSK (TKIP) হয়, তো হ্যাক করতে বারোটা বেজে যাবে (যদিও বর্তমানে দুনিয়ার সকল ওয়াইফাই এনক্রিপশন সিস্টেমে ত্রুটি খুঁজে পাওয়া গেছে)। আর আমি এই আর্টিকেলে কোন হ্যাকিং দেখাবো না, বলতে পারেন নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি টেস্টিং করা শেখাবো।
কালি লিনাক্সে ওয়াইফাই হ্যাক করার জন্য বিল্ড-ইন টুল Aircrack এবং Reaver থাকে; এই দুই টুল WEP এবং WPA দুই টাইপ এনক্রিপশনকেই ক্র্যাক করতে পারে। তবে আমার মনে হয় না, আজকের আমলে আর কেউ WEP এনক্রিপশন ব্যবহার করে, যদি আপনার রাউটারে এই এনক্রিপশন টাইপ এখানো ব্যবহার করে থাকেন, তো এক্ষুনি সেটাকে পরিবর্তন করে নিন, টেস্ট করার আগেই বলে দিচ্ছি মাত্র কয়েক ঘণ্টার কাজ আপনার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে। যাই হোক, আমরা আজ নেটওয়ার্কে ব্রুটফোর্স অ্যাটাকমারবো Aircrack ব্যবহার করে এবং পাসওয়ার্ড লিস্ট ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করার চেষ্টা করবো।

(বিঃদ্রঃ এই টেস্টিং আপনি নিজের নেটওয়ার্কের উপর করে দেখতে পারেন, যদি অন্য কারো নেটওয়ার্কের উপর টেস্টিং চালাতে চান, তবে অবশ্যই তার পারমিশন নিতে হবে। এই টেস্টিং ম্যাথড কোন অবৈধ কাজের জন্য ব্যবহার করলে, সেটার জন্য একমাত্র দায়ী আপনি!)

ধাপ ১;— সকল ইন্টারনেট ডিস্কানেক্ট করে নিন

প্রথমত আপনার কম্পিউটারের সাথে কানেক্টেড থাকা যেকোনো ইন্টারনেট লাইন বা ওয়াইফাই ডিস্কানেক্ট করে নিন, এবং অবশ্যই খেয়াল রাখুন, আপনার নেটওয়ার্ক কার্ড জেনো ঠিকঠাক কাজ করে। সাথে আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডটি অবশ্যই ইনজেকশন সাপর্টেড হতে হবে। এবার আপনার টার্মিনাল ওপেন করুণ এবং নিচের কম্যান্ডটি লিখে রান করুণ।
airmon-ng
কম্যান্ডটি প্রবেশ করানোর সাথে সাথে আপনার কাছে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কার্ডের একটি লিস্ট চলে আসবে, যদি কার্ডটি ইনজেকশন সমর্থন করে তবে অবশ্যই সেটা এই লিস্টে শো করবে। আপনার নেটওয়ার্ক কার্ড সম্ভবত wlan0 ইন্টারফেস নামে প্রদর্শিত হবে, যাই হোক আপনার কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস ভিত্তিতে আলাদা নাম প্রদর্শন করতে পারে। এরপরে আপনাকে নিচের কম্যান্ডটি প্রবেশ করাতে হবে।
airmon-ng start wlan0
আপনার নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের যদি আলাদা নাম থাকে, তো “wlan0” এর বদলে ঐ নাম রিপ্লেস করে কম্যান্ড রান করাতে হবে।

ধাপ ২;— নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং

এবার আপনাকে আপনার আশেপাশের সকল নেটওয়ার্ক গুলোকে স্ক্যান করতে হবে, জে আপনার নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস কার্ড কোন কোন নেটওয়ার্ক গুলোকে ডিটেক্ট করতে পাড়ছে। স্ক্যান করার জন্য নিচের কম্যান্ডটি প্রবেশ করান।
airodump-ng mon0
এবার একটি নেটওয়ার্ক লিস্ট আপনার সামনে খুলে যাবে, যেখানে আপনার আশপাশের সকল নেটওয়ার্ক গুলোকে দেখতে পাবেন, মানে সকল নেটওয়ার্কের BSSID গুলো দেখতে পাওয়া যাবে। যখন দেখবেন, আপনার টার্গেটেড নেটওয়ার্ক BSSID লিস্টে চলে এসেছে, এবার আপনি স্ক্যানিং প্রসেস বন্ধ করতে পারেন। স্ক্যানিং বন্ধ করতে Ctrl+C টাপ করুণ।
এবার আপনার স্ক্যানিং করা তথ্য়ের উপর ভিত্তি করে আপনাকে নেক্সট কম্যান্ড প্রবেশ করাতে হবে,
airodump-ng -c (channel) --bssid (bssid) -w /root/Desktop/ (monitor interface)
কম্যান্ডটি দেখতে ঠিক এই রকম হবে;
airodump-ng -c 6 --bssid 04:1E:64:98:96:AB -w /root/Desktop/ mon0
এবার আপনাকে বসে অপেক্ষা করতে হবে। আপনার কম্পিউটার রাউটারের সাথে কানেক্ট করার চেষ্টা করবে। এই প্রসেস চলাকালীন সময়ে আপনি হয়তো দেখতে পাবেন, ডেক্সটপে ৪টি ফাইল পপআপ হয়ে চলে আসবে, এগুলো নিয়ে আপনার চিন্তা করার কোন কারণ নেই, এই গুলোকে ঐভাবেই রেখে দিন, পরে এগুলো কাজে লাগবে। এর পর দেখবেন একটি ষ্টেশন নাম্বার পপআপ হয়ে ভেসে উঠবে, এই নাম্বারটিকে লিখে রাখুন, কেনোনা নেক্সট ধাপে এটির প্রয়োজন পড়বে।

ধাপ ৩;— ক্যাপচার

এবার আপনার ফোর্স রি-কানেক্ট করতে হবে, যাতে রাউটার এবং কম্পিউটারের মধ্যে হান্ডসেক গুলো ক্যাপচার করা যায়। আগের প্রসেসটিকে চলতে দিন এবং টার্মিনালে নতুন একটি ট্যাব ওপেন করুণ, এবার নিচের কম্যান্ড লাইনটি প্রবেশ করান;
aireplay-ng -0 2 -a (router bssid) -c (client station number) mon0
কম্যান্ডটি দেখতে ঠিক, এরকম হবে;
aireplay-ng -0 2 -a 04:1E:64:98:96:AB -c 54:4E:85:46:78:EA mon0
এবার দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটার কিছু প্যাকেট সেন্ড করছে রাউটারকে রিকানেক্ট করানোর জন্য, এবার আগের টার্মিনাল ট্যাবে ফিরে এসে দেখুন নতুন নাম্বার লিস্ট দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ, আপনি সফলভাবে হান্ডসেক ক্যাপচার করেছেন। এবার আমাদের কাজ হবে, পাসওয়ার্ড ক্র্যা*কিং আরম্ভ করে দেওয়া।

ধাপ ৪;— পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং

এখন আপনার কাছে, রাউটার পাসওয়ার্ড রয়েছে, কিন্তু সেটা এনক্রিপটেড ফরম্যাটে রয়েছে। আপনাকে এর এনক্রিপশন সম্পর্কে বুঝতে হবে এবং ব্রুটফোর্স অ্যাটাক চালু করতে হবে। এবার আপনার প্রয়োজন পড়বে ওয়ার্ড লিস্টের, আপনি অনলাইন থেকে বিশাল বিশাল আকারের ওয়ার্ড লিস্ট ডাউনলোড করতে পারবেন। সেখানে সম্ভাব্য অনেক পাসওয়ার্ড রান্ডমভাবে লিস্ট করা থাকে। এখানে মনে রাখবেন, আপনার কাছে যতোভালো ওয়ার্ড লিস্ট থাকবে, পাসওয়ার্ড ক্র্যাক হওয়ার সুযোগ ততোই বেড়ে যাবে। তবে কালি’তে ডিফল্টভাবেই কিছু ছোট আকারের ওয়ার্ড লিস্ট থাকে, যেটা আপনি /usr/share/wordlists ডিরেক্টরিতে খুঁজে পাবেন। সুতরাং আপনার কাছে যদি আলাদা ওয়ার্ড লিস্ট না থাকে, আপনি কালি’র ডিফল্ট ওয়ার্ড লিস্ট ব্যবহার করেই প্রসেস শুরু করে দিতে পারেন।
প্রসেস শুরু করতে নিচের কম্যান্ডটি প্রবেশ করান;
aircrack-ng -a2 -b (router bssid) -w (path to wordlist) /Root/Desktop/*.cap
উদাহরণ স্বরূপ কম্যান্ড দেখতে নিচের মতো হবে;
aircrack-ng -a2 -b 04:1E:64:98:96:AB -w /usr/share/wordlists/fern-wifi/common.txt 
/Root/Desktop/*.cap
এবার আপনার প্রসেস চলতে থাকবে, যদি ওয়ার্ড লিস্ট থেকে কোন পাসওয়ার্ড ম্যাচ করে তো আপনাকে ম্যাসেজ দিয়ে জানিয়ে দেবে, “পাসওয়ার্ড খুঁজে পাওয়া গেছে” – যদি খুঁজে না পাওয়া যায়, আপনাকে অন্যকোন ওয়ার্ড লিস্ট ব্যবহার করে ট্রায় করতে হবে। আগেই বলেছি, যতোবড় ওয়ার্ড লিস্ট, পাসওয়ার্ড খুঁজে পেতে ততোই সুবিধা হবে কিন্তু প্রসেস সময়ও ততোবেশি লাগবে।

নেটওয়ার্ক ত্রুটি পরীক্ষা

শুধু ওয়াইফাই হ্যাক বা আপনার নেটওয়ার্ক হ্যাক হয়, আপনার নেটওয়ার্কে অনেক কমতি থাকতে পারে যেগুলো আরো বিভিন্ন প্রকারের হ্যাকের জন্য আপনার নেটওয়ার্ক’কে ত্রুটিপূর্ণ করতে পারে। যদিও আপনার নেটওয়ার্কে ১০০% হ্যাক প্রুফ বানাতে পারবেন না, কিন্তু তারপরেও অনেকটা সিকিউর বা সহজেই যেন হ্যাক না হতে পারে,এরকমটা বানানো সম্ভব। অনলাইনে অনেক ফ্রী টুল রয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে আপনার নেটওয়ার্ক ত্রুটি চেক করতে পারবেন। আমি নিচে এমনই কিছু ফ্রী টুল সম্পর্কে আপনাকে পরিচিত করিয়ে দিচ্ছি।

এনম্যাপ (Nmap)

এনম্যাপ – নেটওয়ার্ক টুলটি নেটওয়ার্কের সবকিছু ম্যাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি আইপি অ্যাড্রেস, আইপি র‍্য, আইপি হোস্ট, কোন আইপি’র কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা রয়েছে, কোন আইপি বা কম্পিউটারে কোন ধরণের ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়েছে, সবকিছুর সম্পর্কে বিস্তারিত ম্যাপ এঁকে দিতে পারে সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যার টুলটি সম্পূর্ণ ফ্রী এবং উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্সের জন্য সমর্থন করে। আপনার নেটওয়ার্কে’র ফায়ারওয়ালে কোন কানেকশন সমর্থন করে বা কোনটিকে অ্যালাউ করে না, সবকিছুই এই টুলটি ব্যবহার করে ম্যাপ করতে পারবেন। তাছাড়া নেটওয়ার্কে’র সাথে কানেক্টেড থাকা ডিভাইজের সিকিউরিটি এবং নিউ সার্ভার খুঁজে পেতে এই টুলটি আপনাকে সাহায্য করবে।
এনম্যাপ (Nmap)
এই টুলটি কিভাবে ব্যবহার করবেন? গুগল করে দেখুন, এটি ব্যবহার করার অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন, যদি মনে করেন আমি একটি নতুন আর্টিকেল লিখে ফেলি এই ব্যাপারে, তো অবশ্যই আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। যদি অনেকে আগ্রহী হোন, আমি অবশ্যই একটি আর্টিকেল লিখবো।

নেসাস (Nessus)

নেসাস – পৃথিবীর মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক ত্রুটি খুঁজে বেড় করার একটি সফটওয়্যার টুল। যদিও এটি কমার্শিয়াল কাজের জন্য ফ্রী নয়, কিন্তু হোম ইউজে আপনি ফ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। আর সবচাইতে ভালো কথা হচ্ছে, এটি উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স – সব অপারেটিং সিস্টেমেই আরামে চলে।
আপনার নেটওয়ার্ক কনফিগার যদি ঠিক না থাকে, তো হ্যাকার আপনার কম্পিউটার রিমোট অ্যাক্সেস করে কন্ট্রোল করতে পারে। তো এই টুলটি ব্যবহার করে আপনি নেটওয়ার্ক মিস কনফিগার ডিটেক্ট করতে পারবেন। সাথে এটি আইপি/টিসিপি স্ক্যান করারও ক্ষমতা রাখে।

ওয়্যারসার্ক (Wireshark)

এই প্রোগ্রাম নিয়ে এখানে বিস্তারিত আর বলছি না, আমি কিছু দিন আগে এর কাজ আর সকল ফিচার গুলো নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল পাবলিশ করেছিলাম, আপনি সেটা এখান থেকে চেক করতে পারেন। নেটওয়ার্ক প্যাকেট ক্যাপচার করার সবচাইতে পাওয়ার একটি টুলের নাম হচ্ছে এই ওয়্যারসার্ক। এটি সম্পূর্ণ ফ্রী এবং ওপেন সোর্স একটি প্রোগ্রাম।
ওয়্যারসার্ক
সাথে এটি উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স সাথে উইন্ডোজের জন্য ৩২/৬৪বিট উভয় ভার্সনই রয়েছে। টুলটি রিয়াল টাইমে সকল নেটওয়ার্ক প্যাকেট গুলোকে ক্যাপচার করে এবং প্যাকেট গুলোকে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা প্রদান করে।

কিছু কথা মনে রাখবেন, এই আর্টিকেলটিতে কোন ক্রিটিক্যাল হ্যাকিং ম্যাথড দেখানো হয় নি, এই ম্যাথড অনলাইন থেকে উঠিয়ে জাস্ট এখানে পাবলিশ করা হয়েছে। ওয়াইফাই হ্যাকিং এতো সহজ ব্যাপার না, আবার এতো কঠিন ব্যাপারও না—সঠিক সময়, টুল, এবং কৌশলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যারা ফেসবুকে বা বিভিন্ন জায়গায় “ওয়াইফাই হ্যাক করবো কিভাবে” এরকম প্রশ্ন করে বেড়ায় (মূলত ফ্রী ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পাওয়ার আশায়) , তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, এই কাজ আপনাদের দ্বারা সম্ভব নয়। আর হ্যাঁ, এই আর্টিকেলের কোন অংশ কারো ক্ষতি বা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এর উদ্দেশ্যে নয়।
যদি বাহির থেকে এসে দেখেন আপনার বাড়ির দরজা খোলা রয়েছে, তাহলে কিরকম বিচলিত হয়ে পড়েন, ঠিক নেটওয়ার্ক নিয়েও আপনার এরকম সচেতনতা থাকা আবশ্যক। উপরের বর্ণিত টুল গুলো ইন্সটল করে আপনার নেটওয়ার্ক ত্রুটি চেক করা বা ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার চেষ্টা করা অনেক ভালো আইডিয়া। এতে আপনি বুঝতে পারবেন, কিভাবে আপনার নেটওয়ার্ক’কে আরো সিকিউর করতে হবে। যদি রোগই না জানেন, কিভাবে চিকিৎসা হবে বলুন তো? সাথে আপনার যেকোনো সমস্যা বা প্রশ্নের জন্য আমাকে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে কিভাবে সমাধান করবেন? বিস্তারিত জেনে নিন | Facebook id hack problem solve


এই প্রশ্নটা মূলত প্রায় সব ফেসবুক ইউজারদেরই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন যেটার উত্তর বা সল্যুশন এখনো অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার ভালোভাবে জানেন না। আপনি হয়তো অনেক বন্ধুবান্ধবকে আপনার কাছে ছুটে আসতে দেখেছেন এই বলে যে, আমার ফেসবুকঅ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে! এখন কি করবো আমি!। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার জানেনা যে কিভাবে তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ১০০% সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হয় এবং হ্যাক হলে কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে হয়। যারা অন্যদের টেকনোলজি এবং ইন্টারনেটের দিক থেকে বেশ কিছুটা অ্যাডভান্সড, তাদের কাছে আজকের টপিকটি খুবই হাস্যকর এবং অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে আপনি যদি সঠিকভাবে না জেনে থাকেন যে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে এরপর ঠিক আপনাকে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে তাহলে আপনি আজকের লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। আজকে আমরা এই বিষয়েই আলোচনা করবো।

ফান ফ্যাক্ট : অধিকাংশ সময় কিন্তু কারো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আক্ষরিক অর্থেই হ্যাক হয়না। ধরুন আপনার ব্রাউজারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড সেভ করা আছে। কেউ কোনভাবে আপনার ডিভাইস ব্যবহার করে আপনার ব্রাউজার থেকেই আপনার সেভ করা পাসওয়ার্ড এক্সট্রাক্ট করে নিলো (যেভাবেই করুক)। কিন্তু এটা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড চুরি করাই হলো। আক্ষরিক অর্থেই ফেসবুক আইডি হ্যাক করা হলো না। অথবা আপনার পিসিতে একটি কিলগার ঢুকিয়ে দিয়ে পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও সেটা চুরি করাই হলো। এছাড়া আপনাকে একটি ফিশিং পেজে নিয়ে গিয়ে লগিন করানো হলেও সেটাও একধরনের চুরি করাই হলো। বাট এভাবে চিন্তা করলে হ্যাকিং এর অনেক কিছুই চুরির ক্যাটাগরিতেই পড়ে যদিও। 😜

নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে

প্রথমত, আপনার অ্যাকাউন্টটিকে সিকিওর রাখতে হলে আগে আপনাকে এটা নিশ্চিতভাবে জানতে হবে যে আপনার অ্যাকাউন্টটি আসলেই হ্যাক হয়েছে কিনা। প্রবাদে আছে, মানুষ আপনাকে যদি বলে যে চিলে আপনার কান নিয়ে গেছে, তাহলে আপনি আগে চিলের পেছনে ছুটবেন নাকি কান আছে কিনা দেখবেন? ব্যাপারটি অনেকটা এমনই। তাই প্রথমেই জানতে হবে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে কিনা। জানার জন্য অবশ্যই Friends my ID maybe hacked এমন কোন স্ট্যাটাস দেবেন না ফেসবুকে। প্লিজ, এমন করবেন না, মানবতার স্বার্থে 😜। যাইহোক, আপনার যদি কখনো সন্দেহ হয় যে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে কিনা, আপনি প্রথমেই আপনার ফেসবুকের অ্যাক্টিভিটি লগ চেক করুন। অ্যাক্টিভিটি লগ হচ্ছে ফেসবুকের একটি ফিচার যেখানে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের বিগত যতরকম অ্যাক্টিভিটি আছে সবগুলোর লিস্ট পাবেন। অ্যাক্টিভিটি লগ দেখতে চলে যান আপনার ফেসবুক অ্যাপে, এরপর আপনার প্রোফাইলে ঢুকে আপনার প্রোফাইল পিকচারের নিচে বামদিকের সবার প্রথমেই পাবেন Activity Log। এখানে ক্লিক করে ঢুকলেই দেখতে পাবেন যে আপনার অ্যাকাউন্টে কি কি অ্যাক্টিভিটি রয়েছে। সেখানে দেখানো হবে ততক্ষন পর্যন্ত আপনি ফেসবুকে কি কি করেছেন। সেখানে দেখুন কোন সন্দেহজনক অ্যাক্টিভিটি আছে কিনা। চেক করুন যে এমন কিছু আছে কিনা যা আপনি করেননি।

ফেসবুক হ্যাক
এরপর চেক করুন আপনার টাইমলাইন। দেখুন যে এমন কোন পোস্ট বা শেয়ার করা পোস্ট আছে কিনা যেগুলো আপনি নিজেই কখনোই করেননি। এরপর এটাও চেক করুন যে আপনার আইডি থেকে অন্য কারো কাছে এমন কোন টেক্সট সেন্ড হয়েছে কিনা যেগুলো আপনি নিজে করেননি। এরপর আপনার ফেসবুক অ্যাপের সেটিংস অপশন থেকে আপনার Account Settings অপশনে চলে যান। এখানে আপনি অনেকগুলো সাবক্যাটাগরি দেখতে পাবেন। এখান থেকে Security and Login অপশনে চলে যান। এখানে স্ক্রিনের মাঝখানের দিকে আপনাকে দেখানো হবে যে আপনি কোন কোন ডিভাইসে আপনার আইডি লগিন করেছেন। সেখানে যদি এমন কোন ডিভাইস দেখতে পান যেটা ব্যবহার করে আপনি কখনোই লগিন করেননি বা এই ধরনের কোন সন্দেহজনক ডিভাইস দেখতে পান, তাহলেি আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার আইডিটি হ্যাক হয়েছে।

কি করবেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে?

এক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি স্টেপে কাজ করতে হবে-
১. আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে এই ব্যাপারে নিশ্চিত হলে প্রথমেই আপনাকে যা চেক করতে হবে তা হচ্ছে আপনার অ্যাকাউন্টের অ্যাক্টিভ সেশনস (Active Sessions)। এই অপশনটিতে দেখানো হয় যে আপনার ফেসবুক আইডিটি ঐ মুহূর্তে আর কোন কোন ডিভাইসে লগিন করা আছে। আপনার ফেসবুক অ্যাপের সেটিংস অপশন থেকে আপনার Account Settings অপশনে চলে যান। এখানে আপনি অনেকগুলো সাবক্যাটাগরি দেখতে পাবেন। এখান থেকে Security and Login অপশনে চলে যান। এখানে স্ক্রিনের মাঝখানের দিকে আপনাকে দেখানো হবে যে আপনি কোন কোন ডিভাইসে আপনার আইডি লগিন করেছেন। শুধুমাত্র কোন কোন ডিভাইস না, আপনি কথায় কতবার লগিন করেছেন, অর্থাৎ কথায় কয়টি সেশন তৈরি হয়েছে সেটাও দেখানো হবে। এখানে কোন সন্দেহজনক ডিভাইস দেখলেই রিমুভ করে দিন। দরকার হলে আপনার কারেন্ট ডিভাইসটি লগিন রেখে বাকি সবগুলোই রিমুভ করে দিন।
ফেসবুক হ্যাক
২. এরপর আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকেই Apps অপশনটিতে চলে যান। এখানে সবার প্রথমে আপনি দেখতে পাবেন একটি অপশন যেটার নাম Logged in with Facebook। এই অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনাকে সেই সকল অ্যাপসগুলোর লিস্ট দেখানো হবে যেগুলোকে আপনি পারমিশন দিয়েছেন আপনার আইডির কিছু কিছু ডেটা অ্যাক্সেস করার জন্য। এখানে অধিকাংশ অ্যাপই সেফ হতে পারে। তবে আমরা বাংলাদেশিরা অধিকাংশ সময়ই কোন অ্যাপকে ফেসবুকের অ্যাক্সেস দেওয়ার সময় এটা লক্ষ্য করিনা যে অ্যাপটি কি কি ডেটা অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছে। এটা কখনোই করা উচিত না। যাইহোক, সেখানে দেখুন কোন সন্দেহজনক অ্যাপ আছে কিনা। যদি এমন কোন সন্দেহজনক অ্যাপ পান, তাহলে সেটিকে রিমুভ করে দিন বা ডিলিট করে দিন। সন্দেহজনক কিভাবে বুঝবেন? প্রথমত অ্যাপটির নাম দেখে এবং অ্যাপটিতে ক্লিক করে অ্যাপটি কি কি পারমিশন নিয়েছে সেগুলো দেখলেই বুঝবেন। এখানে আপনার কমন সেন্স ব্যবহার করুন।
ফেসবুক হ্যাক
৩. এরপর সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে আপনার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিন। পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার সম্য অবশ্যই একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। আপারকেস, লোয়ারকেস লেটার এবং সিম্বলস ব্যবহার করে আপনার পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। অবশ্যই কমপক্ষে ১০-১২ ক্যারেক্টার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। এবগ পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার পরে অবশ্যই Log me out from all other Devices অপশনে টিকমার্ক দিয়ে রাখবেন। আশা করি পাসওয়ার্ড কিভাবে চেঞ্জ করতে হবে এটা সবাই ভালোভাবেই জানেন। এরপর হয়তো আপনাকে প্রাইভেসি চেকআপ অফার করতে পারে ফেসবুক। যদি প্রাইভেসি চেকআপ অফার করে তাহলে অবশ্যই অবশ্যই অ্যাক্সেপ্ট করুন। দরকার হলে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার পরে আপনার অ্যাকাউন্টে যে প্রাইমারি ইমেইল অ্যাড্রেস আছে অর্থাৎ যেটি ব্যবহার করে আপনি লগিন করেন ফেসবুকে, সেউই প্রাইমারি ইমেইল অ্যাড্রেসটি চেঞ্জ করে দিন।
৪. আপনার ফেসবুক আইডিতে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অ্যাক্টিভ করে নিন। যদিও এটা সবার আগেই করা উচিত। কারণ, টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন আপনাকে প্রথমেই আপনার আইডি হ্যাক হওয়ার থেকে প্রায় ৯৫% পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। যদি না জেনে থাকেন যে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি, তাহলে শুনুন, এটা অন করে রাখলে যতবারই আপনার অ্যাকাউন্টটি কোন অচেনা ডিভাইস থেকে লগিন করার চেষ্টা করা হবে, ততবার আপনার সিলেক্ট করা মোবাইল ফোনে একটি সিক্রেট কোড সেন্ড করবে ফেসবুক যেই কোডটি ওই ডিভাইসে ইন্টার না করা পর্যন্ত আপনার আইডিতে লগিন করা সম্ভব হবেনা। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা অন করা থাকলে কারোর জন্য কতটা কঠিন হয়ে পড়বে আপনার আইডিতে লগিন করা। যদি আগে থেকেই এটা অন না করে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অন করে নিবেন ফেসবুকের সেটিংস  পেজ থেকে।
ফেসবুক হ্যাক

আইডিতে লগিন করতে না পারলে কি করবেন?

অনেকসময় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে আপনি ফেসবুকেই লগিন করতে পারবেন না। হয়তো লগিন করার সময় দেখবেন যে বলা হচ্ছে আপনার পাসওয়ার্ড ইনকারেক্ট। এক্ষেত্রে ফেসবুকের নিজেরই একটি পাসওয়ার্ড রিকভার করার অপশন আছে এবং সেটি ফেসবুকের লগিন পেজেই পাবেন। পাসওয়ার্ড লেখার ফিল্ডের নিচে বা পাশেই Forgot your password? নামের একটি অপশন পাবেন। এখানে আপনাকে মূলত আপনার আইডেন্টিটি প্রুভ করতে হবে। এখানে আপনার ফেসবুক আইডির সাথে লিংক করা ফোন নাম্বার অথবা ইমেল অ্যাড্রেসটি ইন্টার করতে হবে। এরপর সেটি যদি কারেক্ট হয়, তাহলে ফেসবুক আপনাকে সেখানে একটি কোড পাঠাবে এবং সেটি ইন্টার করে বা সেখানে যে লিংকটি দেওয়া হবে সেটি ফলো করে আপনি আপনার আইডির পাসওয়ার্ড রিকভার করতে পারবেন। ইমেইল অ্যাড্রেসটি কাজ না করলে আপনি নিজের ইউজারনেম ইন্টার করেও পাসওয়ার্ড রিকভার করার অপশন পেতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনি যদি আইডির ওনার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অবশ্যই নিজের আইডেন্টিটি প্রুভ করার একটা না একটা অপশন পাবেনই। পাসওয়ার্ড সফলভাবে রিকভার করতে পারলে এরপরেই আপনি ওপরে লেখা ৪ টি স্টেপ ফলো করবেন
ফেসবুক হ্যাক

এই কয়েকটি পয়েন্ট সবসময় মনে রাখবেন-

  • ফেসবুক আইডি ক্রিয়েট করার সময় সবসময় পারসোনাল ইমেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করবেন। ফোন নাম্বার দিয়ে আইডি ক্রিয়েট করবেন না।
  • সম্ভব হলে ফেসবুক এমন ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ক্রিয়েট করবেন যেটা আপনি নিজে ছাড়া আর কেউ জানেনা। এই ইমেইলটি কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
  • ফেসবুক আইডিতে অবশ্যই অবশ্যই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন একটিভ রাখবেন। (মোস্ট ইম্পরট্যান্ট)
  • ইমেইল অ্যাকাউন্টটিতেও সবসময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অ্যাক্টিভ রাখবেন।
  • ফেসবুক আইডিতে লিংক করা ফোন নাম্বারটিও সম্ভব হলে গোপন রাখুন।
  • কখনোই নিজের জন্মতারিখ বা ফোন নাম্বারকে ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না। (মোস্ট ইম্পরট্যান্ট)
  • সবসময় ফেসবুক আইডিতে স্ট্রং এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। দরকার হলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করবেন।
  • প্রতিদিনই ফেসবুকে একবার করে নিজের অ্যাক্টিভিটি লগ চেক করবেন।
  • ফেসবুকে কোন অ্যাপ অ্যাড করার আগে অবশ্যই চেক করবেন সেটি কি কি পারমিশন চাচ্ছে।
  • ফেসবুকে কারো সেন্ড করা কোন সন্দেহজনক লিংকে না দেখে-শুনে ক্লিক করবেন না।
  • আপনাকে যদি ফেসবুক কর্পোরেশন থেকেও কোন ইমেইল করে আপনার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ওদের বলা কোন পাসওয়ার্ড রাখতে বলা হয়, করবেন না। কারণ, এই ইমেইলগুলো স্পুফ করা ইমেইল। মনে রাখবেন, ফেসবুক নিজে আপনাকে কখনোই বলবে না যে আপনার আইডির পাসওয়ার্ড কি রাখতে হবে। তাই এই ফাঁদে পা দেবেন না।

তো আশা করি এসব স্টেপ ফলো করলে এবং এসব সতর্কতা অবলম্বন করলে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হলেও ফিরিয়ে আনতে পারবেন এবং হ্যাক যাতে না হয় তা অনেকটা নিশ্চিত করতে পারবেন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। Happy Facebooking ! 

কিভাবে whatsapp একাউন্ট হ্যাক করবেন ১০০% working প্রমাণসহ


কিভাবে whatsapp একাউন্ট হ্যাক করবেন ১০০% working প্রমাণসহ । বন্ধুরা, হ্যাকিং শব্দটির সাথেই আমরা সবাই খুব ভালোভাবেই পরিচিত। সো হ্যাকিং নিয়েই আজকের টিউন যে কিভাবে যে কোনো হোয়াটস এপ্প একাউন্ট হ্যাক করবেন মাত্র ১০ সেকেন্ড এ। 

প্রথমেই বলে নেই এর জন্য আপনাকে জাস্ট ১০ সেকেন্ড এর জন্য ভিক্টিম এর মোবাইলটি হাতে নেয়া লাগবে তারপর আপনি ঘরে বসে তার হোয়াটস এপ্প এর সব ইনফরমেশন পেয়ে যাবেন। এর জন্য মোবাইল রুটও করতে হবেনা।

প্রথমে আপনাকে প্লেস্টোরে গিয়ে ডাউনলোড করতে হবে হোয়াটস এপ্প ওয়েব নামে একটি এপপ্স। এপপ্সটি ওপেন করলে একটা QR কোড পাবেন।
আপনার কাজ শেষ এইবার ঘড়িধরা ১০ সেকেন্ড এর জন্য ভিক্টিম এর মোবাইলটি হাতে নিবেন এবং QR কোডটি স্ক্রিন করবেন। 
সাথে সাথে ভিক্টিম মোবাইল হ্যাক হয়ে যাবে এবং ভিক্টিম কোনোভাবেই বুঝবেনা যে তার হোয়াটস অপ্পটি হ্যাক হয়েছে। 

নিচে একটি ভিডিও দিয়েছি কিভাবে হ্যাক করবেন দেখে নিতে পারবেন এবং ভিডিও শেষ পর্যন্ত দেখলে এর প্রিভেন্ট ও কেও যদি আপনার হোয়াটস এপ্প হ্যাক করে তা বুঝার উপায় ও বলে দিয়েছি ভিডিওটি দেখতে পারেন