সম্পূর্ণ এসইও গাইড লাইন | Search Engine Optimization/SEO Guide Line by WapDesh

Tags

হাই বন্ধুরা সবাই আছেন সবাই? আশা করি ভাল আছেন. ওয়াপদেশ আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আমার মনে আছে আমি যখন প্রথম এসইও -র নাম শুনি তখন ভয় পেয়ে গেছিলাম যে এটি কিভাবে কাজ করে এবং ওয়েব সাইটে কিভাবে এটাকে ইমপ্লিমেন্ট করতে হয়।
পরবর্তিতে আমি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেঁটে ঘেঁটে দেখেছি যে এসইও কিভাবে কাজ করে, কিভাবে এটাকে কাজ করাতে হয় এবং এই ধরনের অনেক তথ্যবহুল ইনফর্মেশন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমি যখন লিখতে বসলাম তখন বুঝতে পারছিলাম না আমি কিভাবে শুরু করব এবং কিভাবে নতুনদের জন্য এটিকে সহজ করে লিখব। তারপর আর কিছু না ভেবে আমি লেখা শুরু করে দিলাম একটা কম্প্যাক্ট(Compact) এসইও গাইড নিয়ে যাতে নতুনরা উপকার পায়।
আপনি যদি নতুন হন এসইও তে এবং আপনার অনেক কনফিউশন/প্রশ্ন থাকে তাহলে আশা করি আমার এই এসইও নিবন্ধটি আপনার কিছুটা হলেও উপকার করবে। তাই শক্তপোক্ত হয়ে বসে পড়ুন চেয়ারে অথবা শুয়ে পড়ুন মোবাইল নিয়ে আমার এই নিবন্ধটি পড়ার জন্য।😆😆😆 আশা করি অনেক তথ্যবহুল তথ্য আপনাদেরকে দিতে পারব। চলুন তাহলে…

এসইও(SEO) গাইড দিয়ে শুরু করি

যেহেতু পূর্বেই আমি বলেছি যে এসইও(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) গাইডটি নতুনদের জন্য তৈরি করেছি সুন্দর ভাবে বোঝানোর জন্য। তাই আমি প্রথমেই শুরু করবো কিছু সমালোচনামূলক প্রশ্ন দিয়ে যেগুলো অবশ্যই অবশ্যই আমাদের জানা দরকার। তো চলুন দেখা যাক…

এসইও কি এবং কিভাবে কাজ করে?

এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হচ্ছে কিছু কৌশল এর সমন্বয় যাতে করে ওয়েবসাইটের দৃশ্যমান বৃদ্ধি(Visibility) পায় এবং সার্চ ইঞ্জিনে এর র‍্যাঙ্ক(Rank) বৃদ্ধি পায়। এটাকে অন্যভাবেও সংজ্ঞায়িত করা যায় যে, এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ(Search Engine Result Pages/SERPs) এর দ্বারা ওয়েবমাস্টার টুলসকে ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি সম্বন্ধে জানাবে যাতে করে আপনার ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্ক বৃদ্ধি পায় এবং অর্গানিক ট্রাফিক(Organic Traffic) বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে।

এসইও প্রধানত নির্ভর করে……

  ⇒ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এর উপর
  ⇨ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার এবং
  ⇨ওয়েবসাইটের লিঙ্ক এর উপর
একটা ওয়েবসাইট তৈরীর সময় উপরের বিষয়গুলো এমনভাবে ওয়েবসাইটে সাজাতে হবে যাতে সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজেই এগুলো বুঝতে পারে। কিন্তু বর্তমান সময়ে আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি করতে হলে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আপনার সাইটে ভিউয়ার(Viewer) আসতে হবে। যদি ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ভালো না হয় তাহলে সাইটকে র‍্যাঙ্ক করাতে অনেক সমস্যা সম্মুখীন করতে হবে। আশাকরি আমার এইটুকু ব্যাখ্যাতে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে এসইও টা কি এবং কিভাবে কাজ করে।

একটি ওয়েবসাইট এর জন্য কেন এসইও দরকার?

আমার পূর্বের এসইওর আলোচনাতে আশা করি আপনারা ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন যে, একটা সাইটের জন্য এসইও কেন দরকার। সাইটকে র‍্যাঙ্ক করাতে গেলে অথবা সাইটের দৃশ্যমান আরো বাড়াতে হলে অবশ্যই আপনার সাইটকে এসইও করতে হবে। ওয়েব ট্রাফিকের সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। আপনি নিচের সার্চইঞ্জিন গুলোর নাম অবশ্যই শুনেছেন
  ⧫গুগোল(Google)
  ⧫বিং(Bing)
  ⧫ইয়াহু(Yahoo)।
ও হ্যাঁ, সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক(Facebook), টুইটার(Twitter), গুগল প্লাস(GooglePlus) এগুলো ওয়েব সাইটে ভিজিটর আনার অন্যতম একটি মাধ্যম। কিন্তু যদি আমি প্রাথমিক উৎসের কথা বলি তাহলে সার্চ ইঞ্জিন অবশ্যই প্রথমে আসবে। শুধু নতুনরা নয়, আমরাও যে কোন কিছু অনুসন্ধান করতে গেলে গুগলের মাধ্যমে কিন্তু সার্চ করি। অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোর মধ্যে গুগল সবচেয়ে রিচ যার মাধ্যমে আমরা কোন তথ্য খুব সহজেই বের করে ফেলতে পারি। যেই বিষয়টি সার্চ ইঞ্জিনকে সবচেয়ে বেশি ইউনিক(অনন্য) করেছে সেটা হচ্ছে, সার্চ ইঞ্জিন আমাদের হাইলি টার্গেটেড ট্রাফিক(Highly Targeted traffic) প্রদান করে।
আমরা একজন ইউজারকে যা দিতে চাই সার্চ ইঞ্জিন ঠিক সেই জিনিসটি তার কাছে সয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে দেয়। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যেই ভিজিটর গুলো আসে সেগুলো কিন্তু টার্গেটেড ট্রাফিক নয়। আপনাদের অনেকেরই মনে হতে পারে আমি টার্গেটের ট্রাফিক বলতে আসলে কি বুঝাতে চাচ্ছি। টার্গেটেড ট্রাফিক মানে হচ্ছে আপনার সাইটের দৃশ্যমান(Visibility) অন্যদের কাছে বাড়াবে এবং আপনার ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। আপনি যদি আপনার সাইট তৈরীর ক্ষেত্রে এসইও -র জন্য টাকা-পয়সা খরচ করেন এবং এর মাধ্যমে ভালো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে এটা আপনার ভুল হবে না। কারণ সুন্দরভাবে এসইও করার মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদি আমরা আমাদের সাইটের সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও না করি তাহলে কি হবে?

সংক্ষেপে যদি বলি তাহলে আপনি ভালো মানের ট্রাফিক পাবেন না। যার ফলে আপনার ইনকামও কম হবে। যখন আমরা আমাদের সাইটের এসইও করব তখন ইউজাররা সার্চ ইঞ্জিনে কিভাবে লিখে সার্চ করে সে জিনিসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কারণ এই বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করেই আমাদেরকে এসইও করতে হবে। যদি আমরা এই বিষয়গুলো মাথায় না রেখে এসইও করি তাহলে অবশ্যই অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন আমাদের সাইটিকে অবজ্ঞা করবে এবং সার্চ রেজাল্টে প্রথম দিকে দেখাবে না।

কি হবে যদি আমি আমার সাইটের এসইও না করি???

হাহাহাহা…… আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন যে আমি একই কথা বারবার বলে যাচ্ছি। কিন্তু কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিসের জন্য আমি এই কথাটির পুনরাবৃত্তি করলাম যাতে আপনারা মজা পান। আমি একই কথা আবার বললাম এই কারণে যে আমি আপনাদের আরও কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস জানাবো। যখনই আমাদের ওয়েবসাইট লাইভে যাবে তখন সার্চ ইঞ্জিন এটাকে ক্রল(Crawl) করবে এবং দেখবে সাইটটি কিসের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এখন কোন ইউজার যদি এমন কোন টপিক সার্চ করে যেটা আপনার কোন একটা টপিকস এর সাথে মিলে যায় তখন সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটটিকে সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শন করবে। সার্চ ইঞ্জিন প্রচন্ড বুদ্ধিমান এবং প্রতিনিয়ত তারা তাদের টেকনোলজি উন্নত করে যাচ্ছে যাতে একটা ওয়েবসাইটকে ভালোভাবে ক্রল(Crawl) করতে পারে। কিন্তু ক্রলেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে আর এখানেই এসইও প্রধানত কাজে আসে। এসইও, সার্চ ইঞ্জিন কে ভালোভাবে বোঝায় যে তার ওয়েবসাইটটি কি সম্বন্ধে যাতে করে সার্চ ইঞ্জিন সাইট সম্বন্ধে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারে। ভালোভাবে এসইও করলে আপনি অনেক ভিউয়ার পেতে পারেন কিন্তু যদি ভুল ভাবে আপনি এসইও করেন তাহলে আপনার সাইটের ভিজিটর অনেক কমে যাবে এবং ট্রাফিক একেবারে শূন্যের কাছে চলে আসতে পারে। এসইও যে শুধু আপনার ওয়েবসাইটটিকে দৃশ্যমান করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তা নয়। এটি সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে আসতেও মুখ্য ভূমিকা পালন করে। যেহেতু এখনকার সময়ে কোটি কোটি ওয়েবসাইট আছে সেহেতু সবাই চায় তাদের সাইটটিকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে আসার জন্য। আর আমরা প্রধানত প্রথম দুই তিনটে পেজ ছাড়া আর পরের সার্চ রেজাল্টে কি আছে সেগুলো খেয়াল করিনা। এই জন্য সুন্দরভাবে এসইও করার কোন বিকল্প নেই। আশাকরি এসইও সম্বন্ধে আপনাদের কনসেপ্ট আরো একটু ক্লিয়ার হল। তো চলুন আমরা পরের ধাপে যাই।

আমি কি এসইও করতে পারব?

এটা সত্য যে এসইও একটু জটিল কিন্তু এতটা জটিল নয় যে আপনি করতে পারবেন না। যদি আপনি বেসিক ধারনাগুলো ভালো ভাবে নিতে পারেন তাহলে আপনি অনেক বড় কিছু করে ফেলতে পারবেন। ইন্টারনেটে এসইও রিলেটেড অনেক টপিকস আছে, অনেক রিসোর্স আছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি প্রতিনিয়ত সাহায্য পাবেন। যদি আপনি ভালো ভাবে শেখেন এবং অনুশীলন করেন তাহলে আপনি একজন এসইও বিশেষজ্ঞ হয়ে যাবেন। কিন্তু অবশ্যই মনে রাখবেন এসইওর মুল ধারণা সম্বন্ধে একটি ভালো জ্ঞান রাখা আবশ্যক।

ব্ল্যাক হ্যাট(Black Hat SEO) vs হোয়াইট হ্যাট(White Hat SEO)

এসইও তে প্রবেশ করার আগে আপনাদের ব্ল্যাক হ্যাট এবং হোয়াইট হ্যাট এসইও সম্বন্ধে হালকা ধারণা দিব যেটা জানা আবশ্যক।
ব্ল্যাক হ্যাট এসইও র কৌশল
→ডুপ্লিকেট কনটেন্ট
→অদৃশ্যমান টেক্সট এবং জগাখিচুড়ী পূর্ণ কিওয়ার্ড
→ইউজারকে অন্য সাইট অথবা অন্য পেজে রিডিরেক্ট করা
→এমন কোন সাইটকে লিঙ্ক করা যেটার ওই পোস্টের সাথে কোন সম্পর্ক নেই
হোয়াইট হ্যাট এসইওর কৌশলসমূহ
→সামঞ্জস্য কনটেন্ট
→ইমেজকে ভালোভাবে লেবেলিং করা
→সামঞ্জস্য লিংক এবং রেফারেন্স
→শুদ্ধ বানান এবং গ্রামার অনুসরণ করে বাক্য তৈরি করা
→স্ট্যান্ডার্ড এইচটিএমএল ব্যাবহার একটি অনন্য পেজ টাইটেল তৈরি করা
অবশ্যই মনে রাখবেন আমরা আমাদের এই পোস্টে শুধুমাত্র হোয়াইট হ্যাট এসইও কে অনুসরণ করব। উপরের আলোচনায় আমি যে বেসিক বিষয়গুলো দেখিয়েছি তার মাধ্যমে আপনারা হোয়াইট হ্যাট এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও র মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন এবং কোনটা ভালো হবে সেটাও নির্ধারণ করতে পারবেন। আরো জানতে চাইলে এখানে ঘুরে আসুন…

এখন আমরা এসইও র তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে আলোচনা করবো

→কিওয়ার্ড রিসার্চ(Keyword Research)

→অন পেজ এসইও(On Page SEO)

→অফ পেজ এসইও(Off Page SEO)


➤কিওয়ার্ড রিসার্চ(Keyword Research)
নতুনদের অনেকেই কিওয়ার্ড রিসার্চ এটাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু আমি যতদিন ধরে ইউজ করছি তাতে বুঝেছি কিওয়ার্ড রিসার্চ এসইওর অন্যতম একটি অংশ। তাই আমি ভাবলাম কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্বন্ধে আপনাদের জানাবো এবং এটি কিভাবে কাজ করে এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ সেটা নিয়ে বলবো। একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যে শব্দগুচ্ছ দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে সেগুলোকে বলা হয় কিওয়ার্ড। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, যেই শব্দগুলো দিয়ে একজন ইউজার সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে সেই শব্দগুলো আপনার টপিকস বা পোস্টে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে লিখলেন What is Android। তাহলে আপনি দেখতে পাবেন প্রতিটি ওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম বিভিন্ন। যেমনঃ অ্যান্ড্রয়েডের সার্চ ভলিউমটা বেশি থাকবে কারণ অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে সবারই জিজ্ঞাসা থাকে। সার্চ ভলিউম দেখার জন্য বিভিন্ন ওয়েব লিংক আছে অথবা সফটওয়্যার আছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনারা কার কত সার্চ ভলিওম দেখতে পারেন। আপনি যদি এই বিষয়গুলো খেয়াল করেন যে, ইউজাররা কোন ওয়ার্ডটি বেশি পরিমাণে গুগলে সার্চ করছে এবং সেই ওয়ার্ডটিকে যদি আপনার সাইটে ভালোভাবে ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটকে প্রথমদিকে দেখানোর সম্ভাবনা বেশি থাকবে। এভাবে সার্চ ইঞ্জিনও আপনার সাইটটির সামঞ্জস্যতা সম্বন্ধে ভালোভাবে জানতে পারবে এবং গুগল আপনার সাইটটির সাজেশন প্রথমদিকেই দিবে। এজন্য আপনাকে ভালোভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। সাধারনত একটা টপিক্স নিয়ে যত ভাবে একজন ইউজার সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে সেই ওয়ার্ডগুলো অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে এখনি কিওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে অপটিমাইজ করুন তাহলে দেখবেন ভিজিটরের পরিমাণও অনেক বেড়ে গেছে।
➤অন পেজ এসইও(On Page SEO)
অন পেজ এসইও এর অর্থ হচ্ছে আপনার ওয়েবপেজ অথবা পোস্টে যে লেখা গুলো দেখাবে এবং এর ব্যাকে যে প্রোগ্রামটা চলবে সেটা। অন পেজ এসইও তে আপনাকে ওয়েব সাইটের পেজ অথবা পোস্টকে ভাল ভাবে অপ্টিমাইজ করতে হবে সার্চ ইঞ্জিনকে ভালো ভাবে বোঝানোর জন্য।
আমি ১৬টি অন পেজ এসইও টিপস শেয়ার করব যেগুলো আপনাকে সব থেকে ভাল আইডিয়া দিতে পারবে। তো চলুন দেখি……
১. পোষ্টের টাইটেলে আপনার কী-ওয়ার্ড যুক্ত করুনঃ অন পেজ এসইও করার সময় টাইটেলে কিওয়ার্ড ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিওয়ার্ড এর সাথে মিল করে যত সুন্দর ভাবে টাইটেল তৈরি করবেন ততো সেটা সার্চ ইঞ্জিনে গুরুত্ব পাবে। কারন টাইটেল দেখেই কিন্তু ইউজাররা আপনার সাইটে ভিজিট করবে।
২. এসইও ফ্রেন্ডলি ইউ আর এল(URL) তৈরি করুনঃ অসুন্দর URL পরিত্যাগ করুন। যেমনঃ https://www.wapdesh.com/2018/10/bangla-fb-photo-comment-bangla-comedy.html
এই ধরনের URL ব্যাবহার করলে সার্চ ইঞ্জিন সাইটটিকে ততোটা গুরুত্ত দেয় না। তাই সুন্দর একটি URL তৈরি করুন আপনার পোস্টের জন্য। যেমনঃ https://www.wapdesh.com/2017/07/32-bit-and-64-bit-process.html
৩. টাইটেলে বিভিন্ন মডিফায়ার(Modifier) যুক্ত করুনঃ মডিফায়ার(Modifier) যেমনঃ “2016”,”best”, “Guide”, ”Review” এই ধরনের কিওয়ার্ডগুলো টাইটেলে ব্যাবহার করুন। এতে করে সাইটটি র‍্যাঙ্ক করান সহজ হবে। যেমনঃ মনে করুন আপনি ভাল মোবাইল সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাহলে আপনি অবশ্যই সার্চ করবেন যে “Best Mobile in 2018”, “Best Review of Computer” ইত্যাদি। এইজন্য সার্চ ইঞ্জিনে সাইটকে র‍্যাঙ্ক করাতে গেলে এই ধরনের মডিফায়ার(Modifier) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
৪.টাইটেলকে H1 ট্যাগে অন্তর্ভুক্ত করুনঃ আপনার টাইটেলকে অবশ্যই H1 ট্যাগে অন্তর্ভুক্ত করবেন। বেশিরভাগ সিএমএস(CMS or Content Management System) বা কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেমনঃ ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার ইত্যাদি এই ধরনের সাইটগুলোতে টাইটেল অটোমেটিক্যালি H1ট্যাগে অন্তর্ভুক্ত থাকে। যেমনঃ <H1>নতুনদের জন্য সম্পূর্ণ এসইও গাইড</H1>
৫. পোস্ট এ মাল্টিমিডিয়া যুক্ত করুনঃ আপনার পোস্টে ইমেজ, ভিডিও এবং ডায়াগ্রাম ব্যবহার করুন। এতে করে ওই পোষ্টের প্রতি ইউজার বেশি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার সাইটে বেশিক্ষণ অবস্থান করবে। একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন ইউজার যত বেশি সময় আপনার সাইটে অবস্থান করবে আপনার সাইটে মানও তত বৃদ্ধি পাবে। এতে করে আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে।
৬. সাবহেডিংগুলো H2 ট্যাগে অন্তর্ভুক্তকরণঃআপনার কী-ওয়ার্ডগুলো পোষ্টের সাবহেডিং হিসেবে যুক্ত করুন এবং সে গুলোকে H2 ট্যাগে অন্তর্ভুক্ত করুন।
৭. প্রথম ১০০ ওয়ার্ডের মধ্যে আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো রাখার চেষ্টা করুনঃ আপনার পোস্ট এর প্রধান প্রধান কীওয়ার্ড গুলো প্রথম ১০০ শব্দের মধ্যে রাখুন। এতে করে সার্চ ইঞ্জিন খুব দ্রুত আপনার কী-ওয়ার্ডগুলোকে র‍্যাঙ্ক করাতে পারবে।
৮. রেসপনসিভ ডিজাইনঃ একটি ভাল মানের সাইট এবং এসইও ফ্রেন্ডলি সাইট তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনার সাইটটিকে রেস্পন্সিভ ডিজাইন করতে হবে। এতে করে আপনার সাইটটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, অথবা ট্যাবলেট ডিভাইস গুলোতে সুন্দরভাবে প্রদর্শিত হবে এবং এখান থেকে আপনার সাইটটির পেজ র‍্যাঙ্ক বাড়বে।
৯. ভালো মানের অন্যান্য ওয়েব সাইটগুলোর লিঙ্ক যুক্ত করুনঃ আপনার সাইটে অন্যান্য ভালো ভালো ওয়েবসাইট এর লিংক সংযুক্ত করুন আপনার পোষ্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে। এতে করে গুগল ভালোভাবে বুঝতে পারবে যে আপনার পোস্ট এর টপিক কি নিয়ে এবং সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করাতে সুবিধা হবে।
১০. ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করুনঃ আপনার পোস্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অন্যান্য পোস্টকে সেই পোষ্টের সাথে লিংক করুন। উদাহরন হিসেবে উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন। উইকিপিডিয়াতে একটি পোষ্টের সাথে অনেক ইন্টারনাল লিংক যুক্ত থাকে।
১১. সাইটের স্পিড কে বুস্ট করুনঃ ভালো মানের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করুন যাতে করে আপনার সাইটে যদি কোন ইউজার ভিজিট করতে আসে তাহলে সাইটটি যাতে লোড হতে সময় না লাগে। সাইট লোড হতে যত বেশি সময় লাগবে ইউজার তত হতাশা হবে এবং ফিরে যাবে।
১২. এল এস আই(LSI Keyword) কীওয়ার্ড ব্যবহার করুনঃ গুগল সার্চ ইঞ্জিনে যে ওয়ার্ডগুলো বেশি বেশি সার্চ করা হয় সে গুলোকে বিভিন্ন পোস্টে বেশি করে ছড়িয়ে দিন যাতে কেউ সার্চ করলে আপনার সাইটের সাজেশন উপরে আসে।
১৩. ইমেজ অপটিমাইজেশন করুনঃ আপনার পোস্টে যখন কোন ছবি ইনসার্ট করবেন তখন সেই ছবিটির নাম আপনার টাইটেলের সাথে মিল রেখে দিন এবং অল্টারনেট যে টেক্সট থাকে সেটিতে আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো ভালোভাবে সাজিয়ে লিখুন।
১৪. সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন ব্যবহার করুনঃসোশ্যাল শেয়ারিং বাটন তৈরি করুন যাতে কেউ যদি আপনার সাইটে ভিজিট করে তাহলে আপনার পোস্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে সেটি শেয়ার করবে। এতে করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আপনার সাইটে অনেক ট্রাফিক আসার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
১৫. বড় বড় পোস্ট তৈরি করুনঃ পোষ্টকে মোটামুটি লম্বা করুন। কারণ যত বড় পোস্ট হবে গুগলে র‍্যাঙ্ক করাতে ততো বেশি সুবিধা হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও ততো বেশি সুবিধা পাবেন। পোষ্ট লম্বা করতে গিয়ে কোন কিছু বার বার পুনরাবৃত্তি করবেন না। এতে ইউজার রেগে গিয়ে হয়ত আর আস্তে চাইবে না।
১৬. ডুয়েল টাইমকে(Dwell Time) বুস্ট করুনঃমনে করুন কেউ আপনার সাইটে আসলো এবং কয়েক সেকেন্ড পরেই সে আপনার সাইট থেকে চলে গেল। এর অর্থ হচ্ছে আপনার কনটেন্ট এর কোয়ালিটি খুবই দুর্বল। এইজন্য গুগোল ডুয়েল টাইম ইউজ করে যাতে করে আপনার কনটেন্ট এর কোয়ালিটি গুগোল বুঝতে পারে। তাই গুগোল সাজেশন দিচ্ছে যে আপনি আপনার কনটেন্টকে লম্বা করুন বা বেশি শব্দ আপনার কনটেন্টে ব্যবহার করুন যাতে ইউজার পড়তে পড়তে সময় লাগে এবং আপনার সাইটের কোয়ালিটি গুগোল বুঝতে পারে।
এতক্ষণ পর্যন্ত যে ১৬ টি টিপস নিয়ে আমি কথা বললাম আশা করি এই টিপসগুলো অনুসরন করলে আপনার সাইটের অন-পেজ এসইও খুবই সুন্দর হবে এবং আপনার সাইটটি দ্রুত গুগলে র‍্যাঙ্ক করবে। আমি এই পোষ্টেকে আরো অনেক দীর্ঘ করতে পারি কিন্তু এটা করলে হয়তো আপনারা ধৈর্য হারিয়ে ফেলবেন। যদিও আমি বলেছি আপনাদের পোস্টকে লম্বা করতে। এতে সমস্যা নেই, তবে খেয়াল রাখুন যাতে এমন ভাবে দীর্ঘায়িত না করেন যেটা ইউজারকে আশাহত করে ফেলে। আমি শুধুমাত্র দীর্ঘায়িত করছি এই কারণেই, কারণ আমার এই একটা পোস্টে যাতে আপনারা এমন ভাবে উপকৃত হন যাতে করে এসইও র কোন টপিক দেখলে সাথে সাথে বুঝতে পারেন.
➤অফ পেজ এসইও(Off Page SEO)
আপনার যখন অন পেজ এসইও র কাজ শেষ হয়ে যাবে তখনই দরকার পড়বে অফপেজ এসইও করার। অফ পেজ এসইও এর মাধ্যমে আপনার ডোমেইন অথরিটি বা ডিএ(DA or Domain Authority) মান সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে বৃদ্ধি পাবে। অন্যভাবে যদি বলা হয় তাহলে আমি বলব যে, অফ পেজ এসইও এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে আরও বিশ্বস্ত করে তুলি। এটা তখনই সম্ভব যখন অন্য সাইট গুলোতে আমাদের সাইটের লিংক করা থাকবে এবং এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন বুঝবে যে আমাদের সাইটের ভ্যালু অনেক বেশি বলেই ঐ সকল বড় বড় ওয়েবসাইটগুলোতে আমাদের ওয়েবসাইট লিংক করা হয়েছে। টেকনিক্যাল টার্মে যদি বলি তাহলে এটাকে বলা হয় লিঙ্কবিল্ডিং(Link Building)। লিংক বিল্ডিং টাকে বলতে পারেন আপনার সাইটকে অন্যান্য বড় সাইটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করা, যাতে করে ঐ সকল সাইটের ইউজাররা আপনার সাইট সম্বন্ধে জানতে পারে এবং আপনার সাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। কিন্তু মনে রাখবেন এখনকার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ পরিবেশে আমাদেরকে অবশ্যই ভালোভাবে জানতে হবে যে সঠিকভাবে লিঙ্ক বিল্ডিং কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। আপনাদের জানানোর জন্য কিছু জিনিস নিচে দিয়ে দিলাম খেয়াল করুন……
১। আপনার কনটেন্টকে প্রমোট করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করুন।
২। ভালো মানের সাইটগুলোতে গেস্ট পোস্ট করুন।
৩। ভালো ভালো ফোরাম সাইট গুলোতে প্রশ্নের উত্তর দিন এবং সেখানে আপনার সাইটটিকে তুলে ধরুন।
৪। ফটো এবং ভিডিও শেয়ার করুন।
এখন যে বিষয়টি আলোচনা করব সেটা আপনাদের কাছে একটু বিরক্তিকর হতে পারে কিন্তু বিশ্বাস করুন আমাকে, আমি আপনাদের কাছে সহজ করে তুলে ধরার চেষ্টা করব।
লিংক কেমন দেখতে হবে এবং কিভাবে তৈরি করতে হবে?
আমরা যখন কোন পোস্ট তৈরি করি তখন পোষ্টের সাথে লিখি যে আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন। এই “এখানে” এর সাথে একটি লিংক যুক্ত করে দেওয়া হয়। তখন এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় অ্যাংকর টেক্সট।
১। রেফারেল লিংক সংযুক্ত করাঃ রেফারেল লিংক হচ্ছে আপনি যে সাইটকে আপনার সাইটে যুক্ত করেছেন সেই সাইট সম্পর্কিত তথ্য এখানে থাকবে। রেফারেল সাইটটি হতে পারে কোন একটা ওয়েব পেজ অথবা পিকচার অথবা ডাউনলোড যোগ্য ফাইল অথবা ভিডিও ইত্যাদি।
২। দৃশ্যমান অথবা অ্যাংকর টেক্সটঃ কিছু কিছু সময় আপনি অবশ্যই খেয়াল করে থাকবেন যে কিছু ওয়ার্ড ব্লু কালারের থাকে অথবা বোল্ড অথবা আন্ডারলাইন থাকে এবং যেটাতে ক্লিক করা যায়। যখন আপনি এটাতে ক্লিক করেন তখন এটি আপনাকে অন্য একটি ওয়েব পেজে নিয়ে যায়। এ ধরনের লিংক গুলো কে বলা হয় অ্যাংকর টেক্সট।
৩। লিংক ট্যাগ ক্লোজারঃ এটি একটি সিগন্যাল যা সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে একটি লিংক এর শেষ নির্দেশ করে। এর অর্থ হচ্ছে আপনি একটি লিংক এইচটিএমএল, সিএসএস, কোডিং এর মাধ্যমে সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপন করতে পারেন এমন।
ওকে… এখন আমরা কিছু কানেকশন প্যারামিটার নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন দেখি, আমরা কিভাবে একটি লিংক ব্যবহার করতে পারি আমাদের সাইটে…
১। কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরি করুনঃ একটি কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি ভালো ভালো লিংক আপনার সাইটে যুক্ত করতে পারেন। আপনি হয়তো আমার এই পোস্টটা দেখেছেন যে, আমি অনেক সাইট লিঙ্ক করে দিয়েছি যেগুলো অনেক তথ্য বহুল তথ্য আপনাকে দিতে সাহায্য করবে এবং সেই বিষয়টি সম্বন্ধে আপনার একটি পরিষ্কার ধারণা জন্মাবে। এবং যখন গুগল আপনার পোস্টটি দেখবে এবং খেয়াল করবে যে আপনি ভাল ভাল তথ্য দিয়েছেন তখন আপনি অটোমেটিক তাদের কাছ থেকে লিঙ্ক পাবেন। যার মাধ্যমে আপনার সাইটে ট্রাফিক আরো বেড়ে যাবে।
২। গেস্ট পোস্টিংঃ অনেক সাইট আছে যারা গেস্ট পোস্ট এপ্রুভ করে। সেই সকল সাইট গুলোতে আপনি গেস্ট পোস্ট করতে পারেন এবং সবার কাছে আপনার কনটেন্টকে তুলে ধরতে পারেন। এগুলোর মাধ্যমে ওই সাইটের ভিজিটর গুলো আপনার সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার সাইটের ভিজিটর এর পরিমাণ বেড়ে যাবে। এর জন্য অবশ্যই আপনাকে এমন সাইট নির্বাচন করতে হবে, যে সাইটগুলোতে অনেক বেশি ট্রাফিক আসে।
৩। ব্লগ কমেন্টিংঃ ব্লগ কমেন্টিং হচ্ছে সবচেয়ে সহজ উপায় আপনার সাইটকে লিঙ্ক করার জন্য। তবে যে সাইটগুলো অনেক জনপ্রিয় তারা ব্লগ কমেন্টিং এ আপনার সাইটের ইনফর্মেশন দেওয়া থেকে ব্লক করে রাখে অথবা টাকার বিনিময়ে আপনার লিঙ্ক শেয়ার করে। এই জন্য আপনারা দেখবেন, যে সকল সাইটগুলোতে ব্লগ কমেন্টিং এর অনুমতি থাকে সে সকল সাইটে ব্লগ কমেন্ট করবেন।
৪। উইকিপিডিয়া থেকে লিংক করুনঃ আপনি যখন কোন একটি পোস্ট করবেন তখন পোষ্টের কিছু কিছু বিষয়, যেগুলো উইকিপিডিয়াতে পাওয়া যাবে এমন লিঙ্ক যুক্ত করুন। এতে করে আপনার সাইটের ট্রাফিক বেড়ে যাবে। কিন্তু একটি কথা অবশ্যই মনে রাখবেন যে আপনি অবশ্যই সীমা অতিক্রম করবেন না অর্থাৎ বেশি পরিমাণে লিংক ব্যবহার করবেন না। যদি করেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন সেটাকেই স্প্যাম হিসেবে গণ্য করতে পারে।
৫। সোশ্যাল বুকমার্কিংঃ এখনকার যুগে সোশ্যাল মিডিয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। তাই আপনার পোস্টটিকে যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শেয়ার করেন এবং এটিকে বুস্ট করেন তাহলে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাবেন। আপনার সাইটে যদি কোয়ালিটি কন্টেন্ট থাকে তাহলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর আসবে এক না এক সময়। আশাকরি অফপেজ এসইও সম্বন্ধে আপনাদের একটি পরিষ্কার ধারণা হয়েছে। আমি এখানে কিছু লিংক শেয়ার করবো আপনাদের সাথে যেগুলোতে আপনারা প্রচুর হেল্প পাবেন। কিন্তু কষ্ট করে আপনাদের পড়তে হবে…
⏭ Backlinko: About Link Building
⏭ QuickSprout: About Link Building
⏭ Ahrefs: About Link Building

২০১৮ তে কিভাবে আপনি এসইও করবেন?

সংক্ষেপে মনে রাখার জন্য আমি কিছু জিনিস বলে দিচ্ছি যেগুলো এসইও র ক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করবে……
১। আপনি যে বিষয় নিয়ে জানতে ভালবাসেন কিংবা পড়তে ভালোবাসেন সেই বিষয়ে একটি নিশ সিলেক্ট করুন। সেটা হতে পারে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে অথবা খেলাধুলা বিষয়ে অথবা ব্যবসা বিষয়ে ইত্যাদি।
২। কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন এবং কনটেন্ট কে কিভাবে সাজাবেন সেটার প্লান করুন।
৩। ওয়েবসাইট তৈরি করুন।
৪। কিওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে আপনার কনটেন্ট কে সাজান।
৫। আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সেটআপ করুন।
৬। অন পেজ এসইও এর মাধ্যমে আপনার পোস্টকে তৈরি করুন।
৭। অফ পেজ অপটিমাইজেশন শুরু করুন।
৮। আপনার কনটেন্ট কে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এগুলো সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।
৯। ভিজিটর কাউন্টার এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স চেক করুন যে কেমন ভিজিটর আপনার সাইটে প্রতিদিন আসছে।
এই জিনিসগুলো যখন করবেন তখন আপনি আরো নতুন কিছু জিনিস সম্বন্ধে জানতে পারবেন যেমন: ওয়েব সাইট অথরিটি এবং রাঙ্কিং প্যারামিটার সম্বন্ধে যেগুলো এসইও এক্সপার্টরা সংজ্ঞায়িত করেছেন। আরো আছে যেমনঃ Domain Authority(DA), Page Authority(PA), Trust Flow, Do Follow Backlink, Spam Score ইত্যাদি। এই প্যারামিটারগুলো র‍্যাঙ্কিং করাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টেনশন নিয়েন না কারন সামনে এগুলোরও পিন্ডি চটকাবো।
অনেক মাছির মত ভন ভন করলাম। আজকের মত বিদায় নিলাম। ভাল থাকবেন সবাই।


EmoticonEmoticon